জনাব আবুল কালাম একজন ধর্মপ্রচারক ও পরোপকারী ব্যক্তি। ইসলাম প্রচারের পাশাপাশি তিনি বহু মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ, রাস্তা তৈরি ও দীঘি খননসহ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। আবুল কালামের স্ত্রী আফরোজা বেগমও ইসলামের বিধান মেনে জীবনযাপন করেন। তিনি নিয়মিত ধর্মীয় ইবাদতসমূহ পালন করেন এবং আল্লাহর ভয়ে যেকোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো কিছু অর্জনের জন্য চেষ্টা বা সাধনা করার পর সফলতার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা রাখাকে তাওয়াক্কুল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ওহির মাধ্যমে ইসলাম শিক্ষার সূচনা ও বিস্তার ঘটেছে বলে একে ওহিভিত্তিক শিক্ষা বলা হয়। ইসলাম শিক্ষার সূচনা হয়েছে ওহির মাধ্যমে। পৃথিবীর প্রথম মানব হযরত আদম (আ)কে সৃষ্টির পর আল্লাহ তায়ালা প্রত্যক্ষ ওহির মাধ্যমে তাঁকে জ্ঞানদান করেন। পরবর্তীতে ওহির মাধ্যমেই এ শিক্ষার বিস্তার ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন- 'সব জ্ঞানের উৎস আল্লাহ তায়ালা' (সুরা আহকাফ: ২৩)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আবুল কালামের কর্মকাণ্ড হযরত খানজাহান আলি (র) এর কর্মকান্ডের সাথে মিল রয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে ইসলাম প্রচার এবং ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে খানজাহান আলি (র) এর অবদান অপরিসীম। তিনি ১৩৭৯ খ্রিষ্টাব্দে তুরস্কে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি পিতার সাথে ব্যবসায়িক কাজে ভারতে আসেন। সেখান থেকে একপর্যায়ে বাংলাদেশে আসেন- এবং ইসলাম প্রচারে নিয়োজিত হন। খানজাহান আলি (র) বাগেরহাট, খুলনা ও যশোরের অধিকাংশ এলাকায় ইসলাম প্রচারের কাজ করেন। ইসলাম প্রচারের পাশাপাশি তিনি জনকল্যাণমূলক বহু কাজ করেন। তিনি মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য বহু রাস্তা নির্মাণ করেন। পানির ব্যবস্থা করার জন্য অনেকগুলো বড় বড় দীঘি খনন করেন। 'ঘোড়াদীঘি' ও 'ঠাকুরদীঘি' এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। খানজাহান আলি (র) মুসলমানদের ইবাদতের জন্য বহু মসজিদ নির্মাণ করেন। বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ তার অন্যতম কীর্তি। হযরত খানজাহান আলি (র) এর এসব কাজের সাথে আবুল কালামের কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

উদ্দীপকের জনাব আবুল কালাম একজন ধর্মপ্রচারক ও পরোপকারী ব্যক্তি। ইসলাম প্রচারের পাশাপাশি তিনি বহু মসজিদ- মাদ্রাসা নির্মাণ, রাস্তা তৈরি ও দীঘি খননসহ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। আবুল কালামের এসব কর্মকাণ্ড খানজাহান আলি (র) এর কর্মকাণ্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আফরোজা বেগমের কর্মকাণ্ডে তাকওয়ার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আল্লাহর ভয়ে সব রকমের পাপাচার ও অন্যায় থেকে নিজেকে বিরত রেখে কুরআন-সুন্নাহর বিধান মেনে জীবনযাপন করাকে তাকওয়া বলে। যিনি তাকওয়া অবলম্বন করেন তাকে বলা হয় মুত্তাকি। আফরোজা বেগম একজন পরহেজগার মহিলা। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, আফরোজা বেগম ইসলামের বিধান মেনে জীবনযাপন করেন। তিনি নিয়মিত ধর্মীয় ইবাদতসমূহ পালন করেন এবং আল্লাহর ভয়ে যেকোনো ধরনের পাপের কাজ থেকে বিরত থাকেন। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তার মধ্যে তাকওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামে তাকওয়াই সব সদগুণের মূল। একজন মুসলিমের দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার জন্য এটি অপরিহার্য। এটি ছাড়া ইমানের পূর্ণতা আসে না। আল্লাহর কাছে একজন মুত্তাকি অধিক মর্যাদার অধিকারী। তাকওয়ার অভাবে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখা দেয়। মানুষের মধ্যে অন্যায়, অপরাধ ও পাপাচারের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি একজন মুসলমানকে পরিপূর্ণ মুমিনে পরিণত করে। আর আল্লাহর কাছে মুত্তাকি ব্যক্তির মর্যাদা সবচেয়ে বেশি। এজন্য প্রত্যেক মুসলিমের ওপর আবশ্যক হলো জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি বিধি-নিষেধ মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত মৌলিক ইবাদতসমূহ আদায় করা এবং আল্লাহর ভয়ে ভীত থেকে পাপাচার বর্জন করার চেষ্টা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
350
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি শরিয়ত নির্দেশিত বৈধ উপায়ে উপার্জন করাকে হালাল উপার্জন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
321
উত্তরঃ

পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা ইসলামি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সালাম অর্থ শান্তি। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী এক মুসলমানের সঙ্গে অন্য মুসলমানের দেখা হলে প্রথমে সালাম বিনিময় করে। এর মাধ্যমে অন্যের শান্তি তথা কল্যাণ কামনা করা হয়। সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালামের উত্তর না দিলে ইসলামের বিধান অনুযায়ী সে গুনাহগার হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
381
উত্তরঃ

আবদুল বাতেন তার ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম- পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখার জন্য ইসলাম শিক্ষা অধ্যয়ন করতে বলেছেন। যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। এটি কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা, হালাল উপার্জন ও কর্মমুখী জীবন গঠন, দুনিয়ার কল্যাণ ও আখিরাতে মুক্তিলাভ প্রভৃতি ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য। আবদুল বাতেন তার ছেলেকে এ বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।

উদ্দীপকের আবদুল বাতেন তার একমাত্র ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখানোর জন্য একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। তিনি এখানে ইসলাম শিক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ইসলামের বিধিবিধান এবং আল্লাহর ইবাদতের পদ্ধতি শেখানো, জীবনের সবক্ষেত্রে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করা এবং ব্যক্তির চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। ইসলাম শিক্ষা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ প্রদর্শন করে এবং অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে। আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষণ করাও ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
301
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে আবদুল বাতেন হালাল-হারামের বিধান মেনে চলেন। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। আবদুল বাতেন দৈনন্দিন জীবনে এ বিধানটি মেনে চলার চেষ্টা করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, জনাব আবদুল বাতেন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করেন। তিনি হালাল পথে উপার্জন করেন। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করেন। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের প্রধান পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন। হারাম বা অবৈধ জিনিস প্রহণের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এর জন্য পরকালে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
236
উত্তরঃ

হাক্কুল্লাহ বলতে আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্যকে বোঝায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্য পালনের মানে হচ্ছে যথাযথভাবে তার ইবাদত করা। জীবনের সবক্ষেত্রে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। যেকোনো অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা এবং তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করা। তার নেয়ামতের শোকর করা এবং সুখে-দুঃখে তার ওপর ভরসা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
568
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews