জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা রিপোর্ট তৈরির কাজে মহেশখালী গেল। সেখানে তারা একটি যন্ত্র দিয়ে ভূ-উপগ্রহ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে ভিন্ন একটি ব্যবস্থার সাহায্যে তথ্যগুলো সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে। যেমন: বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা অনুযায়ী নির্ধারিত।

উত্তরঃ

এসময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশ একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করে। সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়।

দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত দেশগুলো প্রশাসনিক ও অন্যান্য কাজের সুবিধার জন্য একাধিক প্রমাণ সময় ব্যবহার করে। যেমন: যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

উত্তরঃ

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা যে যন্ত্রের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করে সেটি হলো জিপিএস।

জিপিএস তার রিসিভার দিয়ে ভূ-উপগ্রহ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। এর জন্য মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশের প্রয়োজন হয়। রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়ায় যন্ত্রটি সঠিকভাবে কাজ করে। কোনো স্থানে উঁচু খাড়া পাহাড় বা ভবন থাকলে জিপিএস দ্বারা সেই স্থানের অবস্থান নির্ণয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং এতে বেশি সময় লাগে।
ভূগোলবিদদের নিকট জিপিএস একটি অত্যন্ত মূল্যবান এবং কার্যকর যন্ত্র হিসেবে পরিচিত। এর সঠিক প্রয়োগ ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহের কাজে খুবই ফলপ্রসু।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে যে ব্যবস্থার সাহায্যে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে তা হল জিআইএস।
ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস (GIS) বলে।

জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক (Spatial) সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়ে থাকে। যেমন- হাতিরঝিল প্রকল্পে জিআইএস এর ব্যবহার।
বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি সম্পদ গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহৃত হচ্ছে।
জিআইএসের মাধ্যমে একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্তের (data) উপস্থাপন ঘটিয়ে এবং তা বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির উপযোগিতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যেমন- কোনো অঞ্চলের ভূমি ব্যবহার, পানি ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য, এই সবগুলো বিষয় দেখিয়ে জিআইএস এর মাধ্যমে সেই অঞ্চলের ফসল উৎপাদনে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা যায়। যেমন- আমেরিকার খামার কৃষি (farming)

214

মানচিত্র একজন ভূগোলবিনের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ (Tools)। এর সাহায্যে সমগ্র পৃথিবী বা কোনো অঞ্চল সরল্যে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা যায়। একটি মানচিত্রের মধ্যে আমরা সব পৃথিবীকে অথবা এর কোনো এক অঞ্চলকে দেখাতে পারি। আমরা কোনো একটি কাগজের মধ্যে মানচিত্র এঁকে সেখানে চিহ্ন নিয়ে সেই অঞ্চলের অবস্থা সম্বন্ধে বুঝাতে পারি। একটি মানচিত্র যে কেবল ভূগোলবিদদের প্রয়োজন হয় তা নয়। এটি প্রশ্ন সকল মানুষের বিশেষ করে পর্যটক, প্রশাসক, পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, আবহাওয়াবিদ এমনকি সাধারণ মানুষেরও বিশেষ প্রয়োজনে লাগে। এ অধ্যায়ে মানচিত্র, এর প্রকারভেল, গুরুত্ব, ব্যবহার, স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময় ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে। 

7.7k
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

3.5k

জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]

উত্তরঃ

উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা

সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা

= ৬ ঘণ্টা

= (৬×৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]

1.9k
উত্তরঃ

পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করে এবং এই আবর্তনের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন সময় অনুভূত হয়। নিরক্ষরেখার উপর অবস্থিত প্রতিটি দ্রাঘিমা রেখার উপর দিয়ে সূর্য অতিক্রম করতে সময় লাগে ৪ মিনিট। প্রধান দ্রাঘিমা রেখা (Prime Meridian) বা গ্রিনিচ মানমন্দিরের দ্রাঘিমা (0°) থেকে পূর্ব দিকে গেলে প্রতি ১° দ্রাঘিমার জন্য ৪ মিনিট সময় বাড়ে এবং পশ্চিম দিকে গেলে কমে। এই নীতি অনুসারেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সময় নির্ধারিত হয়, যা স্থানীয় সময় (Local Time) ও প্রমাণ সময় (Standard Time) নামে পরিচিত।

উদ্দীপকে ফ্লোরা বেগমের ঢাকা থেকে লন্ডন যাত্রাপথে সময়ের যে তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে, তা দ্রাঘিমাগত পার্থক্যেরই ফল। ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী, প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত এবং লন্ডন গ্রিনিচ মানমন্দিরের উপর অবস্থিত হওয়ায় ০° দ্রাঘিমাংশে পড়ে। যেহেতু ঢাকা লন্ডনের পূর্বে অবস্থিত, তাই ঢাকার সময় লন্ডনের সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকবে। ৯০° দ্রাঘিমা পার্থক্যের কারণে সময়ের পার্থক্য হলো \(৯০^\circ \times ৪ মিনিট = ৩৬০ মিনিট\), অর্থাৎ ৬ ঘণ্টা। তাই ঢাকার সময় লন্ডনের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে। উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগম যখন লন্ডন বিমানবন্দরে নামলেন, তখন বিমানবন্দরের ঘড়িতে সন্ধ্যা ৬টা (লন্ডনের স্থানীয় সময়)। কিন্তু তার নিজের ঘড়িতে তখন রাত ১২টা বাজছিল, যা ঢাকার সময়কে নির্দেশ করে। এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে ঢাকার সময় লন্ডনের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে ছিল (সন্ধ্যা ৬টা + ৬ ঘণ্টা = রাত ১২টা)।

লন্ডন থেকে ঢাকা পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়ায় ঢাকার বাসিন্দারা লন্ডনের আগে সূর্যোদয় দেখে। যেহেতু পৃথিবী প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° আবর্তন করে, তাই একই সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দ্রাঘিমাংশে সূর্যের আপেক্ষিক অবস্থান ভিন্ন হয়, যার ফলে দিনের ও রাতের ভিন্নতা এবং সময়ের পার্থক্য দেখা দেয়। এই সময়ের তারতম্য আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন প্রমাণ সময় অঞ্চল (Time Zones) নির্ধারণের মাধ্যমে সমন্বয় করা হয়, যাতে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও যাতায়াত সহজ হয়। ফ্লোরা বেগমের অভিজ্ঞতাই দ্রাঘিমা অনুসারে সময়ের এই পার্থক্যের একটি বাস্তব উদাহরণ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.1k
উত্তরঃ

আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।

581
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

530
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews