ফলাবর্তন বলতে প্রেরকের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাপকের প্রদত্ত প্রত্যুত্তর বা মনোভাব প্রকাশকে বোঝায়।
প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহিগণ যখন অধস্তনদের সাথে যোগাযোগ করেন তখন তাকে নিম্নগামী যোগাযোগ বলে।
নিম্নগামী যোগাযোগে সংবাদ প্রবাহ নিম্নগামী হয়। এরূপ যোগাযোগের মাধ্যমে উর্ধ্বতন নির্বাহিগণ অধস্তনদের প্রয়োজনীয় আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ, পরামর্শ প্রদানসহ প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, নিয়ম, নীতি ইত্যাদি অবহিত করেন।
উদ্দীপকে আলাদিনের চেরাগ নামক একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং মাধ্যম হলো ইন্টারনেট।
যে ইলেকট্রনিক সংযোগ ব্যবস্থায় একই নেটওয়ার্কের অধীনে বিশ্বময় লক্ষ কোটি কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্যের আদান-প্রদান করা যায় তাকে ইন্টারনেট বলে। কার্যত ইন্টারনেট বলতে একটি আন্তর্জাতিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নির্দেশ করে যা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়- বাণিজ্যে ও ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহৃত কম্পিউটারসমূহকে সংযুক্ত করে। অর্থাৎ ইন্টারনেট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নেটওয়ার্কসমূহের সমন্বয়ে সৃষ্ট একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন টেলিফোন লাইন, স্যাটেলাইট বা রেডিও সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত।
ইন্টারনেটের সর্বাধিক ব্যবহৃত অংশ হলো 'World Wide Web' বা www: www-এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারিগণ প্রয়োজনীয় সংবাদের খোঁজ নেয়, উপস্থাপন করে এবং সংরক্ষণ করে। ইন্টারনেটের মালিকানা অর্জন করা যায় না। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে ব্যবহারকারীকে একটি কম্পিউটার, একটি মডেম এবং একটি টেলিফোন সংযোগ সংগ্রহ করতে হয়।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে ই-মেইল, ভয়েস মেইল, টেলেক্স, টেলিকনফারেন্সিং, মাল্টিমিডিয়া, ইন্টারনেট, বুলেটিন বোর্ড এবং ফ্যাক্স উপাদান ব্যবহার করে আমরা সবাই সবার হাতের মুঠোয়।
বর্তমানে যেকোনো অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যোগাযোগ সঞ্জীবনী শক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। যোগাযোগ ফলপ্রসূতা সংবাদের দ্রুত এবং সঠিক প্রেরণ কার্যের ওপর নির্ভরশীল। যোগাযোগের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং মাধ্যম যোগাযোগ বার্তার সঠিক, যথাযথ ও দ্রুত প্রেরণ নিশ্চিত করে। বর্তমানে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগে মানুষ মৌখিক ও লিখিত বিভিন্ন প্রকার কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং মাধ্যম ব্যবহার করে ঘরে বসেই ব্যবসায়িক সব ধরনের কার্যক্রম করতে পারছে।
এক কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটের মধ্য দিয়ে অন্য কম্পিউটারে দ্রুত যোগাযোগ করা যাচ্ছে ই-মেইলের মাধ্যমে। কম্পিউটারের মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ ভয়েস মেইল, টেলেক্সের মাধ্যমে লিখিত বার্তার বিনিময় ঘটে। ফ্যাক্স টেলিফোনের সাহায্যে প্রেরকের ফ্যাক্স হতে প্রাপকের ফ্যাক্সে লিখিত সংবাদ, ছবি, গ্রাফ, চার্ট ইত্যাদি হুবহু কপি প্রেরণ করে। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসে টেলিকনফারেন্সিং এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান, সভা বা আলোচনা করা যাচ্ছে। ইন্টারনেট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নেটওয়ার্কসমূহের সমন্বয়ে সৃষ্ট একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন টেলিফোন লাইন, স্যাটেলাইট বা রেডিও সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত। এর মাধ্যমে মুহূর্তেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে।
সুতরাং বলা যায়, কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে উপরিউক্ত উপাদান ব্যবহার করে আমরা সবাই সবার হাতের মুঠোয়।
Related Question
View Allসংগঠন কাঠামোর উর্ধ্বতন এবং অধস্তনদের মধ্যে যে যোগাযোগ সংঘটিত হয় তাকে উল্লম্ব যোগাযোগ বলে।
লিখিতভাবে সংঘটিত যোগাযোগকে লিখিত যোগাযোগ বলে। এরূপ যোগাযোগ ভুল বুঝাবুঝির অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
যোগাযোগের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে লিখিত যোগাযোগ সর্বাধিক সঠিক ও নির্ভুল যোগাযোগ পদ্ধতি। এরূপ যোগাযোগ সংবাদের ভুল ব্যাখ্যা, পক্ষসমূহের মধ্যে সন্দেহ ও ভুল বুঝাবুঝির সম্ভাবনা দূর করে। তাই ভুল বুঝাবুঝির অবসানে লিখিত যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে লিটনের যোগাযোগ আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
যে যোগাযোগ সংগঠন কর্তৃক প্রণীত নিয়ম-নীতি, রীতি-পদ্ধতি ইত্যাদি অনুসরণ করে সংঘটিত হয় তাকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বলে।
উদ্দীপকে লিটন একটা প্রাইভেট ফার্মের কর্মচারী। তিনি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতি মেনে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে উর্ধ্বতনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যেহেতু লিটন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তাই বলা যায়, লিটনের যোগাযোগটি আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
যান্ত্রিক যোগাযোগ উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানকে গতিশীল করেছেন'- উক্তিটি যথার্থ।
মৌখিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য, সংবাদ, ধারণা, মতামত ইত্যাদি দুই বা ততোধিক পক্ষের মাঝে বিনিময়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের যান্ত্রিক ও ইলেক্ট্রনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটেছে। বর্তমান যুগ হচ্ছে তথা প্রযুক্তির যুগ। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগেনি। যোগাযোগ ক্ষেত্রও এর বাইরে নয়। যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সর্বাগ্রে। দূরালাপনি, বেতার, টেলিভিশন, ভিডিও কনফারেন্স, অডিও কনফারেন্স, ইন্টারনেট প্রভৃতি যোগাযোগ মাধ্যম যে তথ্য প্রযুক্তির ফলে সংঘটিত হয় তাকে যান্ত্রিক যোগাযোগ বলা হয়।
যোগাযোগের ক্ষেত্রে যান্ত্রিক যোগাযোগ একটি বড় আশীর্বাদ। এর মাধ্যমে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সহজ হয়, ব্যয় হ্রাস পায় এবং যোগাযোগের গতি বাড়ে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফলাবর্তন নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রাপ্তির হাতিয়ার। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলাসহ ভিডিও দেখা যায় ফলে অনেক দূর হতেও কাজের তদারকি করা যায়। আজকাল সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে উর্ধ্বতনরা বিদেশ থেকেও স্নকল কাজ পর্যবেক্ষণ করাসহ যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। শুধু তাই নয় ঘরে বসেও অফিস পরিচালনা করা যায় এ যান্ত্রিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
উদ্দীপকে লিটন একটা প্রাইভেট ফার্মের কর্মচারী। প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের এজেন্টদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিদেশি ব্যবসায়ীদের সাথে ইন্টারনেটে যোগাযোগ করে। ফলে যেকোনো ধরনের তথ্য অতি দ্রুত পাওয়া যায়। এ ধরনের যান্ত্রিক যোগাযোগের ফলে উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানিটি দ্রুত তাদের যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে। তথ্য প্রাপ্তি ও প্রদানে যান্ত্রিক যোগাযোগের ভূমিকা অতি দ্রুততম ও গতিশীল। এর ফলে দ্রুত প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়িক সাফল্য লাভ করছে। তাই বলা যায়, 'যান্ত্রিক যোগাযোগ উদ্দীপকের - প্রতিষ্ঠানকে গতিশীল করেছে'- উক্তিটি যথার্থ।
এক কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটের মধ্য দিয়ে অন্য কম্পিউটারে যোগাযোগ করাকে ই-মেইল বলে।
ভিডিও কনফারেন্সিং হলো এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে টেলিভিশন বা মনিটরের পর্দায় কনফারেন্স বা মিটিংয়ে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিগণ পরস্পরে মুখোমুখি হয় ও কথোপকথনে অংশগ্রহণ করে।
টেলিকনফারেন্সিংয়ের একটি প্রক্রিয়া হলো ভিডিও কনফারেন্সিং। এজন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট আবশ্যক। এ ব্যবস্থায় মনিটরের পর্দায় গ্রাহক ও প্রেরক পরস্পরকে দেখতে ও কথা বলতে পারেন। দেশে এবং বিদেশেও এ প্রক্রিয়ায় একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এ জাতীয় যোগাযোগ তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!