জনাব তসলিম নিজেকে সৎলোক হিসেবে পরিচয় দেন। কিন্তু তিনি সব সময় ছোট ছোট গোনাহর কাজগুলোকে তুচ্ছ ভেবে সেগুলো করে চলেন। তার ছোট ভাই রাফি সারা বছর কোনো ইবাদত না করলেও রমযান মাসের নির্দিষ্ট একটি রাতে প্রতিবছর ইবাদত করেন। তসলিমের বাবা আব্দুল করিম বিষয়টি জানতে পেরে উভয় ছেলেকে নিজস্ব মত ত্যাগ করে আল্লাহর নির্দেশ অনুসরণের জন্য উপদেশ দেন।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ইলমুল আহকাম্' হলো বিধিবিধান সম্পর্কিত জ্ঞান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

লাইলাতুল কদর বা কদর রাত্ অত্যন্ত মর্যাদাবান ও মহিমান্বিত রাত। আল্লাহ তায়ালা এ রাতে পবিত্র কুরআন নাযিল করেন। এ রাতের ইবাদত হাজার মাস একাধারে ইবাদত করার চাইতে উত্তম। আমাদের আয়ুষ্কাল খুবই সীমিত। এ অবস্থায় এ রাতে ইবাদত করলে আমাদের নেকির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। এটি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ নিয়ামতস্বরূপ। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে রহমত, বরকত ও শান্তির সওগাত দিয়ে প্রেরণ করেন। এ রাতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সুখ-শান্তি ও রহমত বিরাজ করতে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনাব তসলিমের কর্মকান্ড সূরা যিলযালের শিক্ষার পরিপন্থি।
ইসলাম
একদা একব্যক্তি একজন ফকিরকে সামান্য পরিমাণ দান করে সওয়াবের বিষয়ে জানতে চায়। তেমনই অপর এক ব্যক্তি যে কিনা খুব ছোট ছোট গুনাহ করত এবং তা থেকে নিজেকে বিরত রাখত না। এ দুই অবস্থার প্রেক্ষিতে আল্লাহ তায়ালা এ সূরাটি নাযিল করেন। তাছাড়া এ সূরার ৭ ও ৮নং আয়াতে বলা হয়েছে- কেউ অণু পরিমাণ সৎকাজ করলে তা দেখবে। আবার কেউ অণু পরিমাণ মন্দ কাজ করলে, তাও সে দেখতে পাবে। অর্থাৎ মানুষ দুনিয়াতে যেসব ভালো কাজ করবে তার প্রতিদান পাবে আর যেসব মন্দ কাজ করবে তারও প্রতিদানসে পাবে। আয়াত দুটির মর্মানুযায়ী মানুষ দুনিয়ার সব কাজকর্মের প্রতিফল পরকালে পাবে। তাই দুনিয়াতে মানুষের ওপর অর্পিত ইসলামের বিধিবিধান যেমন- নামায, রোযা পালন করলেও পরকালে তার পুরষ্কার পাবে।

তসলিমের ধারণাটি সঠিক নয়। কারণ সে মনে করে ছোটখাটো মন্দ' কাজের হিসাব আল্লাহ তায়ালা নিবেন না। তার এ ধারণার বিপরীত বক্তব্য সূরা যিলযালে বর্ণিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনাব রাফির কৃত ইবাদতটি লাইলাতুল কদরের নফল ইবাদত। তার ইবাদত সম্পর্কে আব্দুল করিমের মন্তব্য যথার্থ।
রমজান মাসে পবিত্র লাইলাতুল কদরে ইবাদত করা এক হাজার মাস ইবাদত করা অপেক্ষা উত্তম। এ রাতের ইবাদত নফল। নিয়মিত ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত পালনের পাশাপাশি নফল ইবাদত পালন করলে অনেক সাওয়াব পাওয়া যায়, অন্যথায় সাওয়াব হবে না।
রাফি সারা বছর কোনো ইবাদত 'করে না। অর্থাৎ সে সারা বছর নামায, রোজা ও কোনো প্রকার তাসবিহ তাহলিল আদায় করে না। তবে রমজান মাসের কদরের রাতে সে ইবাদত করে। মূলত নামায, রোজা ফরজ ইবাদত। আর লাইলাতুল কদরের ইবাদত হলো নফল ইবাদত। নিয়মিত ফরজ বাদ দিয়ে বছরে একটিমাত্র রাতে ইবাদত করে মুক্তি পাওনা সম্ভব নয়। এজন্য তার পিতা তাকে নিজস্ব মত পরিত্যাগ করতে বলেছেন। নিয়মিত ফরজ ইবাদত পালন করে নফল ইবাদত করলে তা ফলপ্রসূ হয়। কিন্তু ফরজ ইবাদত বাদ দিয়ে নফল ইবাদতকে অগ্রাধিকার দিলে তা শরিয়তে গ্রহণযোগ্য নয়।
শরিয়তের বিধান অনুসরণ করে ইবাদত করতে হয়। এ বিষয়টি বোঝানোর জন্য রাফির বাবা আব্দুল করিম উপরিউক্ত মন্তব্য করেন, যা সার্বিক বিবেচনায় যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
34

কুরআন ও হাদিস ইসলামি শরিয়তের প্রধান দুটি উৎস। ইসলামি শরিয়তের সকল বিধি-বিধান ও নিয়ম পদ্ধতি মূলত এ উৎসদ্বয় থেকেই গৃহীত। কুরআন মজিদ ও হাদিস শরিফে মানব জীবনের সকল সমস্যার মৌলিক নীতিমালা বর্ণনা করা হয়েছে। এসব মূলনীতির আলোকেই ইসলামের সকল বিধি-বিধান প্রণীত হয়েছে। কুরআন ও হাদিসের নীতিমালার বাইরে কোনো কিছু ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে হলে কুরআন মজিদ ও হাদিস শরিফ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। এ অধ্যায়ে আমরা আল-কুরআন ও হাদিসের কতিপয় বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
■ আল-কুরআনের পরিচয়, গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও শিক্ষা বর্ণনা করতে পারব।
■ তাজবিদের নুন সাকিন ও তানবিন, মীম সাকিনের নিয়ম বর্ণনা করতে পারব।
■ বিশুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াতে আগ্রহী হব ও পাঠ করতে পারব।
■ নির্বাচিত পাঁচটি সূরার পটভূমি (শানে নুযুল) বর্ণনা করতে পারব । নাযিরা তিলাওয়াতের আদব ব্যাখ্যা করতে পারব।
■ বিশুদ্ধ উচ্চারণে কুরআনের সূরা আল-কাদর, আল-যিলযাল, আল-ফিল, কুরাইশ এবং আন-নাস্অ র্থসহ মুখস্থ বলতে ও মূল বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
■ আয়াতুল কুরসি ও সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত মুখস্থ বলতে এবং অর্থ লিখতে পারব । নৈতিক ও আদর্শ জীবন গঠনের ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
■ মোনাজাতমূলক তিনটি হাদিস অর্থসহ বর্ণনা করতে পারব।
■ নৈতিক শিক্ষার ক্ষেত্রে হাদিসের গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।
■ কুরআন ও হাদিসের শিক্ষা অনুযায়ী সামাজিক ও নৈতিক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

লাইলাতুল কদর বা কদর রাত অত্যন্ত মর্যাদাবান ও মহিমান্বিত রাত। আল্লাহ তায়ালা এ রাতে পবিত্র কুরআন নাযিল করেন। এ রাতের ইবাদত হাজার মাস একাধারে ইবাদত করার চাইতে উত্তম। আমাদের আয়ুষ্কাল খুবই সীমিত। এ অবস্থায় এ রাতে ইবাদত করলে আমাদের নেকির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। এটি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ নিয়ামতস্বরূপ। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে রহমত, বরকত ও শান্তির সওগাত দিয়ে প্রেরণ করেন। এ রাতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সুখ-শান্তি ও রহমত বিরাজ করতে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
77
উত্তরঃ

মুহিবের দাদা বিশ্বজগৎ ধ্বংসের তথ্য সূরা আল-যিলযালে পেয়েছেন।
সূরা যিলযালে কিয়ামত বা মহাপ্রলয়ের অভিনব বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ যখন সমগ্র দুনিয়া ধ্বংস করে দেবেন তখন সবকিছু ওলটপালট হয়ে যাবে। কবর থেকে মানুষ বের হয়ে আসতে থাকবে। সমস্ত মানুষ সেই মহান দিনে নিজ নিজ কৃতকর্মের হিসাব প্রদান করতে থাকবে। প্রত্যেকে দুনিয়াতে করা তার প্রতিটি সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম পাপপুণ্যের হিসাব দিতে থাকবে এবং তা অনুযায়ী প্রতিদানস্বরূপ পুরষ্কার অথবা তিরষ্কারে ভূষিত হবে। উক্ত অবস্থার সাথে মুহিবের দাদার বক্তব্যের মিল রয়েছে। তিনি বলেছেন, "কোনো এক সময় এমন এক ভূমিকম্প সংঘটিত হবে, তখন গাছপালা খড়কুটোর মতো ভেসে যাবে, পাহাড়গুলো তুলোর মতো উড়বে; সব কিছু চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।" সুতরাং বলা যায়, মুহিবের দাদা বিশ্বজগৎ ধ্বংস সংক্রান্ত তথ্য সূরা আল-যিলযালে পেয়েছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
85
উত্তরঃ

মুহিবের দাদা 'মুক্তির সনদ' বলতে আল-কুরআনকে বুঝিয়েছেন। কেননা আল-কুরআনই বিশ্ববাসীকে হিদায়েতের সুপথ দেখাতে পারে।
মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সার্বিক দিক ও বিভাগের একটি সুসংহত ও সুসমন্বিত বিধান কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। এ মর্মে কুরআনে ইরশাদ হয়েছে- "এ হচ্ছে সমগ্র মানুষের বিধান, মুত্তাকিদের জন্য উপদেশ ও পথনির্দেশনা।" (সূরা আলে-ইমরান: ১৩৮) আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, "আমি এ কিতাবে কিছুই বর্ণনা করা বাদ রাখিনি।" (সূরা আন-আম ৩৮) অন্যত্র আল্লাহ বলেন, "হে বিশ্বমানবতা তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে এসেছে উপদেশ ও তোমাদের অন্তরে যা আছে তার প্রতিকার এবং বিশ্ববাসীদের জন্য পথনির্দেশস্বরূপ।" (সূরা ইউনুস: ৫৭) তিনি আরও

বলেন, "আমি তোমার প্রতি (হে মুহাম্মদ) এ কিতাব অবতীর্ণ করেছি যা আত্মসমর্পণকারীগণের জন্য সবকিছুর বিশদ বিবরণ সুস্পষ্ট পথনির্দেশক ও সুসংবাদ।" (সূরা আন-নাহল: ৮৯) আল্লাহ তায়ালা আরও বর্ণনা করেন- "এ কিতাব এটি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে তুমি মানুষদেরকে তাদের পালনকর্তা নির্দেশক্রমে বের করে নিয়ে আসতে পারে অন্ধকার থেকে আলোকময় জীবনে, তাঁর পথে যিনি পরাক্রমশালী, প্রশংসিত।" (সূরা ইবরাহিম: ১) উদ্দীপকের মুহিবের এক প্রশ্নের জবাবে তার দাদা বলেন, আমাদেরকে মুক্তির সনদ হিসেবে যে নির্ভুল গ্রন্থটি দেওয়া হয়েছে, তা অনুসরণ করা উচিত।
অতএব উক্ত আলোচনা হতে বোঝা যায়, আল-কুরআনই বিশ্বমানবতার মুক্তির সনদ। তাই এ গ্রন্থের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
78
উত্তরঃ

আবাবিল এক ধরনের ছোট ছোট পাখি। যা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে চলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
92
উত্তরঃ

আয়াতুল কুরসি অত্যন্ত বরকতময় আয়াত। রাসুল (স.) এ আয়াতকে সবচেয়ে উত্তম আয়াত বলে অভিহিত করেছেন। নবি (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পাঠ করে, তার জন্য বেহেশতে প্রবেশের পথে একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাধা থাকে না। (নাসাই) অর্থাৎ মৃত্যুর সাথে সাথেই সে বেহেশতের আরাম-আয়েশ উপভোগ করতে শুরু করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
122
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews