এমদাদ হোসেনের জমিটি হলো বেলে প্রকৃতির। তাই সেখানে ধান চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে না। এ জমিতে ধান চাষ করতে হলে জমির বুনট বা গঠন প্রকৃতির পরিবর্তন করে দো-আঁশ প্রকৃতিতে আনতে হবে। যদিও কাজটি খুবই কষ্টসাধ্য তবুও নিম্ন লিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করে মাটির গঠন পরিবর্তন করলে মাঠ ফসল চাষের উপযোগী করে গড়ে তোলা সম্ভব। পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ-
i. মাটিতে প্রচুর পরিমানে জৈবসার যেমন- গোবর, সবুজ সার, কম্পোস্ট সারসহ অন্যান্য জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। ফলে জমিটিতে অণুজীবগুলো ক্রিয়াশীল হবে। সাথে সাথে মাটির কণার পানি ধারণক্ষমতা বৃষ্টি পাবে।
ii. জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে এঁটেল মাটি বা কাদামাটি মিশাতে হবে। ফলে জমির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং মাঠ ফসল চাষের উপযোগী হবে।
iii. প্রচুর পরিমাণে সেচ প্রয়োগের পর আইল বেঁধে জমিতে পানি জমা রেখে মাটির গুণাগুণ উন্নত করতে হবে।
iv. বৃষ্টিপাতের সময় পানিতে বাহিত হয়ে যে পলিমাটি গড়িয়ে আসবে তা জমিতে আটকে রেখে পলিমাটির পরিমাণ বাড়াতে হবে।
উপরে উল্লিখিত পদ্ধতিগুলো এমদাদ হোসেন সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারলে তার জমিখণ্ডটি ধান চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠবে বলে আমি মনে করি।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!