জনাব মামুন একজন সৎ মানুষ। মানুষের সাথে তিনি সর্বদা ভালো ব্যবহার করেন। কেউ তার সাথে চরম দুর্ব্যবহার  করলেও তিনি তা হাসিমুখে গ্রহণ করেন। দুঃখ-কষ্ট, বিপদ  আপদে মুষড়ে না পড়ে দৃঢ়তার সাথে তা সহ্য করেন। তার এরূপ - আচরণে পরম শত্রুরাও তার বন্ধু হয়ে যায়।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ইহসান শব্দের অর্থ সুন্দর করা, কষ্ট দূর করা, অনুগ্রহ করা, উপকার করা ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জিকিরের মাধ্যমে মানুষের মন হালকা হওয়ার মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি লাভ হয়। জিকির করার মাধ্যমে আল্লাহ ও বান্দার মধ্যে এক অদৃশ্য যোগসূত্র তৈরি হয়। ফলে বান্দার অস্থির ও চঞ্চল চিত্ত স্থির হয় এবং আল্লাহর অনুগ্রহে পরিতৃপ্ত হয়ে প্রশান্তি লাভ করে। জিকিরের মাধ্যমে ব্যক্তি সবসময় নিজের কাছে আল্লাহর উপস্থিতি অনুভব করে। আল্লাহর ক্ষমতা ও রহমতের ব্যাপারে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। এভাবেই জিকির মানসিক প্রশান্তি দান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জনাব মামুনের মধ্যে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সবরের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সবর বা ধৈর্য আখলাকে হামিদার একটি উপাদান। সবরের শাব্দিক অর্থ- সহ্য করা, বিরত থাকা, বিচলিত না হওয়া, অটল থাকা। তাই দুঃখ-কষ্ট, রোগ-শোক, বিপদাপদ ও বালা-মুসিবতে কোনোরূপ বিচলিত না হয়ে অটল ও অবিচল থাকার নাম সবর। এটা মানুষের নৈতিক চরিত্রের এক মহৎ গুণ।

জনাব মামুন একজন সৎ মানুষ। মানুষ তার সাথে খারাপ ব্যবহার করলেও তিনি ভালো ব্যবহার করেন। দুঃখকষ্ট, বিপদাপদে মুষড়ে না পড়ে দৃঢ়তার সাথে তা সহ্য করেন। তাঁর এরূপ আচরণে পরম শত্রুরাও তার বন্ধু হয়ে যায়, যা তার সবরের পরিচয় বহন - করে। পরিশেষে বলা যায় যে, জনাব মামুন নিজের মধ্যে এই সবরের গুণ ধারণ করেছেন।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জনাব মামুনের এরূপ আচরণ অর্থাৎ সবরের সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। জনাব মামুন মানুষের সাথে সর্বদা ভালো ব্যবহার করেন। কেউ তার সাথে চরম দুর্ব্যবহার করলেও তিনি তা হাসিমুখে গ্রহণ করেন। এছাড়া দুঃখ-কষ্ট, বিপদাপদে মুষড়ে না পড়ে দৃঢ়তার সাথে তা সহ্য করেন। তার এ আচরণ সবরের নামান্তর। এরূপ আচরণ সমাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কেননা পারস্পরিক লেনদেন ও আচরণে সবর অবলম্বন করা না হলে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। সবরের  অভাবে ব্যক্তি নিজের ক্রোধ ও রাগ প্রশমিত করতে পারে না। ফলে পারস্পরিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখা যায় না। সমাজের সদস্যরা পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল হলে সমাজ উন্নত হয়। সমাজের সমৃদ্ধি ও সচ্ছলতা নিশ্চিত হয়।

নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন ধৈর্যের। ধৈর্য ধারণ না করার কারণে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে বিপর্যয় নেমে এসেছে অনেকবার। সেজন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণের জন্যও ধৈর্যের অনুশীলন অনিবার্য। সুতরাং জনাব মামুনের আচরণের সামাজিক গুরুত্ব অত্যধিক। আমাদের সবাইকে সবর বা ধৈর্যের সাথে কাজ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
133

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি শরিয়ত নির্দেশিত বৈধ উপায়ে উপার্জন করাকে হালাল উপার্জন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
349
উত্তরঃ

পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা ইসলামি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সালাম অর্থ শান্তি। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী এক মুসলমানের সঙ্গে অন্য মুসলমানের দেখা হলে প্রথমে সালাম বিনিময় করে। এর মাধ্যমে অন্যের শান্তি তথা কল্যাণ কামনা করা হয়। সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালামের উত্তর না দিলে ইসলামের বিধান অনুযায়ী সে গুনাহগার হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
410
উত্তরঃ

আবদুল বাতেন তার ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম- পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখার জন্য ইসলাম শিক্ষা অধ্যয়ন করতে বলেছেন। যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। এটি কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা, হালাল উপার্জন ও কর্মমুখী জীবন গঠন, দুনিয়ার কল্যাণ ও আখিরাতে মুক্তিলাভ প্রভৃতি ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য। আবদুল বাতেন তার ছেলেকে এ বিষয়টি অধ্যয়ন করতে বলেছেন।

উদ্দীপকের আবদুল বাতেন তার একমাত্র ছেলেকে আল্লাহর ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি ও হালাল-হারামের বিধান শেখানোর জন্য একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়ন করতে বলেন। তিনি এখানে ইসলাম শিক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ইসলামের বিধিবিধান এবং আল্লাহর ইবাদতের পদ্ধতি শেখানো, জীবনের সবক্ষেত্রে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করা এবং ব্যক্তির চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। ইসলাম শিক্ষা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ প্রদর্শন করে এবং অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে। আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সংরক্ষণ করাও ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
325
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে আবদুল বাতেন হালাল-হারামের বিধান মেনে চলেন। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। আবদুল বাতেন দৈনন্দিন জীবনে এ বিধানটি মেনে চলার চেষ্টা করেন।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, জনাব আবদুল বাতেন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করেন। তিনি হালাল পথে উপার্জন করেন। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করেন। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের প্রধান পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন। হারাম বা অবৈধ জিনিস প্রহণের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এর জন্য পরকালে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
272
উত্তরঃ

হাক্কুল্লাহ বলতে আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্যকে বোঝায়। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। আল্লাহর প্রতি মানুষের কর্তব্য পালনের মানে হচ্ছে যথাযথভাবে তার ইবাদত করা। জীবনের সবক্ষেত্রে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলা। যেকোনো অবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা এবং তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করা। তার নেয়ামতের শোকর করা এবং সুখে-দুঃখে তার ওপর ভরসা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
604
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews