জনাব গালিব দেশের শাসনকর্তা, তিনি বুঝতে পেরেছেন নিজ ধর্ম ছাড়াও অন্যান্য ধর্মের লোকদের প্রতি যদি কঠোরতা প্রদর্শন করা হয় তবে রাজ্য শাসনে শান্তি বিরাজ করবে না, তাই তিনি সকল ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করেছিলেন।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

মনসব' শব্দের অর্থ পদ বা পদমর্যাদা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

যুদ্ধসংশ্লিষ্ট ঘোড়াকে চিহ্নিত করার এক অভিনব পদ্ধতি হলো দাগ এবং সৈন্যদের বিস্তারিত বিবরণমূলক তালিকা পদ্ধতি হলো হুলিয়া।
সুলতান আলাউদ্দিন খলজি সর্বপ্রথম দাগ এবং তুলিয়া প্রথা প্রবর্তন করেন। পরে তার অনুকরণেই শেরশাহ সেনাবাহিনীর দুর্নীতি হ্রাসে এ দুটি প্রথা পুনঃপ্রবর্তন করেন। অশ্বচিহ্নিতকরণ পদ্ধতি অর্থাৎ দাগ এবং সেনাদের বিস্তারিত বিবরণ পদ্ধতি হুলিয়া প্রবর্তনের মাধ্যমে শেরশাহ সামরিক বাহিনীতে দুর্নীতি হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আনন্দ স্বামীর সাথে মুঘল সম্রাট আকবরের 'দীন-ই-এলাহী' নামক ধর্মীয় নীতির সাদৃশ্য রয়েছে। এ ধর্মমতে সব ধর্মের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল।

সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে 'দীন-ই-এলাহী' নামে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটি ছিল সর্বেশ্বরবাদী ধর্ম। সকল ধর্মের উৎকৃষ্ট নীতিমালা নিয়ে এ ধর্মমত গঠিত হয়েছিল। এ ধর্মমতে কোনো নবি বা দেব-দেবীর অস্তিত্ব ছিল না। তবে একেশ্বরবাদের ধারণা ছিল প্রবল। এ ধর্মে দীক্ষা গ্রহণকারীকে সম্রাটের নামে ৪টি স্তরে তার জীবন, ধর্ম, সম্মান ও সম্পত্তি উৎসর্গ করতে হতো।
উদ্দীপকের আনন্দ স্বামী ধর্ম নিয়ে হত্যা, হানাহানি, রক্তপাত নিরসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলাম, সনাতন ও খ্রিষ্টধর্মের সমন্বয়ে সর্বধর্ম মতবাদ প্রবর্তন করেন। তার এ সর্বধর্ম মতবাদের মূলকথা ছিল মানবতাবাদ। একইভাবে মুঘল সম্রাট আকবরও সকল ধর্মের সারাংশ নিয়ে 'দীন-ই-এলাহী' নামের সর্বেশ্বরবাদী ধর্মীয় নীতি প্রবর্তন করেছিলেন। 'দীন-ই-এলাহী' ধর্মমতের অনুসারীদেরকে 'লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু ওয়া আকবর খলিফাতুল্লাহ' এ কথাটি পাঠ করতে হতো। এ ধর্মের অনুসারীদের পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে একজনকে 'আল্লাহু আকবর' বলে সম্ভাষণ করতে হতো এবং অন্যজনকে 'জাল্লেজালালুহু' বলে উত্তর দিতে হতো। এ ধর্মে আগুনকে পবিত্র বলে সম্মান করা হতো। এর অনুসারীদের অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আমিষ জাতীয় খাবার (মাংস, মাছ, ডিম, ডাল প্রভৃতি) গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হতো। তাছাড়া তাদেরকে জন্মদিন উদযাপন করে ঐদিন দানখয়রাতসহ স্বধর্মীদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হতো। তাদেরকে মৃত্যুর পূর্বেই ভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হতো। এছাড়া এ ধর্মের অনুসারীদের ভিক্ষা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হতো। কসাই, ধীবর, ব্যাধ প্রভৃতি নিম্নশ্রেণির লোকেরা জীব হত্যা করত বলে তাদের সাথে ওঠা-বসা নিষিদ্ধ ছিল। উল্লিখিত বিধি-নিষেধ আরোপ করে সম্রাট আকবর 'দীন-ই-এলাহী' ধর্মমতের প্রবর্তন করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যক্তির সর্বধর্ম মতবাদ প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল শান্তি প্রতিষ্ঠা। অন্যদিকে সম্রাট আকবরের 'দীন-ই-এলাহী' ধর্মমত প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা।

