জনাব 'ক' দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং অল্প বয়সে বাবা-মাকে হারান। তিনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুযোগ পাননি। তবে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, দরিদ্র কৃষক শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষণে তিনি আজীবন আন্দোলন করে গেছেন। তার জীবনযাপন ছিল অতিসাধারণ। তাকে মজলুম জননেতা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর উত্থাপিত ছয় দফা কর্মসূচিকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জনাব 'ক' এর সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মিল আছে।

মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী অবহেলিত মানুষের জন্য সারাজীবন কাজ করে গেছেন। অত্যাচার, শোষণ ও জুলুমের বিরুদ্ধে ছিল তার পথ চলা। এই অসাধারণ নেতার প্রতিই নির্দেশ করা হয়েছে জনাব 'ক' এর মধ্য দিয়ে।
জনাব 'ক' দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং অল্প বয়সে বাবা-মাকে হারান। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত এই মানুষটি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এবং দরিদ্রের স্বার্থ সংরক্ষণে আন্দোলন করেছেন। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষণীয়। তিনিও দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়ে বাল্যকালে পিতা এবং কৈশোরে মাতাকে হারান। এরপর চাচার আশ্রয়ে কিছুদিন থেকে পরবর্তীতে ভবঘুরের মতো জীবনযাপন করেন। এ সময় ভাসানী অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন। দুবেলা খাবার জোগাড়ের জন্য তিনি দিনমজুর ও কুলির কাজ করেছেন। তিনি কৃষক, শ্রমিক ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ছিলেন বদ্ধপরিকর। এ সংগ্রামে তিনি বার বার অত্যাচারিত, নির্যাতিত ও উৎপীড়িত হয়েছেন। জনদরদি এই নেতা শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাধারণ গরিব মানুষের স্বার্থে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। এ কারণে তাকে মজলুম জননেতা বলে অভিহিত করা হয়। মওলানা ভাসানী ঔপনিবেশিক ও সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শাসনের ঘোর বিরোধী ছিলেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তিনি সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলন, অসহযোগ আন্দোলন, কৃষক প্রজা আন্দোলন, পাকিস্তান আন্দোলন ইত্যাদি সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সুতরাং দেখা যায়, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীরই প্রতিফলন ঘটেছে জনাব 'ক' এর মধ্যে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কৃষকদের স্বার্থ আদায় ও জনঅধিকার প্রতিষ্ঠায় উক্ত নেতা অর্থাৎ মওলানা ভাসানী অসাধারণ ভূমিকা পালন করেন।
মওলানা ভাসানী বাস্তব জীবনে দেখেছেন তৎকালীন জমিদার প্রথা ও বাঙালির ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের ভয়াল চিত্র। তিনি নিজেও এসব নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ কারণেই তার কণ্ঠ জনগণের অধিকার আদায় এবং দরিদ্র কৃষকদের পক্ষে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
মওলানা ভাসানী রাজশাহীর ধুপঘাটের জমিদার, টাঙ্গাইলের সন্তোষের জমিদার, গৌরীপুরের মহারাজা এবং পাবনার সুদখোর মহাজনদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে কৃষক আন্দোলন ও বিদ্রোহ সংঘটিত করেছিলেন। তিনি নিরন্ন, অবহেলিত, অশিক্ষিত, অসহায় কৃষকদের অধিকার সচেতন করে তোলার জন্য বিভিন্ন স্থানে কৃষক সম্মেলন করেন। ১৯৩৭ সালে আসামে 'লাইন প্রথা' নামে একটি নিপীড়নমূলক প্রথা চালু হয়। ভাসানী এই প্রথার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালে এই প্রথা বাতিল হয়। ১৯৪৫-৪৬ সালে আসাম জুড়ে বাঙালির বিরুদ্ধে 'বাঙ্গাল খেদাও' আন্দোলন শুরু হয়েছিল। এ সময় ভাসানী বাঙালিকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন স্থানে ঘুরে সেই আন্দোলনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। এছাড়া তিনি সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হয়ে জনঅধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্রতী হন। স্বাধীন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এদেশের কৃষক, শ্রমিক তথা আপামর জনসাধারণের ওপর শোষণ ও নির্যাতন চালায়। এ অবস্থায় পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক শাসন, মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়, স্ব-শাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ভাসানী ছিলেন আপসহীন ও নিবেদিতপ্রাণ।
পরিশেষে বলা যায়, মওলানা ভাসানী ছিলেন কৃষক, শ্রমিক তথা সমগ্র জনগণের ওপর শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। কৃষকদের স্বার্থে ও জনঅধিকার রক্ষায় তার আপসহীন ভূমিকা চির উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
61

Related Question

View All
উত্তরঃ

বেজাল প্যাক্ট হলো বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক বিভেদ সমাধানের লক্ষ্যে সম্পাদিত চুক্তি।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ অনুভব করেছিলেন যে, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দাবি অগ্রাহ্য করে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ দিক বিবেচনা করে চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলমানদের সমর্থন ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বাংলার মুসলিম নেতারাও তাঁর সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এ.কে. ফজলুল হক, মৌলবি আবদুল করিম এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। তাদের উদ্যোগে ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
174
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শামসুল হুদার সাথে আমার পঠিত মহান নেতা শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহিদ তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি দেশের মানুষকে ইংরেজ, জমিদার এবং নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের হাত থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। তিনি কৃষকদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলেন এবং তাদেরকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কৃষকদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলকাতার নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে একটি বাঁশের কেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করেন।
উদ্দীপকের শামসুল হুদার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, তিনি একজন সৎ ও সাহসী ব্যক্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার। অত্যাচারী জমিদার ও সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে জনগণকে রক্ষায় তিনি একটি বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ লক্ষ্য ও কার্যক্রমের সাথে আমার পঠিত শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
151
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ তিতুমীরের আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতি লাভ করেছিল।
তিতুমীরের কৃষক আন্দোলন ও বারাসাত বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, রক্তদান ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। তাঁর পরিচালিত এ বিদ্রোহ ছিল জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি নারিকেলবাড়িয়ার আশপাশের জমিদারদের পরাজিত করে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটি স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন এবং কোম্পানি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি ইংরেজ সরকারের আক্রমণ মোকাবিলার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে তিতুমীরও শহিদ হন।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক। যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হতে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে তিতুমীরের আন্দোলনের কারণেই পরবর্তী সময়ের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলো গতি লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
132
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
128
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews