প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে উৎপাদনের উপকরণসমূহকে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সংগ্রহ, সংগঠন ও পরিচালনা করার কৌশলকে ব্যবস্থাপনা বলে।
ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বলতে সকল ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার আবশ্যকতা বা ব্যবস্থাপনা জ্ঞানের প্রয়োগযোগ্যতাকে বোঝানো হয়ে থাকে।
ব্যবস্থাপনার কাজের ধরন ও প্রকৃতি অবস্থাভেদে কিছুটা ভিন্ন হলেও মৌলিকত্বের বিচারে তেমন কোনো ভিন্নতা নেই। পরিবার, রাষ্ট্র এমনকি বিশ্বের সকল দেশের সকল প্রতিষ্ঠানে, সকল সাংগঠনিক স্তর, সংগঠনের সকল কাজের ক্ষেত্রে, ক্ষুদ্রায়তন-বৃহদায়তন সকল প্রতিষ্ঠানে উদ্দেশ্য অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হলো ব্যবস্থাপনা। ব্যবস্থাপনার সর্বজনীনতা বলতে মূলত বিশ্বজুড়ে সর্বক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার প্রয়োগযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে বোঝানো হয়। তাই বলা যায় ব্যবস্থাপনা একটি সর্বজনীন বিষয়।
জনাব মাহতাব, জনাব রায়হান ও জনাব কাদের যথাক্রমে ব্যবস্থাপনার উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন স্তরে কর্মরত আছেন।
প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও নীতিনির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, কৌশল ও পরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে ব্যবস্থাপনার উচ্চ পর্যায় সম্পৃক্ত থাকে মধ্যম পর্যায় উচ্চ পর্যায়ে গৃহীত লক্ষ্য, নীতি, কৌশল ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ, উপায়-উপকরণাদি সংগঠিতকরণ, পরিচালনা, নেতৃত্ব প্রদান, সমন্বয় এবং নিয়ন্ত্রণকার্য পরিচালনা করে। মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা কর্তৃক গৃহীত পরিকল্পনা ও নীতি-কৌশল মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনাকে নিম্ন পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা বলে।
উদ্দীপকে মাহতাব কোম্পানির উদ্দেশ্য নির্ধারণ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, প্রণয়নকৌশল নির্ধারণ ও অর্থসংস্থানের মতো সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত। জনাব রায়হান সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান ও সমন্বয়সাধন করে থাকেন। জনাব কাদের শ্রমিকদের কাছাকাছি থেকে কারখানার কার্য তদারকি করেন। যা যথাক্রমে ব্যবস্থাপনার উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন স্তরের ব্যবস্থাপনার সাথে সংগতিপূর্ণ। সুতরাং উদ্দীপকের জনাব মাহতাব, জনাব রায়হান ও জনাব কাদের যথাক্রমে ব্যবস্থাপনার উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন স্তরে কর্মরত আছেন।
'ব্যবস্থাপনা স্তরসমূহে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সমন্বিত কাজ প্রতিষ্ঠানের সফলতার বড় কারণ'- বক্তব্যটি যথার্থ।
বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের কাজকে একসূত্রে গ্রথিত ও সংযুক্ত করার কাজকে সমন্বয় বলে। একটি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগ কাজ করে। প্রতিটি ব্যক্তি ও বিভাগ যদি সমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের কাজ সম্পাদন করে তবে প্রতিষ্ঠান সহজেই তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারে।
উদ্দীপকে মাহতাব কোম্পানির উদ্দেশ্য নির্ধারণ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, প্রণয়নকৌশল নির্ধারণ ও অর্থসংস্থানের মতো সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত। জনাব রায়হান সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান ও সমন্বয়সাধন করে থাকেন। জনাব কাদের শ্রমিকদের কাছাকাছি থেকে কারখানার কার্য তদারকি করেন। কোম্পানির উদ্দেশ্য অর্জনে সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করে। ফলে ব্যবস্থাপকীয় উদ্দেশ্য অর্জন সহজতর হয়।
প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি স্তরের ব্যবস্থাপকগণ একে অন্যের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের কার্য সম্পাদন করেন। ফলে সহজেই ব্যবস্থাপকীয় উদ্দেশ্যার্জন ত্বরান্বিত হয়েছে। সুতরাং 'ব্যবস্থাপনা স্তরসমূহে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সমন্বিত কাজ প্রতিষ্ঠানের সফলতার বড় কারণ'- বক্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!