দেড় কোটি টাকার কম মূলধন খাটে যে কারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে তাকে ক্ষুদ্র শিল্প বলা হয়।
বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি ও বিদেশে পণ্য রপ্তানি করার নামই বৈদেশিক বাণিজ্য।
সাধারণত কোনো দেশ তার চাহিদার সমস্ত জিনিস নিজেরা উৎপাদন করতে পারেন না। অন্য দেশ থেকে কিছু কিছু জিনিস তাকে আমদানি করতে হয়। একইভাবে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত পণ্যের একটা অংশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। এভাবে বিদেশের সাথে যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাই বৈদেশিক বাণিজ্য।
ছক-১ এ উল্লিখিত কাজ শহরাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজের অন্তর্ভুক্ত।
যে কোনো অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কাজ এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যে সব কাজের জন্য পূর্ব মজুরি নির্ধারিত নয়, করের আওতায় আনাও কঠিন এবং যে সব অর্থনৈতিক কার্যক্রম সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত নয় সেগুলোকে অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ বলে।
উদ্দীপকের ছক-১ এর কাজগুলো হলো হকারি, দিনমজুরের কাজ, নিজ জমিতে কাজ। এ কাজগুলো মূলত শহরাঞ্চলের অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ। কেননা এ ধরনের কাজের পূর্ব নির্ধারিত কোনো মজুরি নেই এবং এগুলোকে করের আওতায় আনা কঠিন। আর এ কাজগুলো সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিতও নয়।
ছক-২ এ উল্লিখিত শিল্প বা মাঝারি শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে- এ উক্তিটি যথার্থ।
যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে দেড় কোটি টাকার অধিক মূলধন খাটে সেগুলোকে মাঝারি শিল্প বলা হয়। যেমন- হাল্কা ইঞ্জিনিয়ারিং, সিল্ক, সিরামিক, কোন্ড স্টোরেজ বা হিমাগার প্রভৃতি। দেশের চাহিদা পূরণ ও অনেক লোকের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে এ ধরনের শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ছক-২ এ নির্দেশিত শিল্পগুলো মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের শিল্পের মূলধন কম হলেও চাহিদা বেশি থাকে। তাই অথেক্ষাকৃত কম মূলধন পুঁজি করেও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব। এছাড়া বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বৃহৎ শিল্প স্থাপন করা কষ্টসাধ্য এবং এর ভরণপোষণও প্রায় অসম্ভব। তাই মাঝারি শিল্পগুলোই বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে পারে।
অতএব বলা যায় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাঝারি শিল্পের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Related Question
View AllSAFTA-এর পুরো নাম 'South Asian Free Trade Area' বা দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা।
মাঝারি শিল্প বলতে সেসব শিল্পকে বোঝায়, যেখানে দেড় কোটি টাকার অধিক মূলধন খাটানো হয়।
মাঝারি শিল্পের উদাহরণ হলো হাল্কা ইঞ্জিনিয়ারিং, সিল্ক, সিরামিক, কোন্ড স্টোরেজ বা হিমাগার ইত্যাদি। দেশের চাহিদা পূরণ ও অনেক লোকের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে এ ধরনের শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তমিজ উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের কাজ অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলির আওতাভুক্ত।
সাধারণত যেসব অর্থনৈতিক কাজের জন্য মজুরি নির্ধারিত নেই, করের আওতায় আনা কঠিন এবং যা সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় না তাকে অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ বলে। যেমন- নিজের জমি, দোকান বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে কাজ করা, গৃহস্থালি কর্ম, হকারি, দিনমজুরি ইত্যাদি। আবহমানকাল থেকে চলে আসছে বলে অর্থনীতিবিদরা এসব কাজকে অর্থনীতির প্রথাগত খাতও বলে থাকেন।
উদ্দীপকের তমিজ উদ্দিন ও তার ছেলেরা জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করেন। আবার অবসর সময়ে তিনি একটি মুদির দোকান চালান। এ প্রেক্ষিতে বলা যায়, তমিজ উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের কাজ অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজের আওতাভুক্ত। কারণ তাদের এ কাজের জন্য কোনো নির্ধারিত মজুরি নেই, তা করের আওতায় আনা কঠিন এবং সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিতও নয়।
তমিজ উদ্দিনের মতো মানুষের কাজ তথা অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যাবলি জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে- বক্তব্যটি যথার্থ।
বিশ্বের অন্য যেকোনো উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও অনানুষ্ঠানিক খাত অন্যতম ভূমিকা পালন করছে। গ্রামের একজন কৃষক ও তার পরিবারের সদস্যরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে কাজ করেন। তাদের এ অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। f এমনিভাবে কামার-কুমোরের কাজসহ বিভিন্ন কুটিরশিল্প, মুদির দোকান ও অন্যান্য ছোটখাটো ব্যবসাও অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজ হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইভাবে শহরাঞ্চলে বসবাসকারী স্বল্প ও মাঝারি আয়ের অনেক মানুষও অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাজে নিয়োজিত থেকে অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।
সামগ্রিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার পরও আমাদের অর্থনীতির অগ্রগতিতে প্রথাগত বা অনানুষ্ঠানিক কার্যাবলি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হচ্ছে, শিল্পায়নের মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন এবং বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা।
অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম বলতে এমন অর্থনৈতিক কাজকে বোঝায়, যা করের আওতায় আনা কঠিন এবং সরকার কর্তৃক যাতে কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয় না।
আবহমানকাল থেকে চলে আসছে বলে অর্থনীতিবিদরা একে 'প্রথাগত খাত' হিসেবেও অভিহিত করেন। এ ধরনের কাজের উদাহরণ হচ্ছে-নিজের জমি, দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ, গৃহস্থালি কর্ম, হকারি ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!