ষোড়শ শতাব্দী ছিল বিশ্বব্যাপী এক ধর্মীয় আন্দোলনের যুগ। তখন সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব কিংবা ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় দেশে-দেশে, রাজায়-রাজায় যুদ্ধ পর্যন্ত লেগে যেত। উদাহরণস্বরূপ ইংল্যান্ডের রানি এলিজাবেথ এবং স্পেনের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপের মধ্যে সংঘটিত আর্মাডার যুদ্ধের (১৫৮৮) কথা উল্লেখ করা যায়। এমন ধর্মীয় কোন্দলের যুগে সম্রাট আকবর ধর্মনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা স্থাপন করে উদারতা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছিলেন। ভারতীয় উপমহাদেশে বৃহৎ মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা ও তার স্থায়িত্ব বিধানই ছিল তার উদার ধর্মমত প্রবর্তনের একমাত্র কারণ। কেননা হিন্দু অধ্যুষিত ভারতে তাদের প্রতি উদার ও সহনশীল হওয়া ছাড়া সাম্রাজ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করা কোনোভাবেই সম্ভবপর ছিল না। অন্যদিকে উদ্দীপকের শ্রী আনন্দ স্বামী সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন ধর্মীয় মতবাদ প্রবর্তন করেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত শ্রী আনন্দ স্বামী সর্বধর্ম মতবাদের প্রবস্তা। তিনি জমিদারের দায়িত্ব পালনকালে ধর্ম নিয়ে হত্যা, হানাহানি, রক্তপাত নিরসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলাম, সনাতন ও খ্রিস্টধর্মের সমন্বয়ে সর্বধর্ম মতবাদ প্রবর্তন করেন। অন্যদিকে সম্রাট আকবরের 'দীন-ই-এলাহী' ধর্মমত প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নিজের স্বীকৃতি লাভ। ভারতে মুঘল শক্তির স্থায়িত্ব বিধানের স্বার্থে হিন্দু-মুসলিম নাগরিকদের মধ্যে ঐক্য ও প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলা আবশ্যক ছিল। এ উদ্দেশ্যেই সম্রাট ধর্মীয় ক্ষেত্রে উদার নীতি গ্রহণ করে 'দীন-ই-এলাহী' ধর্মমত প্রবর্তন করেছিলেন।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকের আনন্দ স্বামীর নতুন ধর্ম প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল শান্তি প্রতিষ্ঠা। কিন্তু সম্রাট আকবরের নতুন ধর্মমত প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের সকল ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে স্বীয় ক্ষমতাকে সুসংহত করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
26

Related Question

View All
উত্তরঃ

'মোজা' শব্দ থেকে মোঙ্গল এবং মোঙ্গল থেকে মুঘল নামের উৎপত্তি ঘটেছে। তারা আদি বাসভূমি মঙ্গোলিয়া ছেড়ে মধ্য এশিয়ার পশ্চিম অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে মুঘল নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৫২৬ খ্রি. মুঘলরা ভারতের সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে ভারতবর্ষের শাসক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত এরপর থেকেই মুঘলরা একটি বৃহৎ জাতিগঠনে অবদান রাখতে শুরু করে।

368
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে ভারতবর্ষের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর ফারগানার সিংহাসনে উপবিষ্ট হন। সিংহাসন লাভের পর পরই তার দুই পিতৃব্য ও আত্মীয়স্বজন এবং উজবেক নেতা সাইবানি খানের রিরোধিতার মুখে পড়েন। ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে বাবর সমরখন্দ দখল করেন। কিন্তু ভাগ্যবিপর্যয়ে পতিত হয়ে তিনি সমরখন্দ হারান। ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে ফারগানাও হস্তচ্যুত হয়। অর্থাৎ দাবার ছকের রাজার মতো বাবর স্থান থেকে স্থানান্তর ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। কিন্তু ১৫০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ফারগানা পুনরুদ্ধার করেন।
১৫০২ খ্রিস্টাব্দে সমরখন্দ অধিকার করেন। পরবর্তীকালে ১৫০৩ খ্রিষ্টাব্দে আরচিয়ানের যুদ্ধে সাইবানি খানের কাছে পরাজিত হয়ে ফারগানা ও সমরখন্দ থেকে বিতাড়িত হন। এ সময় কাবুলের অভ্যন্তরীণ অরাজকতার সুযোগে ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে কাবুল অধিকার করে বাদশাহ উপাধি নিয়ে রাজত্ব করতে থাকেন। ১৫১১ খ্রিস্টাব্দে পারস্যের শাহ ইসমাইল সাফাভীর সহযোগিতায় সমরখন্দ দখল করলেও ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে তা আবারও হাতছাড়া হয়ে যায়। এরপর ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি কাবুলেই রাজত্ব করেন। কিন্তু অসাধারণ সাহসী বাবর এতেই সন্তুষ্ট থাকেননি। ১৫২৬ খ্রি. তিনি পানিপথের প্রথম যুদ্ধে সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে দিল্লির সুলতানি সাম্রাজ্যের ধ্বংসস্তূপের ওপর মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাগ্য বিড়ম্বিত যুবুক ইরফান ও ভারতবর্ষে মুঘল শাসনের প্রতিষ্ঠাতা বাবরই অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

665
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সম্রাট বাবরের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
সম্রাট বাবর কেবল নির্ভীক সৈনিক, দক্ষ সেনাধ্যক্ষ, সুদক্ষ অস্ত্র পরিচালক, প্রশংসনীয় ঘোড়সওয়ারই ছিলেন না; বরং আলেকজান্ডারের মতো দেশ জয়ের নেশায় বিভোর থাকতেন। পানিপথের প্রথম যুদ্ধ, খানুয়ার যুদ্ধ এবং গোগরার যুদ্ধে তার সাফল্য তাকে ভারতীয় সমর ইতিহাসে উচ্চাসনে- অধিষ্ঠিত করেছে। বাবর মাত্র ১১ বছর বয়স থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হন। বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে তিনি প্রথমে কাবুলে এবং পরে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। শুধু প্রতিষ্ঠা করেই ক্ষান্ত হননি, তার ভিত্তি সুদৃঢ় করে একে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
বাবরের চার বছরের শাসনামলে যুদ্ধবিগ্রহ কেটে যায়। এ অবস্থায় নবপ্রতিষ্ঠিত মুঘল সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থায় কোনো প্রকার পরিবর্তন ও সংস্কার সাধন করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তথাপি তিনি নিজেকে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা হ্রাস করেন। প্রাদেশিক শাসনকার্য পরিচালনার জন্য প্রত্যেক প্রদেশে একজন ওয়ালি (প্রাদেশিক কর্মকর্তা), একজন দিওয়ান (রাজস্ব কর্মকর্তা), শিকদার (সামরিক কর্মকর্তা) এবং কোতওয়াল (নগরকর্তা) ছিল। তিনি প্রশাসনিক কাজে তুর্কি, আফগান ও হিন্দুদের সমান সুযোগ দিতেন। সমগ্র সাম্রাজ্যে ১৫ মাইল অন্তর তিনি ডাক চৌকির ব্যবস্থা করেন। প্রজারঞ্জক বাবর দিল্লি ও আগ্রায় ২০টি উদ্যান, বহু পাকা নর্দমা, সেতু, অট্টালিকা নির্মাণ করেন।
পরিশেষে বলতে পারি, সম্রাট বাবর শুধুমাত্র একজন বিজেতা হিসেবেই প্রশংসার দাবিদার নন, বরং একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবেও তিনি কৃতিত্বের দাবিদার। তাই সার্বিকভাবে বাবরের শাসনকাল কৃতিত্বপূর্ণ একথা নিঃসন্দেহেই বলা যায়।

413
উত্তরঃ

ফিরোজশাহ তুঘলক দিওয়ান-ই-বন্দেগান গঠন করেন কারণ, তিনি ছিলেন ক্রীতদাসদের প্রতি অনুরক্ত। তাই তিনি সিংহাসনে আরোহনের পর একটি বিরাট ক্রীতদাস বিভাগ গড়ে তোলেন। তার আমলে ক্রীতদাসের সংখ্যা ছিল ১,৮০,০০০, যার মধ্যে ৪০,০০০ ক্রীতদাস সুলতানের প্রাসাদে অবস্থান করত। সুলতান তাদের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার জন্যই 'দিওয়ান-ই-বন্দেগান' গঠন করেন।

866
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews