কোম্পানির উদ্দেশ্য, ক্ষমতা প্রভৃতি সংবলিত যে দলিল প্রস্তুত হয় তাকে স্মারকলিপি বলে।
যে শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে কোম্পানির মালিক কিংবা অংশীদার হওয়া যায় তাকে ইক্যুইটি শেয়ার বলে।
ইক্যুইটি শেয়ার সাধারণ শেয়ার হিসেবে পরিচিত। এই শেয়ারহোল্ডারদের কোম্পানির কাজের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। কোম্পানির সমস্ত ঝুঁকি এরা বহন করে। অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারদের পরিশোধ করার পর এদের লভ্যাংশ প্রদানের করা হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায় সংগঠনটির প্রকৃতি হলো কোম্পানি সংগঠনের আওতাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
যে কোম্পানির সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন ৭ এবং সর্বোচ্চ স্মারকলিপিতে উল্লেখ শেয়ারসংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ, শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য এবং শেয়ার ও ঋণপত্র জনগণের উদ্দেশ্যে বিক্রয়ের জন্য আহ্বান জানানো যায় তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে।
উদ্দীপকে জনাব জাকির তার ১০ (দশ) বন্ধুকে নিয়ে ঢাকা শহরে 'রনি এন্টারপ্রাইজ' নামক একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমতিপত্র গ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা ব্যবসায় গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠন করতে সর্বনিম্ন সদস্য প্রয়োজন হয় ৭ জন অথচ উদ্দীপকের 'রনি এন্টারপ্রাইজ' এর সদস্যসংখ্যা ১০ জন অর্থাৎ 'রনি এন্টারপ্রাইজ'কে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গঠন করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য রয়েছে। তাছাড়া 'রনি এন্টারপ্রাইজ' যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিসাপেক্ষে গঠিত হয়েছে। তছাড়াও দেখা যায়, 'রনি এন্টারপ্রাইজ'জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রি করতে যা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায় সংগঠনটির প্রকৃতি হলো কোম্পানি সংগঠনের আওতাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করা শ্রেয় বলে আমি মনে করি।
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে অধিক সদস্যসংখ্যা থাকার সুবাদে এবং যেকোনো সময় জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার ও বিক্রয়ের আহ্বান জানানোর সুযোগে এ সংগঠন অর্থসংস্থানের মাধ্যমে অনেক বৃহদায়তন কোম্পানি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
উদ্দীপকের কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ ব্যবসায় সম্প্রসারণের চিন্তাভাবনা করছেন। আর এজন্যে অতিরিক্ত ২৩ কোটি টাকা মূলধন প্রয়োজন যা শেয়ার বিক্রি অথবা ব্যাংক ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারেন। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটির নিকট মূলধন সংগ্রহের দুটি বিকল্প পক্ষ রয়েছে। তাই তার ব্যাংক ঋণ গ্রহণ না করাটাই অধিকতর যুক্তিযুক্ত হবে। কেননা ব্যাংক ঋণের ফলে কোম্পানির দায় বৃদ্ধির পাশাপাশি সুদ বাবদ অধিক খরচ বৃদ্ধি পাবে। ফলে কোম্পানির লাভ হ্রাস পেতে পারে। উক্ত কোম্পানিটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হওয়ায় তারা ইচ্ছে করলে তাদের কোম্পানির শেয়ার বিক্রের মাধ্যমে জনগণের নিকট থেকে অর্থসংস্থান করতে পারেন।
সুতরাং আমি মনে করি, ব্যবসায় সম্প্রসারণের জন্য প্রতিষ্ঠানটি জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থসংস্থান করা অধিক যুক্তিযুক্ত।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!