ব্যবসায় ঋণ বলতে পুনরায় বিক্রয়ের জন্য ক্রেতা কর্তৃক বিক্রেতার নিকট হতে ধারে পণ্য ক্রয়ের ফলে সৃষ্ট ঋণকে বোঝায়।
চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলতে প্রতিষ্ঠানের নগদ, মজুদপণ্য ও প্রাপ্য বিল ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়।
প্রতিষ্ঠানের চলতি ব্যয়; যেমন- কাঁচামাল ক্রয়, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থ হাতে রাখা প্রয়োজন। বাকিতে বিক্রয়ের ফলে সৃষ্ট প্রাপ্য বিল দ্রুত আদায় হচ্ছে কিনা সেটা যেমন লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তেমনি মজুদপণ্যের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে কিনা সেটাও লক্ষ্য রাখা দরকার। আবার প্রয়োজনের অতিরিক্ত মজুদপণ্য রাখলে অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ মজুদপণ্যে বা চলতি সম্পদে আটকে থাকে। ফলে মুনাফা অর্জন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এ কারণে চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনার দরকার।
জনাব কালামের ব্যবসায় ঋণের ব্যয় নির্ণয় :
এখানে,
নগদ বাট্টার হার, CDR = ২%
ঋণের মেয়াদকাল, CP = ৪o দিন
বাট্টার মেয়াদকাল, DP = ১০ দিন
আমরা জানি,
ব্যবসায় ঋণের ব্যয়, CTC =
=
=
= ২৪.৪৯ %
সুতরাং মি. কালামের ব্যবসায় ঋণের ব্যয় ২৪.৪৯%।
জনাব কালামের জন্য কোন ঋণটি অধিকতর উপযোগী তা জানার জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যয় নির্ণয় :
এখানে,
ঋণের পরিমাণ (P) = ১,০০,০০০ টাকা
সুদের পরিমাণ (I) = ১,০০,০০০ ১২% = ১২,০০০ টাকা
ক্ষতিপূরণ জের (CB) = (১,০০,০০০ ২০%) = ২০,০০০ টাকা
আমরা জানি,
ব্যাংক ঋণের ব্যয়
=
=
= ১৫%
লক্ষণীয় যে, জনাব কালামের ব্যাংক ঋণের ব্যয় ১৫% যা ব্যবসায় ঋণের ব্যয় ২৪.৪৯% ('গ' নং থেকে প্রাপ্ত) হতে কম। এমতাবস্থায় বলা যায়, জনাব কালামের জন্য ব্যাংক ঋণটি অধিকতর উপযোগী।
Related Question
View Allমিতব্যয়ী ফরমায়েশ পরিমাণ হচ্ছে এমন এক ফরমায়েশ পরিমাণ যেখানে পণ্যের বহন ও ফরমায়েশ ব্যয় সর্বনিম্ন হয়।
চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলতে প্রতিষ্ঠানের নগদ, মজুদপণ্য ও প্রাপ্য বিল ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়।
প্রতিষ্ঠানের চলতি ব্যয়; যেমন- কাঁচামাল ক্রয়, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থ হাতে রাখা প্রয়োজন। বাকিতে বিক্রয়ের ফলে সৃষ্ট প্রাপ্য বিল দ্রুত আদায় হচ্ছে কিনা সেটা যেমন লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তেমনি মজুদপণ্যের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে কিনা সেটাও লক্ষ্য রাখা দরকার। আবার প্রয়োজনের অতিরিক্ত মজুদপণ্য রাখলে অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ মজুদপণ্যে বা চলতি সম্পদে আটকে থাকে। ফলে মুনাফা অর্জন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এ সকল কারণে চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনা করা হয়।
P লি.-এর কাম্য নগদের পরিমাণ নির্ণয় :
এখানে,
প্রতিবার নগদে রূপান্তর ব্যয় (b) = ১৫০ টাকা
মোট নগদ বহিঃপ্রবাহের পরিমাণ (t) = ৪, ৮o, ooo টাকা
প্রয়োজনীয় আয়ের হার (i) = ১২% বা, ০.১২
আমরা জানি,
কাম্য নগদের পরিমাণ
= ৩৪,৬৪১ টাকা
সুতরাং P লি.-এর কাম্য নগদের পরিমাণ ৩৪,৬৪১ টাকা।
Q লি.-এর ন্যূনতম পরিচালন নগদের পরিমাণ নির্ণয় :
এখানে,
গড় উৎপাদন সময় = ৫০ দিন
গড় আদায় সময় = ৪০ দিন
গড় পরিশোধ সময় = ৩০ দিন
বার্ষিক মোট নগদ বহিঃপ্রবাহ = ৩,০০,০০০ টাকা
নগদ রূপান্তর চক্র = গড় উৎপাদন সময় + গড় আদায় সময় –গড় পরিশোধ সময়
= ৫০ + ৪০ – ৩০
= ৬০ দিন
নগদ আবর্তন = ৩৬০ দিন / নগদ রূপান্তর চক্র
=
= ৬ বার
আমরা জানি,
ন্যূনতম পরিচালন নগদ = বার্ষিক মোট নগদ বহিঃপ্রবাহ / নগদ আবর্তন
= ৫০,০০০ টাকা
লক্ষণীয় যে, Q লি.-এর ন্যূনতম পরিচালন নগদের পরিমাণ ৫০,০০০ টাকা এবং নগদ আবর্তন ৬ বার। এক্ষেত্রে ন্যূনতম নগদ ৬০,০০০ টাকা স্থির করা হলে নগদ আবর্তন হ্রাস পাবে। কারণ নগদ আবর্তন ও ন্যূনতম পরিচালন নগদের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।
পুনরায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রেতা কর্তৃক বিক্রেতার নিকট হতে ধারে পণ্য ক্রয়ের ফলে সৃষ্ট ঋণকে ব্যবসায় ঋণ বলে।
বাণিজ্যিক কাগজ হলো স্বল্পমেয়াদি জামানতবিহীন অঙ্গীকারপত্র যা মুদ্রাবাজারে বিক্রি করে বৃহৎ নামকরা প্রতিষ্ঠান স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন করে থাকে। এছাড়াও বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের ব্যয়ের তুলনায় বাণিজ্যিক কাগজের ব্যয় কম হওয়ায় বৃহৎ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক কাগজ ব্যবহার করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!