জনাব ফরিদ সাহেব একজন পরিকল্পনাবিদ। একটি সেমিনারে তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিকল্পনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতির পুনর্গঠন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে উন্নয়ন পরিকল্পনার কর্মসূচি হাতে নেয়। এ পর্যন্ত ৬টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও ১টি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদও শেষ হয়েছে। তার মতে, সরকারের আন্তরিকতা সত্ত্বেও আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনার অভিজ্ঞতা খুব একটা সন্তোষজনক নয়। উন্নয়ন পরিকল্পনা সফল করতে হলে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত ১০, ১৫, ২০ বা ২৫ বছর মেয়াদের ভিত্তিতে প্রণীত পরিকল্পনাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলে, যাকে প্রেক্ষিত পরিকল্পনাও বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও ১টি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে এবং তাদের মেয়াদকালও শেষ হয়েছে।
বর্তমানে একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনার আওতায় ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০১১-২০১৫) উন্নয়ন কার্যক্রম মাত্রই শেষ হয়েছে। মূলত ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করতে দ্রুততার সাথে পরিকল্পিত উন্নয়নের পথে অগ্রসর হয়। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কাজ শুরু করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জনাব ফরিদ সাহেব বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার অতীত অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কাজ শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত ৫টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও ১টি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে এবং তাদের মেয়াদকালও শেষ হয়েছে। বর্তমানে একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনার আওতায় ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০১১-২০১৫) উন্নয়ন কার্যক্রম মাত্রই শেষ হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো হলো- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮), দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-১৯৮০), দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫), তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০), চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫), পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২), ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১০-২০১৫), প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১) ইত্যাদি। এসব পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উচ্চহারে প্রবৃদ্ধি অর্জন। এসব উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি রচিত হলেও পরিকল্পনাগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফল হয়নি। তবে ধীরে ও নিম্নহারে এ দেশের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে এবং সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে।

অতএব বলা যায়, জনাব ফরিদ বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে উল্লিখিত অভিজ্ঞতাই ব্যক্ত করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনার কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। নিচে তা আলোচনা করা হলো-

প্রথমত, বাংলাদেশের উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য টেকসই উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান ও আয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে উপাদানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা, ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি ও পরিবেশসহ উৎপাদনের সব ক্ষেত্রে সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জোরালো প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি জনসংখ্যার বৃদ্ধি হ্রাস করার ব্যাপারে জোর প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সামর্থ্য রাখে। তাই সঠিকভাবে উৎসাহিত করা সম্ভব হলে বাংলাদেশ নিজের দেশের চাহিদা মিটিয়ে খাদ্য রপ্তানিও করতে পারে। নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ করা, সমাজের সব অংশে নারীদের জন্য সমসুযোগ প্রতিষ্ঠা, তাদের চাহিদা, অধিকার ও অবদানের বিষয়গুলো জোরদার করতে হবে।

সুশাসন নিশ্চিত করার স্বার্থে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন রয়েছে। তাই কতগুলো মূল বিষয়ের উপর জরুরি ভিত্তিতে নজর দেওয়া এবং কতগুলো প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে। দক্ষতার সাথে মৌলিক সেবাগুলো সরবরাহের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন শক্তিশালীকরণ, স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদারকরণ এবং বাজেট প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত কার্যক্রম করতে পারলে উন্নয়ন পরিকল্পনার কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যেতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
36

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণত কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে যেসব কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে জাতীয় স্বার্থে সেগুলো অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে এগুলো একত্রে বাস্তবায়ন সম্ব হয় না। তাই এসব কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়। তাই বলা যায়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সমষ্টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
82
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রশিদের কাজের ধারা স্বল্পমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনাকে নির্দেশ করছে।

এ ধরনের পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে দ্বি-বার্ষিক ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলা হয়। বাণিজ্যের প্রসার, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্য সামাজিক স্বার্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন করা দরকার। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এক বছরের বেশি অথচ সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সময়সীমা বিবেচনা করে এই পরিকল্পনা করা হয়। সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অনিশ্চয়তা হ্রাস করে। এ ধরনের পরিকল্পনায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথ ত্বরান্বিত করার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। উন্নয়ন কর্মসূচিগুলোর সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

অতএব বলা যায়, স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা এমন কিছু পরিকল্পনা, যেখানে জাতীয় স্বার্থ অন্তর্নিহিত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
73
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রশিদের কাজের ধারা স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে। আবার ইউনুসের কাজের ধারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে নির্দেশ করছে। এ দুই ধরনের পরিকল্পনা দেশের উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত। নিচে এই দুই ধরনের পরিকল্পনার তুলনা করা হলো-

সাধারণ সময়সীমার মধ্যে কতগুলো সুনির্দিষ্ট আর্থসামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাকে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। পক্ষান্তরে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য কোনো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্বাচন করে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলে।
সাধারণত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সময় ১-৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মেয়াদ ১০-২৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ভেতর ব্যক্তির ক্ষুদ্রস্বার্থ বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থ ক্ষুদ্র স্বার্থ অপেক্ষা অগ্রাধিকার পায়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা একটি অস্থায়ী পরিকল্পনা। এর মধ্যে অর্থনৈতিক অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থাকতে পারে। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভেতর অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তসমূহের স্থয়িত্ব, অস্তিত্ব, সঠিক কর্মদক্ষতা ও দিকনির্দেশনা থাকে। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা অর্থনৈতিকভাবে কম কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা গ্রহণে সহায়ক। পক্ষান্তরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অর্থনৈতিকভাবে অধিক কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা গ্রহণে সহায়ক।

অতএব স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
79
উত্তরঃ

পাঁচ বছরের বেশি অথচ সর্বোচ্চ পনেরো বছর পর্যন্ত সময়সীমার পরিকল্পনাই মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
72
উত্তরঃ

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় ১৯৭৩ সালে। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সরকারি খাতের ব্যয় বরাদ্দের ৮১% ও বেসরকারি খাতের ব্যয় বরাদ্দের ৪৯.১১% অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হয়। বার্ষিক জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৫.৫-এর স্থলে প্রকৃত বৃদ্ধি হয়েছিল ৪% হারে। বার্ষিক মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য ২.৫% ধরা হলেও পরিকল্পনা শেষে তা বার্ষিক ১.১% হারে বৃদ্ধি পায়। জিডিপির বার্ষিক ১৫.২% হারে সঞ্চয় আহরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সঞ্চয় আহরণের হার ছিল ৩.৯%।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
100
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews