যে চেকের মাধ্যমে বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য কেনা-বেচা করা যায় তাকে মার্কেট চেক বলে।
ব্যাংককে গ্রাহক সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানানোই KYC ফর্মের কাজ। ব্যাংক যে ফর্মের মাধ্যমে গ্রাহক সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে তাই KYC ফর্ম। এর মাধ্যমে গ্রাহকের সঠিক পরিচয় শনাক্ত করা যায়। গ্রাহক কী উদ্দেশ্যে হিসাব খুলবে, কেমন লেনদেন করবে, গ্রাহক কোনো অবৈধ কাজে জড়িত কি না তা নির্ণয় করাই KYC ফর্মের কাজ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিলটি হলো হস্তান্তরযোগ্য বিনিময় বিল।
কোনো ব্যক্তি বা তার আদেশে অন্য কাউকে নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের শর্তহীন নির্দেশই হচ্ছে বিনিময় বিল। এটি *একটি হস্তান্তরযোগ্য ঋণের দলিল। এ দলিল বিক্রেতা তৈরি করে এবং ক্রেতা এতে স্বাক্ষর দিয়ে স্বীকৃতি দেয়।
উদ্দীপকে জনাব আজম সাগরের কাছ থেকে একটি বিল পান। বিলটিতে ৩ মাস পর সাগর আজমকে ২ লাখ টাকা দিবেন বলে উল্লেখ ছিল। সুতরাং, নির্দিষ্ট সময় পর নির্দিস্ট অর্থ পরিশোধের কথা উল্লেখ্য আছে। উদ্দীপকের বিলটির বৈশিষ্ট্য বিনিময় বিলের সাথে মিলে যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিলটি একটি বিনিময় বিল।
উদ্দীপকে সাগরের বিনিময় বিলটি ব্যাংকে বাট্টাকরণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়।
বিনিময় বিল ভাঙিয়ে ব্যাংক থেকে নগদ অর্থ সংগ্রহ করাকে বাট্টাকরণ বলা হয়। সাধারণত ব্যবসায় বাণিজ্যে এ বিল ব্যবহার করা হয়। ব্যবসায়িক কাজে যেকোনো সময় অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। এতে ব্যবসায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বাট্টাকরণের মাধ্যমে এর অর্থং সংগ্রহ করতে পারে।
উদ্দীপকে জনাব আজম সাগরের কাছ থেকে একটি বিনিময় বিল পান।
বিলটিতে ৩ মাস পর সাগর জনাব আজমের অর্থ পরিশোধ করবেন বলে উল্লেখ ছিল। কিন্তু জনাব আজমের হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হয়। তাই তিনি বিলটি নিয়ে ব্যাংকে গেলেন এবং ১১% বাট্টার অর্থ সংগ্রহ করেন। হস্তান্তরযোগ্য বিনিময় বিলের ক্ষেত্রে-এর উপর উল্লিখিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ব্যাংক থেকে বাট্টা করিয়ে নেওয়া যায়। প্রাপক বা বিলের ধারক বাট্টাকরণের মাধ্যমে এর অর্থ সংগ্রহ করতে পারেন। কারণ বিনিময় বিল প্রাপককে এ অধিকার দেয়। উদ্দীপকের জনাব আজম ও তার বিলটি বাট্টার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেন। কিন্তু ব্যাংক বিলে উল্লিখিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে বিলটি বাট্টা করে দেয়। তাই উদ্দীপকের জনাব আজম বিলটি ১১% বাট্টায় মেয়াদ উত্তীর্ণের আগে ভাঙিয়ে নেন। এক্ষেত্রে তিনি ১১% কম মূল্য পাবেন। এভাবে সাগরের বিলটি বাট্টাকরণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়।
Related Question
View Allচাওয়ামাত্র প্রাপককে অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের এক শাখা, অন্য শাখা বা প্রতিনিধি ব্যাংককে যে লিখিত নির্দেশ দেয় তাকে ব্যাংক ড্রাফট বলে।
মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে গ্রাহক ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিল পরিশোধের সুযোগ পায়, যা মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে জনপ্রিয় করেছে।
