ভয় দেখিয়ে বা জোর খাটিয়ে মানুষের কাছ থেকে কিছু আদায় করা বা আদায়ের পরিবেশ সৃষ্টির নীতিই হলো সন্ত্রাস।
সমগ্র নারী জাতিকে বিশেষ সম্মান দিয়ে বলা হয়েছে, "মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।" ইসলাম একমাত্র ধর্ম যাতে নারী-পুরুষের মধ্যে কোনো বৈষম্য না করে নারীকে পুরুষের সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বিগত সময়ে নারী ছিল অবজ্ঞার পাত্র। কিন্তু সেই নারীকে মাতা, কন্যা, ভগ্নি, স্ত্রী হিসেবে সমূহ মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। নারী সমাজের অন্যতম অংশ। তাই এদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা উচিত।
জনাব 'ক'-এর চরিত্রে আখলাকে যামিমাহর অন্তর্গত পরশ্রীকাতরতা প্রকাশ পেয়েছে।
পরশ্রীকাতরতা অর্থ অন্যের উন্নতি ও সৌভাগ্য দেখে ঈর্ষা প্রকাশ করা। অর্থাৎ কারও ধন-দৌলত, সম্মান, ভালো ফল বা উচ্চমর্যাদা দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়া ও তার ধ্বংস কামনা করাকে পরশ্রীকাতরতা বলে। পরশ্রীকাতরতা একটি মারাত্মক মানসিক ব্যাধি, যা ইসলাম ধর্ম চূড়ান্তভাবে সমর্থন করে না। ইসলাম এ কাজগুলো হারাম ঘোষণা করেছে। পরশ্রীকাতরতা অর্থ অন্যের উন্নতি ও সৌভাগ্য দেখে ঈর্ষা প্রকাশ করা। অর্থাৎ কারও ধন-দৌলত, সম্মান, ভালো ফল বা উচ্চমর্যাদা দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়া ও তার ধ্বংস কামনা করাকে পরশ্রীকাতরতা বলে। পরশ্রীকাতরতা একটি মারাত্মক মানসিক ব্যাধি, যা ইসলাম ধর্ম চূড়ান্তভাবে সমর্থন করে না। ইসলাম এ কাজগুলো হারাম ঘোষণা করেছে।
জনাব 'খ'-এর কর্মকান্ড ঘুষের অন্তর্ভুক্ত। পরকালে এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
ঘুষ গ্রহণকারী ও প্রদানকারীর ওপর আলাহ তায়ালার অভিশাপ বর্ষিত হয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي অর্থ: "ঘুষ প্রদানকারী ও ঘুষ গ্রহণকারীর ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হয়।” (ইব্ন মাজাহ্) ঘুষ প্রদান ও গ্রহণ উভয়ই অমার্জনীয় অপরাধ। এরা উভয়ই জাহান্নামি। রাসুল (স.) বলেন- الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي كِلَاهُمَا فِي النَّارِ
অর্থ: "ঘুষ প্রদানকারী ও গ্রহণকারী উভয়ই জাহান্নামি।" কোনো কর্মচারী তার বেতনের অতিরিক্ত জনগণ থেকে কোনো কিছু গ্রহণ করা অবৈধ। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, "কোনো ব্যক্তিকে যদি আমরা কোনো কাজে নিয়োগ করি এবং এজন্য তাকে বিনিময় দান করি, আর সে বিনিময়ের অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করে, তবে তা খিয়ানত হিসাবে গণ্য হবে।" (আবু দাউদ)
উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে, জনাব 'খ' একজন সরকারি চাকরিজীবী। তিনি কাজের বিনিময়ে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিয়ে অল্প দিনেই বিপুল সম্পদের মালিক হন।
সুতরাং বলা যায়, জনাব 'খ'-এর কর্মকান্ড ঘুষের অন্তর্ভুক্ত, পরকালে যার পরিণতি ভয়াবহ।
Related Question
View Allনমরুদের মূর্তিপূজার বিরোধিতা করায় হযরত ইবরাহিম (আ.) অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন।
উত্তম চরিত্রের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য মহানবি (স.) বলেন, "উত্তম চরিত্রের পূর্ণতাদানের জন্যই আমি প্রেরিত হয়েছি।" সকল নবিই নিজ নিজ জাতিকে উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দিয়েছেন। আর উন্নত চরিত্রকে পূর্ণতাদানের জন্য শেষ নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে আল্লাহ তায়ালা পাঠিয়েছেন।
পরমতসহিষ্ণুতা গুণের অভাবে লিপি ও হ্যাপির মধ্যে ঝগড়া হয়।
পরমত বলতে বোঝায় অপরের মত, পথ বা আদর্শ, সেটা ধর্মীয় হতে পারে, আদর্শিকও হতে পারে। আবার রাজনৈতিকও হতে পারে। অন্যের মতামতকে অবজ্ঞা না করে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া বা অন্যের মত বা আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাকে পরমতসহিষ্ণুতা বলে। উদ্দীপকের লিপি ও হ্যাপির মধ্যে ঝগড়ার মূল কারণ একজনের পছন্দকে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া, যা পরমতসহিষ্ণুতার পরিপন্থি। আর একটি সুস্থ ও সুন্দর সামাজিক জীবনের জন্য পরমতসহিষ্ণুতার গুরুত্ব অপরিসীম। পারিবারিক জীবনের সুখ-শান্তি এর ওপর নির্ভরশীল। পরিবারের অন্য সদস্যদের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন বা সহানুভূতির মনোভাব পোষণ করার মাধ্যমে পারিবারিক শান্তি লাভ করা যায়।
সাব্বির ও মনিরের ভূমিকায় সমাজসেবার গুণটি ফুটে উঠেছে।
সমাজের বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে স্বেচ্ছায় গৃহীত কাজই সমাজসেবা। ব্যাপক অর্থে মানবকল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য গৃহীত সকল কর্মসূচিই সমাজসেবা নামে পরিচিত। সমাজসেবা একটি মানবিক দায়িত্ব। সমাজের সম্পদশালী মানুষ পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য সেবামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইসলাম নির্দেশ দিয়েছে। গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে তাদের উন্নয়ন ঘটানো সামাজিক দায়বদ্ধতা। শিক্ষা-চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে মানুষের প্রিয়ভাজন হওয়া সম্ভব। উদ্দীপকের সাব্বির ও মনির আহত পথচারীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জনসেবার অন্তর্ভুক্ত। কেননা রাসুল (স.) বলেন, আল্লাহ বান্দাদেরকে ততক্ষণ সাহায্য করেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইকে সাহায্য করে।
পরিশেষে বলা যায়, সাব্বির ও মনিরের কাজটিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে আমাদের সকলেরই মানুষের কল্যাণে সমাজের সেবায় এগিয়ে আসা উচিত।
নারীদের মধ্যে সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী হলেন হযরত আয়েশা (রা.)।
পৃথিবীর সকল মানুষের আদি পিতা হযরত আদম (আ.) ও আদি মাতা হযরত হাওয়া (আ.)-এর সন্তান বিশ্বে সকল মানুষ ভ্রাতৃসম।
আবহাওয়া ও ভৌগোলিক পরিবেশের কারণে মানুষের আকার-আকৃতি, স্বভাব-প্রকৃতি এবং বর্ণ ও ভাষার মধ্যে ভিন্নতা লক্ষ করা যায়। যার ফলে মানুষ বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তবুও বিশ্বের সব মানুষ এক পিতামাতার সন্তান হওয়ায় বিশ্বভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি হয়েছে। মহানবি (স.) বলেছেন, তোমরা প্রত্যেকেই আদম (আ.) হতে এবং আদম মাটি হতে সৃষ্টি। (বুখারি)
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!