জনাব মারুফ কয়েকদিন আগে একটি রাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, ওই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় ও সেবা কার্যক্রমে অনলাইনের কোনো ব্যবহার নেই। প্রশাসনের কর্মকর্তারা অদক্ষ ও দুর্নীতিপরায়ণ। জনগণকে সরকারি তথ্যও এখানে জানতে দেওয়া হয় না। রাষ্ট্রটিতে সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক নেই। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স হলো ইলেকট্রনিক গভর্ন্যান্স। অর্থাৎ প্রযুক্তিচালিত গভর্ন্যান্সকেই ই-গভর্ন্যান্স বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ বলতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হাতে স্বাধীনভাবে ক্ষমতা অর্পণ করাকে বোঝায়। ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের ক্ষেত্রে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারের প্রশাসনিক কর্তৃত্ব কেন্দ্রীয় পর্যায়ে না

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আলোচিত রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় সুশাসনের অভাব রয়েছে।

আইনের শাসনের উন্নততর রূপ হচ্ছে সুশাসন। একটি রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা প্রথম ও প্রধান কাজ। কেননা রাষ্ট্রে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে রাষ্ট্রে ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা চালু হবে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা দক্ষ ও ন্যায়পরায়ণ হবে, জনগণ ব্যাপকহারে রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে, সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে এবং রাষ্ট্রের সার্বিক, উন্নয়ন ঘটবে। কেননা সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা চালু হওয়া। রাষ্ট্রে যদি ই-গভর্ন্যান্স চালু হয় তাহলে রাষ্ট্রের জনগণ ই-সেবার আওতায় চলে আসবে এবং সহজেই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হয় তাহলে প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেদের কাজের ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জবাবদিহি করে থাকবেন। যে কারণে তাদের কাজের মধ্যে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা আসবে। সর্বোপরি রাষ্ট্রে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে জনগণ প্রশাসনের বা সরকারের বিভিন্ন তথ্য সহজেই জানতে পারবে এবং সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হবে। উপরিউক্ত আলোচনায় যে বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়েছে উদ্দীপকের আলোচিত রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় এ বিষয়গুলোর অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। যা উদ্দীপকের রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় সুশাসনের অভাবকে নিশ্চিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রাষ্ট্রটির শাসনব্যবস্থার উন্নয়নে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, কর্মকর্তাদের দক্ষতা, দুর্নীতি প্রতিরোধ, তথ্য প্রাপ্তির সহজলভ্যতা এবং শাসকদের সাথে জনগণের সম্পর্কে উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি। যেমন-
কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি: একটি রাষ্ট্রের প্রশাসনে যারা কাজ করে তারা যদি দক্ষ না হয় তাহলে সেই রাষ্ট্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কেননা কর্মকার্তাদের দক্ষতার ওপরই রাষ্ট্রের সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে।
দুর্নীতি প্রতিরোধ: দুর্নীতি এমন একটা বিষয় যা যেকোনো দেশের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা। এজন্য উদ্দীপকের রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য অবশ্যই রাষ্ট্রের দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে।
তথ্যপ্রাপ্তির সহজলভ্যতা: তথ্যপ্রাপ্তির সহজলভ্যতা একটি রাষ্ট্রের জনগণকে রাষ্ট্র সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে। তথ্য পাওয়ার মাধ্যমে জনগণ জানতে পারে রাষ্ট্র কীভাবে, কোন দিকে পরিচালিত হচ্ছে। এভাবে জনগণ রাষ্ট্রের ভালো-মন্দ জানার মাধ্যমে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহী হতে পারে। যা রাষ্ট্রের উন্নয়ন ঘটায়।
শাসক-শাসিতের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি কোনো রাষ্ট্রে শাসক-শাসিতের মধ্যে যদি সুসম্পর্ক বিরাজ না করে তাহলে সেই রাষ্ট্রে কখনোই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য উদ্দীপকের রাষ্ট্রটির শাসন ব্যবস্থায় উন্নয়নের জন্য অবশ্যই সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করতে হবে।
এসব পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
64
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
228
উত্তরঃ

সাধারণভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনের অস্থিতিশীল পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলা হয়। একটু ব্যাপকভাবে বলতে গেলে ভঙ্গুর গণতান্ত্রিক পরিবেশে যখন রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার অভাবহেতু পারস্পরিক অবিশ্বাস, সন্দেহ, কোন্দল এবং হানাহানি ও সহিংসতা দেখা দেয়, সেই পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। এর ফলে গণতন্ত্র ব্যাহত হয়, নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে না। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সুশাসনের অন্তরায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
744
উত্তরঃ

ক' দেশটির উল্লিখিত সমস্যাগুলো সামাজিক সমস্যা। কোনো দেশের আর্থসামাজিক বিপর্যয়ের ওপর নির্ভর করে এ ধরনের সামাজিক সমস্যার জন্ম হয়। এরূপ সামাজিক সমস্যা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে থাকে। যেমন অধিক জনসংখ্যা একটি সামাজিক সমস্যা, কিন্তু এটি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে, পরিবেশ বিপন্ন করে, সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে, রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে থাকে। অধিক জনসংখ্যা শিক্ষা বিস্তারে বাধার কারণ হয়। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, অপরাধপ্রবণতা বাড়ে অর্থাৎ একটি সমস্যা থেকে একাধিক সমস্যার উৎপত্তি হয়। উদ্দীপকের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। এসব মূলত সামাজিক সমস্যা হলেও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যারও সৃষ্টি করে থাকে। যেকোনো দেশের জন্য এসব সমস্যা সুশাসনের অন্তরায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পথে এসব সমস্যা যখন বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। আর সুশাসনের অন্তরায় দুঃশাসনকে টেনে আনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
181
উত্তরঃ

সুনাগরিকগণ একটি দেশের সর্বোত্তম সম্পদ। একটি দেশের অগ্রগতি, উন্নতি নির্ভর করে সুনাগরিকদের কাজের ওপর। 

কোনোদেশের সরকারের একার পক্ষে দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। জনগণ ও সরকার সম্মিলিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে। উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশটির সমস্যা সমাধানেও নাগরিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোনো দেশের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধান সরকার যত কার্যক্রমই গ্রহণ করুক না কেন, জনগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া তা সম্ভব নয়। জনসংখ্য পরিকল্পনায় প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সচেতনতা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আবশ্যক। শিক্ষা বিস্তারে দেশের জনগণ সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে। শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিটি নাগরিককে এক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। যারা শিক্ষার আলো থেকে দূরে, তাদেরকে শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়। শিক্ষাই উন্নতির সোপান, কথাগুলো শিক্ষা বঞ্চিতদেরকে বোঝাতে হবে।

সন্ত্রাস ও দুর্নীতি একটি দেশের জন্য অভিশাপস্বরূপ। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সমাজেরই অংশ। নাগরিকদের একটি অংশই এ কাজে যুক্ত থাকে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকেই সজাগ থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে দুর্নীতি থেকে মুক্ত থাকে, সেজন্য নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। দুর্নীতিবাজদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি দূর করা খুবই সহজ কাজ। এ ব্যাপারে নাগরিকদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
183
উত্তরঃ

শাসন প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খল, কাঠামোবদ্ধ ও আদর্শ এমন রূপকে সুশাসন বলা হয় যেখানে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ, সংবেদনশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং কার্যকর শাসন পদ্ধতি চালু থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
519
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। আইনের
শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন
প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও
রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন

নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ। 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
290
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews