উদ্দীপকে ছকের A ও B পদ্ধতিগুলো হলো সনাতন ও আধুনিক পদ্ধতি।
সনাতন পদ্ধতিতে হাত দিয়ে দুগ্ধ দোহন করা হয়। হাত দিয়ে দোহনে বাঁটের গোড়া বন্ধ করে বাঁটের উপরে চাপ প্রয়োগ করা হয়। এতে দুধ বের হয়ে আসে। এ পদ্ধতিতে দুধ দোহনকালে দোহনকারীর পরিচ্ছন্নতা বজায় না থাকলে জীবাণু দুধে সংক্রমিত হতে পারে।
আবার আধুনিক পদ্ধতিতে যন্ত্রের সাহায্যে বাঁটের মধ্যে টিট কাপ লাগিয়ে দুধ সংগ্রহ করা হয়। যন্ত্রের সাহায্যে অতি সহজেই অল্প পরিশ্রমে কম সময়ে দুগ্ধ দোহন করা যায়। তাছাড়া হাত বা শরীরের স্পর্শ না থাকায় জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে না। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, দুগ্ধ দোহনের আধুনিক পদ্ধতি বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।
Related Question
View Allপরিবারের সদস্যদের পুষ্টি ও আর্থিক চাহিদা মেটানোর জন্য যে খামারের মাধ্যমে শস্য, শাকসবজি, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মৎস্য উৎপাদন করা হয় তাকে পারিবারিক খামার বলে।
যে খামার আকারে বড় এবং তাতে উৎপাদন, লেনদেন ও আমদানি- রপ্তানি বেশি তাকে বাণিজ্যিক খামার বলে।
বেকারত্ব দূরীকরণ, আত্মকর্মসংস্থান, আর্থিক স্বচ্ছলতা, পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও বাড়তি আয়ের ব্যবস্থার জন্য বাণিজ্যিক খামার প্রয়োজন। বাণিজ্যিক খামারের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখা যায়। দেশের কৃষি উৎপাদনে ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে বাণিজ্যিক খামার সাহায্য করে।
আরিফ ও হাসিফ দীর্ঘদিন নিজ আঙিনায় দেশি জাতের মুরগি পালন করে। এতে তেমন লাভবান হতে পারেননি। পরবর্তীতে তারা পোল্ট্রি খামারের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পারিবারিক পোল্ট্রি খামার স্থাপন করে অল্প সময়ের মধ্যেই সফলতা লাভ করেন।
আরিফ ও হাসিফ পারিবারিক পোল্ট্রি খামার স্থাপনের মাধ্যমে উন্নত জাতের মুরগি পালন করেন। সফলভাবে পারিবারিক পোল্ট্রি খামার পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ থাকা উচিত। বিশেষ করে পোল্ট্রির জাত, বাসস্থান, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং টিকাদান কর্মসূচী সম্পর্কে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। তারা প্রশিক্ষণ নিয়ে এসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে খামার পরিচালনা করে এবং তা থেকে অধিক মাংস ও ডিম পায়।
মূলত পোল্ট্রি পালনের সব ধরনের জ্ঞান থাকার জন্যই আরিফ ও হাসিফ সফলতা লাভ করেন।
আরিফ ও হাসিফ লক্ষ করলেন তাদের পোল্ট্রি খামারের বর্জ্যগুলো বাড়ির পরিবেশকে দূষিত করছে। এ অবস্থায় তারা খামারের বর্জ্যগুলো পচিয়ে ফসলের জমিতে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
জমি বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য নিয়মিত জৈব সার প্রয়োগ করতে হয়। জৈব সার মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়, মাটিস্থ উপকারী অণুজীবকে ক্রিয়াশীল রাখে, মাটির ভৌত ও রাসায়নিক গুণাবলী উন্নত করে। জৈব সার ব্যবহারে রাসায়নিক সারের পরিমাণ কম লাগে ফলে উৎপাদন খরচ কমে। উপরন্তু জৈব সার পরিবেশ বান্ধব। জৈব সার হিসেবে পোল্ট্রির বর্জ্য বেশ উৎকৃষ্ট ও উপযোগী। কাজেই তাদের খামারের বর্জ্যগুলো ফসলের জমিতে ব্যবহারের ফলে বাড়ির পরিবেশ দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন থাকবে। উপরন্তু জমির উর্বরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
সুতরাং এই আলোচনা থেকে বলা যায়, আরিফ ও হাসিফের উদ্যোগটি খুবই যুক্তিযুক্ত।
পুকুরে অতিরিক্ত কাদা হলে একটি দড়ির মধ্যে ইটের টুকরা বেঁধে তা পানিতে টেনে তলার গ্যাস দূর করার উপকরণটিকে বলে হররা।
পুকুরের তলায় অতিরিক্ত কাদার উপস্থিতি এবং বেশি পরিমাণ লতাপাতা ও আবর্জনা পচনের ফলে গ্যাসের সৃষ্টি হয়। এতে করে পানি বিষাক্ত হয়ে মাছ মারা যায়।
এক্ষেত্রে হররা (একটি মোটা দড়ির সাথে ছোট ছোট দড়ি দ্বারা ইট ঝুলিয়ে বেঁধে দেওয়া) টেনে পুকুরের তলার গ্যাস দূর করার ব্যবস্থা করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!