ছেলেটির জীবনের ধাপে ধাপে আমগাছটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছেলেটির জীবনব্যাপী তার প্রয়োজন অনুযায়ী আমগাছটি তার সবকিছু বিলিয়ে দিতে থাকে। এভাবে আমগাছটি ছেলেটির পুরো জীবন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে যায়।
'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পের আমগাছ ও ছেলেটি পরস্পরের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে যায়। পুরো জীবনব্যাপী তারা ছিল পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ছেলেটির ছোটোবেলায় সে আমগাছটির সঙ্গে খেলা করত, তার নিঃসঙ্গ জীবনে আনন্দ নিয়ে আসত। ছেলেটির প্রতি আমগাছটির কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা ছিল অসীম। ছেলেটি বড়ো হয়ে যখন নানান জিনিস কেনার জন্য টাকা চায়, আমগাছ তখন বিক্রি করে টাকা পাবে বলে তার সব আম ছেলেটিকে বিলিয়ে দেয়। অনেক দিন পর ছেলেটি আসে বাড়ি বানানোর সাহায্য চাইতে। আমগাছ তার ডালপালাগুলো ছেলেটিকে দিয়ে দেয় বাড়ি বানানোর জন্য। আবার অনেক দিন পর ছেলেটি আসে। তার মনে শান্তি নেই। সে একটি নৌকা বানিয়ে কোথাও ভেসে যেতে চায়। গাছটি তার কাণ্ডটা ছেলেটিকে দিয়ে দেয় নৌকা বানিয়ে ভেসে বেড়ানোর জন্য। আরও বহুদিন পরে ছেলেটি আসে বৃদ্ধ হয়ে। তার তখন চাই একটু বিশ্রাম। কোথাও বসে সে জিরোতে চায়। সর্বস্ব হারিয়ে শুধু গুঁড়ি নিয়ে বেঁচে থাকা গাছটি তখন তার গুঁড়ি পেতে দেয় ছেলেটির আরামের জন্য।
ছেলেটির পুরো জীবন ধরেই আমগাছটি তাকে নানাভাবে সাহায্য করে। এতে সে নিজে নিঃস্ব হয়ে যায়, তবুও ছেলেটির আনন্দে সুখী হয়। এভাবেই ছেলেটির জীবন প্রক্রিয়ায় আমগাছটি একজন ত্রাতা হয়ে ওঠে।
Related Question
View Allছেলেটি জীবনে চলতে চলতে ক্লান্ত। বৃদ্ধ বয়সে একটু বিশ্রামের প্রয়োজনে সে নিরিবিলি জায়গা খুঁজছিল।
'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পে একটি ছেলের জীবন পরিক্রমা দেখানো হয়েছে। শৈশব থেকে তার বার্ধক্য পর্যন্ত উঠে এসেছে গল্পে। যে দুরন্ত ছেলেটি একদিন আমগাছের ছায়ায় নানাবিধ খেলা খেলত, তরতরিয়ে গাছে উঠে যেত, সেই ছেলেটি এখন বার্ধক্যে নিস্তেজ প্রায়। হাঁটার শক্তিও তার কমে এসেছে। বয়স তাকে জীর্ণ করে দিয়েছে। তার এখন একটু বিশ্রাম প্রয়োজন। তার বাকি সব প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। জীবনের যাত্রায় সে এখন পরিশ্রান্ত। কোথাও কোনো নিরিবিলিতে বসে একটু জিরিয়ে নিতে পারলেই তার শান্তি।
জীবনের পরিক্রমায় বার্ধক্যে উপনীত হয়ে ছেলেটির মধ্যে যে ক্লান্তি চেপেছে, তা থেকে একটু জিরিয়ে নিতেই সে নিরিবিলি জায়গা খুঁজছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!