সততা বিক্রয়কর্মীর একটি নৈতিক গুণ।
পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে পণ্যের স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি হয়।
সাধারণত পণ্য বা সেবা একটি নির্দিষ্ট স্থানে উৎপাদিত হয়। কিন্তু ভোক্তারা সমগ্র ভৌগোলিক সীমানা জুড়ে ছড়িয়ে থাকতে পারে। তাই পরিবহনের মাধ্যমে পণ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছে দিতে হয়। এতে ভোক্তারা দূরবর্তী স্থানের পণ্য হাতের কাছে পেয়ে উপকৃত হয়। আর এ কাজটি সম্ভব হয় পরিবহনের মাধ্যমে। তাই বলা যায়, পরিবহনের মাধ্যমে স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকের ইব্রাহিম পণ্যের প্রমিতকরণ করেন।
পণ্য প্রমিতকরণের আকার, রং ও মানের ওপর ভিত্তি করে পণ্যমূল্য নির্ধারণ করা হয়। এর মাধ্যমে বিপণন কাজ সহজ হয়। তাই এটি বিপণনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
উদ্দীপকের ইব্রাহিম বিপণন প্রক্রিয়ার আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনেক সচেতন। তিনি পণ্যের গুণাগুণ, আকার, রং, স্বাদ প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে পণ্যমান নির্ধারণ করেন। ঐ মানের ওপর ভিত্তি করে পণ্যমূল্য নির্ধারণ করা তার জন্য সহজ হয়। এরপর তা যথাযথ উপায়ে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। এতে ক্রেতারা গুণাগুণ, রং এসব বৈশিষ্ট্যকে প্রাধান্য দিয়ে সহজেই তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সংগ্রহ করতে পারে। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েরই এ ব্যবস্থায় সুবিধা হয়। এভাবে পণ্যের বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে মান ও মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি প্রমিতকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, ইব্রাহিমের কাজটি হলো প্রমিতকরণ।
উদ্দীপকের ইব্রাহিম চাহিদার সাথে যোগানের সামঞ্জস্য বিধানে পণ্য গুদামজাতকরণ ব্যবস্থার সহায়তা নিতে পারেন বলে আমি মনে করি।
চাহিদা হলো পণ্যের অভাব, যা ক্রেতারা অনুভব করে। আর যোগান হলো পণ্যের সরবরাহ। গুদামজাতকরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পণ্যের চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রক্ষা করা হয়। উদ্দীপকের ইব্রাহিম পণ্য কেনার পর সেগুলো প্রমিতকরণের ব্যবস্থা নেন। এরপর তা বিক্রি করেন। সারাবছর ধরে পণ্যের চাহিদা একরকম থাকে না। পণ্যের চাহিদা কোনো সময় বেশি আবার কোনো সময় কম থাকে। এ অবস্থায় তিনি পণ্য গুদামজাত করে রাখতে পারেন।
গুদামজাতকরণ পণ্যের সময়গত উপযোগ সৃষ্টি করে। উৎপাদিত পণ্যের উৎপাদন সময় ও ভোগের সময়ের মধ্যে যে পার্থক্য তা এ ব্যবস্থার মাধ্যমে দূর করা যায়। ইব্রাহিম বেশি পরিমাণে পণ্য কেনার পর গুদামজাত করে ক্রেতাদের চাহিদামতো সেগুলো সারাবছরই বিক্রি করতে পারেন। এতে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। অর্থাৎ ক্রেতার চাহিদা ও পণ্যের যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে। সুতরাং, এ কাজের মাধ্যমেই ইব্রাহিম চাহিদার সাথে যোগানের সামঞ্জস্য রাখতে পারেন।
Related Question
View Allমোড়কিকরণ দ্বারা পণ্যকে আকর্ষণীয় করা যায়।
পণ্যের মান নির্ধারণের কাজকে প্রমিতকরণ (Standardization) বলে। পণ্যের গুণাগুণ, আকার, রং, স্বাদ প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রমিতকরণ করা হয়। প্রমিতকরণের ফলে পণ্যের বিপণন প্রক্রিয়া সহজ হয়। আবার বিক্রয় কাজের গতিশীলতাও বেড়ে যায়।
শুভ বিক্রয়কর্মীর শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কথা বিবেচনা করেছেন।
বিক্রয়কর্মী তার নিজস্ব গুণ বা বৈশিষ্ট্য দিয়ে ক্রেতা ও ভোক্তাদের সহজে আকৃষ্ট করতে পারেন। এজন্য বিক্রয়কর্মীর কিছু শারীরিক গুণ থাকা প্রয়োজন। বিক্রয়কর্মীর সুন্দর হাসি, দৃষ্টিভঙ্গি, কণ্ঠস্বর প্রভৃতি তার শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকের শুভ তার দোকানের বিক্রি বাড়ানোর জন্য একজন বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দেন। এজন্য তিনি দেখতে ভালো এবং সদালাপী এরকম বিক্রয়কর্মীকে প্রাধান্য দেন। কেননা সুন্দর ও আকর্ষণীয় চেহারার বিক্রয়কর্মী সহজেই ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। তাছাড়া বিক্রয়কর্মীর হাসিমাখা মুখ ক্রেতাদের পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করে। এ থেকে বোঝা যায়, শুভ শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিয়ে বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দিয়েছেন।
বিক্রি বাড়াতে শুভর বিক্রয়কর্মী নিয়োগের পদক্ষেপটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।
বিক্রয়কর্মী তার শারীরিক (সুদর্শন চেহারা, সুস্বাস্থ্য), মানসিক (আন্তরিকতা, ধৈর্যশীলতা) ও নৈতিক (সততা, জেন্ডার সচেতনতা) প্রভৃতি গুণাবলির মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেন। বর্তমানে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য বিক্রয়কর্মীর ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে। এজন্য বিক্রয়কর্মীর কাজকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উদ্দীপকের শুভর একটি দোকান আছে। তার দোকানের পাশে একই ধরনের-আরও একটি দোকান গড়ে উঠেছে। এতে তার দোকানের পণ্যের বিক্রির পরিমাণ কমে যায়। তাই শুভ বিক্রি বাড়াতে একজন আদর্শ বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দেন।
বিক্রয়কর্মীর সুদর্শন চেহারা, হাসি-খুশি মনোভাব দেখে গ্রাহকরা আকৃষ্ট হয়। ফলে নতুন নতুন ক্রেতা এসে দোকানে ভিড় করে। বিক্রয়কর্মী এভাবে তাদের পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করে। তখন অনেক গ্রাহক স্থায়ী ক্রেতায় পরিণত হন। এতে শুভর দোকানের পণ্যের বিক্রি বেড়ে যায়। ফলে বিক্রির পরিমাণ আগের অবস্থানে ফিরে আসে। সুতরাং, শুভর বিক্রয়কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্তটি সময়োপযোগী ও যথাযথ হয়েছে।
বণ্টন প্রণালিতে সবশেষে ভোক্তার অবস্থান।
মানের ভিত্তিতে পণ্যকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করাকে পর্যায়িতকরণ (Grading) বলে।
সাধারণত ওজন, আকার ও গুণাগুণের ভিত্তিতে পণ্যকে পর্যায়িতকরণ করা হয়। পর্যায়িতকরণ করার ফলে ক্রেতা সহজেই তার পছন্দের পণ্য খুঁজে নিতে পারেন। এতে পণ্য বিক্রি করা সহজ হয়। ফলে ক্রেতা সন্তুষ্টিও অর্জিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
