সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে। যেমন: বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা অনুযায়ী নির্ধারিত।
এসময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশ একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করে। সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়।
দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত দেশগুলো প্রশাসনিক ও অন্যান্য কাজের সুবিধার জন্য একাধিক প্রমাণ সময় ব্যবহার করে। যেমন: যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা যে যন্ত্রের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করে সেটি হলো জিপিএস।
জিপিএস তার রিসিভার দিয়ে ভূ-উপগ্রহ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। এর জন্য মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশের প্রয়োজন হয়। রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায় যন্ত্রটি সঠিকভাবে কাজ করে। কোনো স্থানে উঁচু খাড়া পাহাড় বা ভবন থাকলে জিপিএস দ্বারা সেই স্থানের অবস্থান নির্ণয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং এতে বেশি সময় লাগে।
ভূগোলবিদদের নিকট জিপিএস একটি অত্যন্ত মূল্যবান এবং কার্যকর যন্ত্র হিসেবে পরিচিত। এর সঠিক প্রয়োগ ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহের কাজে খুবই ফলপ্রসু।
উদ্দীপকে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে যে ব্যবস্থার সাহায্যে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে তা হল জিআইএস।
ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস (GIS) বলে।
জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক (Spatial) সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়ে থাকে। যেমন- হাতিরঝিল প্রকল্পে জিআইএস এর ব্যবহার।
বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি সম্পদ গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহৃত হচ্ছে।
জিআইএসের মাধ্যমে একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্তের (data) উপস্থাপন ঘটিয়ে এবং তা বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির উপযোগিতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যেমন- কোনো অঞ্চলের ভূমি ব্যবহার, পানি ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য, এই সবগুলো বিষয় দেখিয়ে জিআইএস এর মাধ্যমে সেই অঞ্চলের ফসল উৎপাদনে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা যায়। যেমন- আমেরিকার খামার কৃষি (farming)
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা
সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা
= ৬ ঘণ্টা
= (৬৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!