মিয়ানমার বাংলাদেশের পূর্ব দিকে অবস্থিত।
মিয়ানমারের তরুণীরা রাস্তার মোড়ে খালি জায়গায় নিজেদের তৈরি সুস্বাদু নুডলস বিক্রি করে।
মিয়ানমারের তরুণীরা যে নুডলস তৈরি করে তা সকালের নাশতা হিসেবে আদর্শ খাবার। লেখক অনেক পুলকসহ ওই খাবার খেয়েছেন। সেখানে নুডলস পোড়া লঙ্কা গুঁড়ো, তেঁতুলের টক, কলার থোড় ইত্যাদি সবজি দিয়ে স্যুপ, ডিমসেদ্ধ মিশিয়ে তৈরি হয়। ডিমের খোসা ফেলে তরুণীরা তা টুকরো টুকরো করে ক্ষিপ্র গতিতে। ভাসমান দোকানের এই মজাদার নুডলস লেখকদের ভালো লেগেছে।
উদ্দীপকে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির ভ্রমণে আনন্দ লাভের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
ভ্রমণ মানুষের মনে আনন্দ এনে দেয়। ভ্রমণের মাধ্যমে আনন্দ লাভের পাশাপাশি মানুষ যথার্থ জ্ঞান অর্জন করতে পারে। অভিজ্ঞতালব্ধ এ জ্ঞান মানুষের জ্ঞানভান্ডারকে যথেষ্ট সমৃদ্ধ করে।
উদ্দীপকে ভ্রমণের আনন্দ ও অভিজ্ঞতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। রাঁচি ভ্রমণের চাঞ্চল্যকর ভাব সবাইকে পুলকিত করেছে। ভ্রমণের আনন্দকে সঞ্চয় করে ৭ই অক্টোবর সবাই হাজারিবাগ ছেড়ে রাঁচির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতেও লেখকের মিয়ানমারের সীমান্ত শহর মংডু ভ্রমণের আনন্দ-আবেগের দিকটি বর্ণিত হয়েছে। ২৪শে মে সন্ধ্যের আলো-আঁধারিতে মংডুর পথে নেমে ভ্রমণের আনন্দে তাঁর মুখ, চোখ, কান ও হৃদয় অচেনা আবেগে উপচে পড়ে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির এই দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে।
"সাদৃশ্য থাকলেও 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির সামগ্রিক দিক উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।"- উক্তিটি যথার্থ।
ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ একটি দেশ সম্পর্কে জানতে পারে। অনেক অজানা বিষয় সম্পর্কে অবগত হয়ে মানুষ জ্ঞানের পরিধিকে সমৃদ্ধ করে। একজন ভ্রমণকারী নতুন স্থানে পৌছে মনের মধ্যে পুলক অনুভব করে এবং আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, লেখক ছুটি কাটানোর জন্য রাঁচিতে ভ্রমণ করতে যান। ৭ই অক্টোবর তিনি হাজারিবাগ থেকে রাঁচির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। পাহাড় আর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে রাস্তা সবার মনে এক চাঞ্চল্যের ভাব জাগ্রত করে। নতুন স্থান ভ্রমণের আনন্দে সবাই মেতে ওঠে। 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতেও লেখক তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। সন্ধ্যের আলো-আঁধারিতে ২৪ মে মিয়ানমারের সীমান্ত শহর মংডুর পথে নেমে লেখকের হৃদয় এক অচেনা আনন্দ ও আবেগে উপচে পড়ে। ভ্রমণের আনন্দানুভূতি বর্ণনার পাশাপাশি লেখক মংডুর মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস, ব্যাবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি সম্পর্কেও ধারণা দিয়েছেন।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক সেখানকার প্রকৃতি-পরিবেশ, মানুষ, রীতিনীতি, আচার-সংস্কৃতি, ধর্ম, ইতিহাস ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেছেন। ভ্রমণের আনন্দের কথাও প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু ভ্রমণের আনন্দ ও অভিজ্ঞতার কথাই বর্ণিত হয়েছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে সাদৃশ্য থাকলেও 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির সামগ্রিক দিক উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোস্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allসেলাইবিহীন লুঙ্গির মতো বস্তুটির নাম চীবর।
"ব্যান্ডেল রোড তাদের স্মৃতি বহন করছে" বলতে পাদরি ও পর্তুগিজদের বসবাসের স্মৃতির কথা বোঝানো হয়েছে।
মংডু টেকনাফের ওপারে, মাঝখানে নাফ নদী। এটি পার হয়ে ব্রিটিশ যুগের বহু আগে থেকেই চট্টগ্রামে অনেকে এসেছেন। পাদরি মেস্ট্রো সেবাস্টিন মানরিক সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এ পথে আসেন। তারও একশ বছর আগে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করে। তারা নিজেদের বসতির জায়গাকে ব্যান্ডেল বলত। মংডু ও চট্টগ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম রাস্তাটি অর্থাৎ ব্যান্ডেল রোডটি সেই পাদরি ও পর্তুগিজদের স্মৃতি বহন করছে।
উদ্দীপক-১-এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নারকেল গাছ এবং মংডুদের খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিটি দেশে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। তবে ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ নিজের দেশের সাথে ভ্রমণরত দেশের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য বুঝতে পারে।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে দেখা যায়, মংডুর অধিবাসীদের বাড়ির সামনে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে নারকেল গাছ। বাড়ির সামনের নারকেল গাছটির গোড়ার দিকে মাথা সমান উঁচুতে রয়েছে অর্কিড। তাতে রঙিন ও সাদা ফুল ফোটে। উদ্দীপক-১ এ শ্রীলংকার অস্তিত্বের সঙ্গে নারকেলের জড়িয়ে থাকার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। উদ্দীপক-১-এ নারকেলতেল ছাড়া শ্রীলংকানরা রান্না করে না এবং রান্নায় প্রচুর মসলা এবং লাল মরিচ ব্যবহার করে। এই বিষয়টি চাকমা-মারমারা যে ধানিলঙ্কা পুড়িয়ে নুন ও পেয়াজ দিয়ে ভর্তা করে, ভ্রমণকাহিনির সেই বিষয়ে বর্ণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক-১ এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিষয়টি এবং খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা 'পদ্মাবতী'।
"লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা- এই তিন নিয়ে মিয়ানমার।"ー উক্তিটি দ্বারা লেখক বুঝিয়েছেন যে, মিয়ানমারের সর্বত্রই লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা দেখা যায়।
মিয়ানমারের নারী-পুরুষ সবাই লুঙ্গি পরে। মেয়েরা লুঙ্গির সাথে ব্লাউজ পরে, আর পুরুষরা লুঙ্গির সাথে জামা পরে। ফুঙ্গিরা হলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাদের পেশা হলো ভিক্ষা করা এবং ধর্ম প্রচার করা। আর প্যাগোডা হলো বৌদ্ধদের প্রার্থনার স্থান। মিয়ানমারে এগুলো বেশি রয়েছে এবং বেশি দেখা যায়। তাই আলোচ্য কথাটি লেখক বলেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!