Related Question
View Allতাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা শুনে তাঁকে অধ্যাপনা করার আমন্ত্রণ জানানো হয়।
দেশের কল্যাণ করার জন্যই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসেন।
জগদীশচন্দ্র বসুর আশ্চর্য সব আবিষ্কার দেখে আইনস্টাইন মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
জগদীশচন্দ্র বসুর 'নিরুদ্দেশের কাহিনি' বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি।
ছেলেটি তেমন দুরন্ত নয়।
মেঘ ডেকে আকাশে বিদ্যুৎ চমকে বাজ পড়লে অবাক বিস্ময়ে ভাবে।
ওর পড়াশোনার শুরু বাড়িতে।
প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক পদে যোগ দেন।
প্রতিবাদে তিনি দীর্ঘ তিন বছর বেতন না নিয়ে কর্তব্য পালন করে ।
তিনি দেখিয়েছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণী জীবনের মধ্যে অনেক মিল আছে।
তিনি অতিক্ষুদ্র তরঙ্গসৃষ্টি আবিষ্কার করেন।
১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে 'নাইট' উপাধি দেন। তাই উপাধিসহ তাঁর নাম হয় স্যার জগদীশচন্দ্র বসু। সে বছরই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বসু বিজ্ঞান মন্দির। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেই বিজ্ঞান মন্দিরে গবেষণা পরিচালনা করেন। বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর সফলতা বিজ্ঞানী গ্যালিলিও-নিউটনের সমকক্ষ ছিল। জগদীশচন্দ্র বসু ১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে 'নাইট' উপাধি দেন। তাই উপাধিসহ তাঁর নাম হয় স্যার জগদীশচন্দ্র বসু। সে বছরই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বসু বিজ্ঞান মন্দির। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেই বিজ্ঞান মন্দিরে গবেষণা পরিচালনা করেন। বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর সফলতা বিজ্ঞানী গ্যালিলিও-নিউটনের সমকক্ষ ছিল। জগদীশচন্দ্র বসু ১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
জগদীশচন্দ্র বসুর বাবার বাড়ি বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে
তিনি ১৮৮৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক পদে যোগ দেন।
ইংরেজ অধ্যাপক এদেশীয় একজন অধ্যাপকের চেয়ে অনেক বেশি বেতন পান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!