জনাব 'ক' একজন ধনী ব্যক্তি। তার দশ লক্ষ টাকা এক বছর যাবত ব্যাংকে জমা রয়েছে। তাই তিনি বিশ হাজার টাকা গরিবদের মাঝে দান করলেন। আর তার ছোট ভাই 'খ' একজন ব্যবসায়ী। তিনি হিসাব করে তার আর্থিক ইবাদত পালন করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত কাবাঘর জিয়ারত তার ওপর ফরজ হলেও তিনি তা না করে অতিরিক্ত কিছু টাকা গরিবদের মাঝে বিতরণ করেন। বিষয়টি মসজিদের খতিব সাহেব জানতে পেরে বললেন, ফরজ। ইবাদতগুলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ইসলামি বিধান অনুযায়ী যাদেরকে যাকাত দেওয়া যায়, তাদেরকে বলা হয় যাকাতের মাসারিফ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যাকাত ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত। যাকাত ধনী-গরিবদের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে এসে সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য সৃষ্টি করে। এটি ধনীদের সম্পদে দরিদ্রদের প্রাপ্য অধিকার (নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক)। এটি আদায় করা ধনীদের ওপর ফরজ। এর মাধ্যমে ধনীরা প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ দরিদ্রদের দান করে থাকে। ফলে দরিদ্রদের অবস্থার উন্নতি ঘটে। এভাবে যাকাত ধনী-গরিবের মধ্যে ব্যবধান কমাতে সাহায্য করে। ফলে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনাব 'ক' নিসাব পরিমাণ সম্পদের শতকরা ২.৫% হারে নির্ধারিত খাতে ব্যয় করার মাধ্যমে ইবাদতটি পালন করতে পারতেন।
যাকাত ইসলামের ফরজ বিধান। কারও নিকট নিসাব পরিমাণ সম্পদ ১ বছর গচ্ছিত থাকলে উক্ত সম্পদের ৪০ ভাগের ১ ভাগ অর্থাৎ শতকরা ২.৫ টাকা হারে যাকাত আদায় করতে হয়। নিসাব পরিমাণ সম্পদ বলতে বোঝায়- সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা অথবা এ দুটোর কোনো একটির নগদ বাজার মূল্যের সম্পদ থাকা।

উদ্দীপকের জনাব 'ক'-এর দশ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। নিম্নোক্ত হিসাবে তাকে যাকাত প্রদান করতে হবে।

আমরা জানি,

১০০ টাকায় যাকাত দিতে হয়, ২.৫ টাকা

১ ‘’          ‘’         ‘’        ‘’  . ‘’

১০.০০.০০০ ‘’         ‘’           ‘’ . × ,,   ‘’

= ২৫,০০০ টাকা-

সুতরাং জনাব 'ক'-কে ১০ লক্ষ টাকায় ২৫,০০০ টাকা যাকাত দিলে তার যাকাত আদায় হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনাব 'খ' ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হজকে উপেক্ষা করেছেন। আর এ প্রসঙ্গে খতিব সাহেবের বক্তব্যটি যথার্থ।

ফরজ ইবাদতগুলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। হজ আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ সংকল্প করা, ইচ্ছা করা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় নির্দিষ্ট দিনসমূহে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পবিত্র কাবাঘর ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহে বিশেষ কার্যাদি সম্পাদন করাকে হজ বলে। হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও শারীরিক ইবাদত। যিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত মক্কা, মিনা, আরাফা এবং মুযদালিফায় আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স.)-এর নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করা হজের অন্তর্ভুক্ত। আর প্রত্যেক সুস্থ, প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধিমান ও আর্থিক সামর্থ্যবান মুসলিম নর-নারীর ওপর জীবনে একবার হজ আদায় করা ফরজ। এরপর যতবার হজ করবে তা নফল হিসেবে গণ্য হবে এবং অনেক সাওয়াবের অধিকারী হবে। হজ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্য ঐ গৃহে হজ করা তার অবশ্য কর্তব্য।" (সূরা আলে-ইমরান: ৯৭) প্রদত্ত উদ্দীপকের জনাব 'খ' যাকাত আদায় করলেও ইসলামের আরেকটি ফরজ ইবাদত হজকে উপেক্ষা করেছেন। অথচ তার ওপর হজ ফরজ।
সুতরাং জনাব 'খ'-এর উচিত আল্লাহর নির্ধারিত ফরজ ইবাদত সঠিকভাবে সম্পন্ন করা। যা. ইমাম সাহেবের বক্তব্যে ফুটে উঠেকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
74

আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব ও আনুগত্য স্বীকার করে তাঁর আদেশ পালন ও নিষেধ বর্জন করে জীবন পরিচালনাকে ইসলামি পরিভাষায় ইবাদত বলে। ইসলাম হলো পরিপূর্ণ জীবন বিধান। ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিষয় যথা : কালিমা, নামায, রোযা, যাকাত ও হজ যথাযথ পালনের নাম ইবাদত । আবার মানব- জীবনের প্রতিটি কাজ ইসলামি বিধি-বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করাও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর সকল সৃষ্টবস্তু মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে । আর মানুষ ও জিন জাতিকে শুধু আল্লাহর ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
■যাকাতের ধারণা, যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত ও যাকাতের মাসারিফ বর্ণনা করতে পারব।
■যাকাতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব এবং তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।
■হজের ধারণা, পটভূমি, তাৎপর্য, ফজিলত, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাতসমূহ ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■হজ পালনের ত্রুটি এবং তা সংশোধনের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
■সাম্য ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় হজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
■কুরবানির ধারণা, পটভূমি ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■বাস্তব জীবনে ত্যাগ ও উদারতা অর্জনে কুরবানির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব । আকিকার ধারণা ও আদায়ের নিয়ম বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

নামাজের উদ্দেশ্যে যেমন তাহরিমা বাঁধতে হয়, হজের জন্যও তেমনি ইহরাম বাঁধতে হয়। সালাতে তাকবিরে তাহরিমার পর যেমন সকল দুনিয়াবি চিন্তা বন্ধ হয়ে যায় তদ্রুপ ইহরাম বাঁধার পর দুনিয়ার বৈধ কাজ অবৈধ হয়ে যায়। শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখ থেকে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত যেকোনো দিন ইহরাম বাঁধা যায়। এ সময় ছাড়া অন্য সময় ইহরাম বাঁধলে হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
79
উত্তরঃ

আমিরুল সাহেবের কাজটিতে আকিকার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
'আকিকা' আরবি শব্দ। এর অর্থ ভাঙা, কেটে ফেলা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় সন্তান জন্মের পর সপ্তম দিনে তার কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর নামে কোনো হালাল গৃহপালিত পশু জবাই করাকে আকিকা বলা হয়। আকিকা করা সুন্নাত। এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। সন্তানের বিপদাপদ দূর হয়। কাজেই প্রত্যেক পিতামাতার উচিত নবজাত সন্তানের যথাসময়ে আকিকা করা। হাদিসে আছে, "প্রতিটি নবজাত সন্তান আকিকার সাথে সম্পৃক্ত তার জন্মের সপ্তম দিনে তার নামে পশু জবাই করতে হবে। তার নাম রাখা হবে, তার মাথার চুল মুন্ডন করা হবে।" (নাসায়ি)
উদ্দীপকের আমিরুল সাহেব পুত্র সুহানের জন্মের সপ্তম দিনে দুটি ছাগল জবাই করেছেন। যাকে ইসলামি শরিয়তে আকিকা বলে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, 'ছেলে সন্তানের জন্য-দুটি ছাগল ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল জবেহ করাই যথেষ্ট।' (নাসায়ি)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
77
উত্তরঃ

খাইরুল সাহেবের কাজটিতে কুরবানি পালিত হয়েছে। আর এতে মানবজাতির জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে।

কুরবানির সমার্থক শব্দ 'উযহিয়‍্যাহ'। এর আভিধানিক অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যে পশু জবাই করা হয় তাকে কুরবানি বলে। কুরবানি আল্লাহর নবি হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অতুলনীয় ত্যাগের স্মৃতি বহন করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ ঘোষণা করেন যে, তাদের কাছে নিজ জানমাল অপেক্ষা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল্য অনেক বেশি।

প্রদত্ত উদ্দীপকে ইমাম সাহেব বলেন, কুরবানিতে আমাদের জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে। কেননা কুরবানি বলতে শুধু গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি জবাই করা বোঝায় না। বরং এর দ্বারা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন বোঝায়।
সুতরাং কুরবানির ত্যাগের শিক্ষা আমাদেরকে পরোপকারে উৎসাহিত করবে ও মানবতাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটাবে। যা ইমাম সাহেবের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
64
উত্তরঃ

রাসুলুল্লাহ (স.) নবি হওয়ার পর নিজের আকিকা নিজেই করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
71
উত্তরঃ

যাকাতের মাধ্যমে সমাজে ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার বিরাজমান বৈষম্য দূর হয়। আল্লাহর নির্দেশমতো যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করলে সমাজের কোনো লোক অন্নহীন, বস্ত্রহীন, গৃহহীন থাকবে না। কেউ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না। সম্পদশালী ব্যক্তিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যাকাত ও সদকার অর্থে অভাবীদের প্রয়োজন মিটিয়েও অনেক জনহিতকর এবং কল্যাণমূলক কাজ করা যায়। বহু দরিদ্র ব্যক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা যায়। যারা কর্মক্ষম তাদের উপযোগী বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া যেতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
47
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews