জনাব জাকির তার ১০ (দশ) বন্ধুকে নিয়ে ঢাকা শহরে 'রনি এন্টারপ্রাইজ' নামক একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমতিপত্র গ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা ব্যবসায় গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। তাঁদের মূলধনের পরিমাণ ৪৮ কোটি টাকা। দক্ষতা ও সুনামের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে ১৭ কোটি টাকা মুনাফার্জন করে। সম্প্রতি তাঁরা ব্যবসায় সম্প্রসারণের চিন্তা করেন, যার জন্য অতিরিক্ত ২৩ কোটি টাকা মূলধন প্রয়োজন যা শেয়ার বিক্রি অথবা ব্যাংক ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোম্পানির উদ্দেশ্য, ক্ষমতা প্রভৃতি সংবলিত যে দলিল প্রস্তুত হয় তাকে স্মারকলিপি বলে।

উত্তরঃ

যে শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে কোম্পানির মালিক কিংবা অংশীদার হওয়া যায় তাকে ইক্যুইটি শেয়ার বলে।

ইক্যুইটি শেয়ার সাধারণ শেয়ার হিসেবে পরিচিত। এই শেয়ারহোল্ডারদের কোম্পানির কাজের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। কোম্পানির সমস্ত ঝুঁকি এরা বহন করে। অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারদের পরিশোধ করার পর এদের লভ্যাংশ প্রদানের করা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায় সংগঠনটির প্রকৃতি হলো কোম্পানি সংগঠনের আওতাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

যে কোম্পানির সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন ৭ এবং সর্বোচ্চ স্মারকলিপিতে উল্লেখ শেয়ারসংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ, শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য এবং শেয়ার ও ঋণপত্র জনগণের উদ্দেশ্যে বিক্রয়ের জন্য আহ্বান জানানো যায় তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে।

উদ্দীপকে জনাব জাকির তার ১০ (দশ) বন্ধুকে নিয়ে ঢাকা শহরে 'রনি এন্টারপ্রাইজ' নামক একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গঠন করেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমতিপত্র গ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা ব্যবসায় গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠন করতে সর্বনিম্ন সদস্য প্রয়োজন হয় ৭ জন অথচ উদ্দীপকের 'রনি এন্টারপ্রাইজ' এর সদস্যসংখ্যা ১০ জন অর্থাৎ 'রনি এন্টারপ্রাইজ'কে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গঠন করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য রয়েছে। তাছাড়া 'রনি এন্টারপ্রাইজ' যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিসাপেক্ষে গঠিত হয়েছে। তছাড়াও দেখা যায়, 'রনি এন্টারপ্রাইজ'জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রি করতে যা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায় সংগঠনটির প্রকৃতি হলো কোম্পানি সংগঠনের আওতাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করা শ্রেয় বলে আমি মনে করি।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে অধিক সদস্যসংখ্যা থাকার সুবাদে এবং যেকোনো সময় জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার ও বিক্রয়ের আহ্বান জানানোর সুযোগে এ সংগঠন অর্থসংস্থানের মাধ্যমে অনেক বৃহদায়তন কোম্পানি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

উদ্দীপকের কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ ব্যবসায় সম্প্রসারণের চিন্তাভাবনা করছেন। আর এজন্যে অতিরিক্ত ২৩ কোটি টাকা মূলধন প্রয়োজন যা শেয়ার বিক্রি অথবা ব্যাংক ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারেন। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটির নিকট মূলধন সংগ্রহের দুটি বিকল্প পক্ষ রয়েছে। তাই তার ব্যাংক ঋণ গ্রহণ না করাটাই অধিকতর যুক্তিযুক্ত হবে। কেননা ব্যাংক ঋণের ফলে কোম্পানির দায় বৃদ্ধির পাশাপাশি সুদ বাবদ অধিক খরচ বৃদ্ধি পাবে। ফলে কোম্পানির লাভ হ্রাস পেতে পারে। উক্ত কোম্পানিটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হওয়ায় তারা ইচ্ছে করলে তাদের কোম্পানির শেয়ার বিক্রের মাধ্যমে জনগণের নিকট থেকে অর্থসংস্থান করতে পারেন।

সুতরাং আমি মনে করি, ব্যবসায় সম্প্রসারণের জন্য প্রতিষ্ঠানটি জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থসংস্থান করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

190

সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের ধারায় সূচনা লগ্নে ব্যবসায়ের পরিসর ছিল অল্প ও সংকীর্ণ, তাই এর সাংগঠনিক রূপ ছিল সহজ, ছোট। যেমন—একমালিকানা, অংশীদারি। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি হতে শুরু হয়ে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হলে শিল্প ও ব্যবসায়-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। পূর্বেকার কায়িকশ্রমের স্থান দখল করে নেয় যন্ত্রপাতি এবং শুরু হয় বৃহদায়তন উৎপাদনের পালা । এমতাবস্থায় ব্যবসায় সংগঠনের প্রাথমিক রূপ তথা একমালিকানা ব্যবসায় এবং অংশীদারি ব্যবসায়ের পক্ষে এদের কতিপয় সীমাবদ্ধতার কারণে বৃহদায়তন পণ্যদ্রব্যাদির উৎপাদন ও বণ্টন কার্য পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলাতে যেয়ে অধিক মূলধন, সীমাবদ্ধ দায়, দক্ষ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং চিরন্তন অস্তিত্বের সুবিধা নিয়ে যুগোপযোগী ব্যবসায় সংগঠন হিসেবে যৌথ মূলধনী ব্যবসায়ের উদ্ভব ঘটে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা জানতে পারব—

  • কোম্পানী সংগঠনের ধারণা।
  • কোম্পানী সংগঠনের বৈশিষ্ট্যসমূহ।
  • কোম্পানী সংগঠনের প্রকারভেদ ।
  • পাবলিক ও প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর মধ্যে পার্থক্য।
  • কোম্পানী সংগঠনের গুরুত্ব।
  • কোম্পানী সংগঠনের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা।
  • কোম্পানী সংগঠনের গঠন প্রক্রিয়া ।
  1. পরিমেলবন্ধের ধারণা, বিষয়বস্তু ও নমুনা
  2. পরিমেলবন্ধের গুরুত্ব
  3. পরিমেল নিয়মাবলির ধারণা ও বিষয়বস্তু 
  4. পরিমেলবন্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলির পার্থক্য
  5. বিবরণপত্রের বিষয়বস্তুসমূহ
  • কোম্পানী নিবন্ধনপত্রের ধারণা ও নমুনা ।
  • কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র ।
  • কোম্পানীর মূলধন সংগ্রহের উৎসসমূহ।
  • শেয়ার এর ধারণা এবং প্রকারভেদ।
  • ঋণপত্র এর ধারণা এবং প্রকারভেদ।
  • শেয়ার ও ঋণপত্রের পার্থক্য।
  • কোম্পানী সংগঠনের বিলোপ সাধন পদ্ধতি ।
  • বাংলাদেশে কোম্পানী সংগঠনের বর্তমান অবস্থা ।
  • বাংলাদেশে কোম্পানী সংগঠনের ভবিষ্যত সম্ভাবনার দিকগুলো ।
  • সাম্প্রতিককালের বিকাশমান ব্যবসায়গুলোর ধারণা।

সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews