সাদা মেঘে জলীয়বাষ্প জমে পানির অসংখ্য কণা তৈরি হয়।
"আকাশ আসলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ঢাকনা"- কথাটি দিয়ে আকাশ সম্পর্কে মানুষের ভ্রান্ত ধারণাগুলোকে মিথ্যা প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
আগেকার দিনে লোকজন আকাশকে পৃথিবীর উপর একটা কিছুর কঠিন ঢাকনা মনে করত। তারা মনে করত, আকাশ অনেকগুলো পরতে ভাগ করা। আসলে আকাশের নীল চাঁদোয়াটা কঠিন কোনো ঢাকনা নয়। এটি গ্যাসভর্তি ফাঁকা জায়গা।
উদ্দীপকে বর্ণিত সত্য উদ্ঘাটনের দিকটি 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রতিনিধিত্ব করছে।
প্রকৃত সত্য জানার মাঝে যে আনন্দ আছে, সেই আনন্দ অন্য কিছুতে নেই। বাস্তবতার নিরিখে সত্যের আদলে সবকিছু বিচার করা উচিত।
উদ্দীপকের জগদীশচন্দ্র বসু গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, গাছেরও প্রাণ আছে। উদ্ভিদ ও প্রাণীদের মধ্যে যে গভীর সম্পর্ক আছে তিনি আমাদের সামনে এ সত্যটি প্রথম তুলে ধরেন। 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক তাঁর বিজ্ঞানমনষ্কতার মাধ্যমে সত্যের মানদণ্ডে বিচার করে দেখান যে, পৃথিবীর উপর আকাশ কোনো কঠিন আবরণ নয়, বিভিন্ন গ্যাসের স্তর মাত্র। নানা গ্যাসের কারণে বিভিন্ন সময়ে আকাশের রং বিচিত্র হয়ে ওঠে। সুতরাং উদ্দীপকের জগদীশচন্দ্র বসু এবং 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের মাঝে সত্য উদ্ঘাটনের দিকটির মিল রয়েছে।
"উদ্দীপকের জগদীশচন্দ্র বসু এবং 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক দুজনেই সত্য ঘটনা উদ্ঘাটনে যৌক্তিক প্রমাণ দিয়েছেন।"- মন্তব্যটি যথাযথ।
মিথ্যা বিশ্বাস ও কুসংস্কার মানুষের জ্ঞানকে সীমাবদ্ধ করে রাখে। এগুলো সত্যের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত।
উদ্দীপকে বর্ণিত জগদীশচন্দ্র বসু একজন বিশ্বমানের বিজ্ঞানী। - উদ্ভিদ সম্পর্কে নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে তাঁর উদ্ঘাটিত তত্ত্বটি দ্বারা। গাছেরও যে প্রাণ আছে, উদ্ভিদও যে প্রাণীর মতো বিকশিত হতে থাকে- এসব বিষয় তিনি প্রমাণ করেছেন। 'আকাশ' প্রবন্ধটিতে আবদুল্লাহ আল-মুতী আকাশ সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি দেখান যে, আকাশ নীল দেখায় বায়ুমণ্ডলের নানা গ্যাসের কারণে। আকাশ নিয়ে আগেকার মানুষের কুসংস্কারাচ্ছন্ন চিন্তারও অবসান ঘটে তাঁর যৌক্তিক প্রমাণের মধ্য দিয়ে।
'আকাশ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক যেমন 'আকাশ' সম্পর্কে নানা ধারণা সত্যের আলোকে, বৈজ্ঞানিক যুক্তিতে প্রমাণ করেছেন, অনুরূপভাবে জগদীশচন্দ্র বসুও গাছের প্রাণ আছে বলে তাদের বেড়ে ওঠা, উদ্ভিদের সঙ্গে প্রাণীর সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় প্রমাণ করেছেন। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নের মন্তব্যটি সঠিক।
Related Question
View All'চাঁদোয়া' অর্থ হচ্ছে শামিয়ানা।
প্রবন্ধটির নাম 'আকাশ' রাখার কারণ, এতে আকাশের রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
'আকাশ' প্রবন্ধে আকাশের অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে লেখক বলেছেন, আকাশ বায়ুর একটি বিশাল স্তর। এতে প্রায় বিশটি বর্ণহীন গ্যাস মিশে আছে। বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের অণু ছড়িয়ে আছে বলে আকাশ নীল দেখায়। সূর্যের লাল আলো মেশার কারণে কখনো কখনো এখানকার মেঘ লাল দেখায়। আকাশ সম্বন্ধে এসব বিষয় এ প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে বলেই প্রবন্ধের নাম 'আকাশ' রাখা হয়েছে।
'আকাশ' প্রবন্ধে বর্ণিত আকাশ সম্বন্দ্বে মানুষের প্রাচীন ও অবৈজ্ঞানিক ধ্যান-ধারণার দিকটি উদ্দীপকের রফিক সাহেবের মধ্যে উঠে এসেছে।
প্রাচীনকালে অনেক কিছুই জানার অভাবে অন্ধকারে ঢাকা ছিল। কিন্তু বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারে সবকিছু এখন পরিষ্কারভাবে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে।
'আকাশ' প্রবন্ধে বলা হয়েছে, আগেকার দিনে লোকে ভাবত, আকাশটা বুঝি পৃথিবীর উপর একটা কিছুর কঠিন ঢাকনা। কখনো তারা ভাবত, আকাশটা পরতে পরতে ভাগ করা। প্রবন্ধের এই প্রাচীন ও অবৈজ্ঞানিক ধারণার দিকটি উদ্দীপকের রফিক সাহেবের মধ্যে উঠে এসেছে। তিনি হাত দিয়ে মাথা, কপাল, পেট ইত্যাদি টিপেই রোগনির্ণয় করে ওষুধ দিতেন যা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে একেবারে অচল।
"আধুনিক ধ্যান-ধারণা এবং গবেষণাই বিজ্ঞানের জগতে ব্যাপক গতি এনে দিয়েছে, এ বিষয়টি উদ্দীপক এবং 'আকাশ' প্রবন্ধের আলোকে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।
বিজ্ঞানীদের নানা আবিষ্কারের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়েছে, অনেক কুসংস্কার দূর হয়েছে, অনেক কৌতূহলী মানুষের কৌতূহল মিটেছে।
উদ্দীপকের সুমন সাহেব একজন বড় ডাক্তার। পিতার প্রথাগত পদ্ধতি থেকে তার রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি ভিন্ন। আলট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি, এক্স-রে ইত্যাদির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করেন। বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কার তিনি কাজে লাগান। 'আকাশ' প্রবন্ধে আগেকার মানুষের আকাশ সম্পর্কে যে ধারণা ছিল সেটা বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে পরিবর্তিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা আগে বেলুন পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন, আর এখন মানুষ নিজেই মহাকাশযানে চড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা চালাচ্ছে।
উদ্দীপকের সুমন সাহেব পুরনো ধ্যানধারণা বদলে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদানকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। 'আকাশ' প্রবন্ধেও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারকেই গ্রহণ করার মানসিকতা দেখা যায়। তাই প্রবন্ধ এবং উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।
বায়ুমণ্ডলের বিশাল স্তর পেরিয়ে আসতে পারে শুধু সূর্যের লাল রঙের ঢেউগুলো। এ কারণেই সন্ধ্যায় আকাশে লাল আলোর বন্যা নামে।
পৃথিবীর উপরে আছে বিশাল বায়ুমণ্ডল এবং এতে রয়েছে ধুলা আর মেঘের স্তর। সন্ধ্যাবেলায় সূর্যের রশ্মিকে তেরছাভাবে বায়ুমণ্ডলের হাওয়ার স্তর পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু সব রঙের আলোক আসতে পারে না। শুধু লাল আলোর ঢেউগুলো আসতে পারে। এজন্যই সন্ধ্যায় আকাশে লাল আলোর বন্যা নামে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