আধুনিক ব্যাংকিং-এর নতুন সংযোজন হলো মোবাইল ব্যাংকিং। বাংলাদেশে ব্র্যাক ব্যাংক বিকাশ নামে ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক রকেট নামে এ ধরনের ব্যাংকিং চালু করেছে, যা আমাদের দেশে মোবাইল ব্যাংকিংকে জনপ্রিয় করেছে।
উদ্দীপকে রুবিয়া তার মায়ের নিকট হতে সরকারি নোট পেল।
কোনো দেশের সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত নোটই হলো সরকারি নোট। সরকারের অর্থ মন্ত্রাণালয়ের অধীনে এ নোট ছাপা হয়। এ নোটে সরকারের পক্ষে অর্থসচিব স্বাক্ষর করেন।
উদ্দীপকে উল্লেখ্য, বাজারে যাওয়ার সময় রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আবার তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোট দিল। ২ টাকার নোটে সে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা দেখতে পেল। রুবিয়ার এ ২ টাকার নোটগুলোর সাথে সরকারি নোটের মিল রয়েছে। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে সরকার এ ধরনের নোট ইস্যু করে। এ নোটে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার', 'বাংলাদেশ সরকার' শব্দসমূহ লিখা থাকে। এছাড়া, এ নোটের ওপর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের লোগোও থাকে। যা রুবিয়ার ২ টাকার নোটেও রয়েছে। তাই বলা যায়, রুবিয়া তার মায়ের কাছ থেকে সরকারি নোট পেল।
'বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে রুবিয়ার বাবার দেওয়া নোট তার মায়ের দেওয়া নোট থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ'- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।
সরকারের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজি মুদ্রা বা নোট ইস্যু করে তা হলো ব্যাংক নোট। এ নোটে ব্যাংকের গর্ভনরের স্বাক্ষর থাকে।
বাংলাদেশে ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১,০০০ টাকা ব্যাংক নোট হিসেবে প্রচলিত।
উদ্দীপকে রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আর তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোেট দিল। এক্ষেত্রে ৫ ও ১০ টাকার নোট ব্যাংক নোট। অন্যদিকে, ২ টাকার নোেট সরকারি নোট।
১ টাকা ও ২ টাকার সরকারি নোট দিয়ে বড় লেনদেন করা সম্ভব না। উদাহরণস্বরূপ- রুবিয়া মুদি দোকান থেকে পানি কিনে দোকানদারকে ১০০ টাকার একটি নোট দেয়। সে দোকানদারের কাছ থেকে ৫০ টাকার, ২০ টাকার ও ২ টাকার নোটগুলো ফেরত পায়। এক্ষেত্রে দোকানদার সরকারি নোটের মাধ্যমে ফেরত দিতে চাইলে অনেকগুলো সরকারি নোটের প্রয়োজন হতো। আবার রুবিয়ার সরকারি নোটের মাধ্যমে পানি কিনতেও অনেকগুলো নোটের প্রয়োজন পড়তো। কিন্তু ব্যাংক নোটের মাধ্যমে এ লেনদেন খুব সহজে ও অল্প নোটের মাধ্যমে করা যায়। এছাড়া লেনদেন লক্ষ বা কোটিতে করা হলে সরকারি নোটে তা অসম্ভব ছিলো। তাই বলা যায়, বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যাংক নোটই বেশি উপযোগী।
নোট: ২০১৬ সালের জুন মাস থেকে ৫ টাকার নোট সরকারি নোটের অন্তর্ভূক্ত হয়। পূর্বে ৫ টাকার নোট ব্যাংক নোট ছিল। ৫ টাকার নোটকে ব্যাংক নোট ধরে উত্তর দেওয়া হলো।
যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রদত্ত নীতিমালা মেনে চলার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।
এই ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এই ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!