প্রতি একক উৎপাদনের সাথে সাথে যে ব্যয় সমান হারে বৃদ্ধি পায় তাকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে
কাম্যমাত্রার উৎপাদন একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক।
কাম্যমাত্রার উৎপাদন হলো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন অবস্থার এমন একটা পর্যায় যেখানে গড় ব্যয় সর্বনিম্ন হয়। এক্ষেত্রে উৎপাদনের গড় ব্যয়। সর্বনিম্ন হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনের অন্যান্য উপকরণের যথাযথ। ব্যবহারও নিশ্চিত হয়। কাম্যমাত্রার উৎপাদনে এককপ্রতি ব্যয় কম হয়। ফলে এককপ্রতি মুনাফা বেশি হয় এবং সামগ্রিক মুনাফা বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, কাম্যমাত্রার উৎপাদনকার্য পরিচালনা প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক।
উদ্দীপকের কলমের কারখানাটির উৎপাদন অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
যে উৎপাদন ধারণায় উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি করা হলে এককপ্রতি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেতে থাকে তাকে অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা বলে। অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রার ধারণাটি মিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা ধারণার বিপরীত।
উদ্দীপকের জনাব মোরশেদের কলমের কারখানায় প্রতিদিন ১,০০০টি কলম উৎপাদন করা হয়। পরবর্তীতে একই যন্ত্রপাতি ও জনবল। ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি ১,১০০টি কলম উৎপাদন করে যা এর গড়। বায় হ্রাস করে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি মিতব্যয়িতা অর্জন করলেও। তাদের কলম উৎপাদন আরও বাড়িয়ে ১,২০০ তে উন্নীত করা হলে প্রতিষ্ঠানটির গড় ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এখানে লক্ষণীয়, কলমের উৎপাদন ১,০০০টি থেকে পর্যায়ক্রমে ১,১০০ ও ১,২০০টিতে উন্নীত করায় এক পর্যায়ে এককপ্রতি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পেলেও পরবর্তীতে এককপ্রতি। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায় যা অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রার সাথে। সামঞ্জস্যপূর্ণ। অর্থাৎ উদ্দীপকের কলমের কারখানাটির উৎপাদন। অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ যা দেশের কলমের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
উৎপাদনকারী শিল্পের ক্ষেত্রে কোনো শিল্পের ভূমি ও কারখানা দালান বাদে স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য ন্যূনপক্ষে ৫০ লাখ থেকে ১০ কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা ২৫ থেকে ৯৯ জনের মধ্যে সীমিত হলে তাকে ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ বলে।
উদ্দীপকের জনাব মোরশেদ কলমের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনা করে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি কলম উৎপাদনের কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মীসংখ্যা ৭০ জন।
বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ এবং শ্রমিকের সংখ্যা বিবেচনায় কারখানাটি একটি ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ যা উৎপাদিত পণ্য দ্বারা জনগণের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখছে। ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ সরাসরি পণ্য বা সেবা উৎপাদন কাজে নিয়োজিত থাকে। তাই তারা ক্রেতাদেরকে নতুন নতুন পণ্য বা সেবা প্রদানের জন্য সর্বদা চেষ্টা করে। তাছাড়া । ক্রেতাদের সাথে মালিকের সরাসরি যোগাযোগের ফলে উৎপাদিত পণ্যের উন্নয়নে তাদের মতামত নিতে সহজ হয়। এতে কলমের নতুন নতুন ব্যবহার উদ্ভাবন সম্ভব হয়। ফলে সকল শ্রেণির কেতার চাহিদা ও পছন্দ অনুযায়ী কলম সরবরাহ সম্ভব হয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত কলমের কারখানাটি ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ হিসেবে দেশের কলমের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allউৎপাদনের বিভিন্ন কলাকৌশল প্রয়োগ করে মোট যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা হয় তাকে উৎপাদনমাত্রা বলে।
কাম্যমাত্রায় উৎপাদন করা প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক।
কাম্য উৎপাদনমাত্রা হলো উৎপাদনের এমন একটি স্তর যেখানে সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ পণ্য উৎপাদিত হয়। এই উৎপাদনযাত্রায় শুধু উৎপাদন ব্যয়ই সর্বনিম্ন হয় না; বরং উৎপাদনের অন্যান্য উপকরণেরও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। ফলে কাম্য উৎপাদনমাত্রায় প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি গড় উৎপাদন ব্যয় এককপ্রতি সর্বনিম্ন হয়, এতে প্রতিষ্ঠানের এককপ্রতি মুনাফা বেশি হয়ে সামগ্রিক মুনাফা বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, কাম্য উৎপাদনমাত্রা প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক।
উৎপাদনযাত্রার ধরণ অনুযায়ী 'বোমা ফেব্রিক্স বর্তমানে বৃহদায়তন শিল্প শিল্পনীতি ২০১০ অনুযায়ী।
উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভবন ব্যাতীত স্বারী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক এবং শ্রমিকের সংখ্যা ১৫০ জনের অধিক তাকে বৃহদায়তর শিল্প বলে। এ ধরনের শিল্পে পর্যান্ত মূলধন, ব্যাপক কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সামর্থ্য এবং প্রচুর জনবল বিদ্যমান থাকে।
উদ্দীপকে 'সোমা ফেব্রিক্স' একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটিতে ২০১৬ সালে মোট স্বারী সম্পদের মূল্য ছিল ২৭ কোটি টাকা এবং শ্রমিকসংখ্যা ছিল ২১৫ জন। সম্প্রতি বাজাবে তাদের উৎপাদিত পোশাকের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংক থেকে ১০ কোটি টাকার ঋণ সংগ্রহ করে এবং আরও ৫৫ জন নতুন শ্রমিক নিয়োগ করে। এতে তাদের মোট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৩৭ কোটি টাকা এবং শ্রমিকসংখ্যার পরিমাণ ২৭০ জন। উপ্ত সম্পদ ও শ্রমিকসংখ্যার পরিমাণের সাথে বৃহদায়তন শিল্পের ফিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উৎপাদনযাত্রার ধরন অনুযায়ী 'সোমা ফেব্রিক্স' বর্তমানে বৃহদায়তন
উদ্দীপকে সোমা ফেব্রিক্স হলো বৃহদায়তন শিল্প এবং রিতা ফেরিঙ্গ হলো ক্ষুদ্র শিল্প শিল্পনীতি ২০১০ অনুযায়ী। এ দুটি শিল্পের মধ্যে সোনা ফেব্রিক্স দেশের কর্মসংস্থানে বেশি অবদান রাখতে।
উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জনি ও কারখানা ভবন বারীত স্বায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক এবং শ্রমিকের সংখ্যা ২৫০ জনের অধিক তাকে বৃহদায়তর শিল্প বলে। উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভরণ ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫০ লক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা এবং শ্রমিকের সংখ্যা ২৫-৯৯ জনের মধ্যে থাকে তাঁকে স্কুল শিল্প বলে।
উদ্দীপকে 'সোমা ফেব্রিক্স' একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে মোট সম্পদের মূল্য হলো ৩৭ কোটি টাকা এবং শ্রমিকসংখ্যার পরিমাণ ২৭০ জন। তাদের প্রতিষ্ঠানটির সাবে বৃহদায়তন শিল্পের মিল থাকায় তাদের প্রতিষ্ঠানটি একটি বৃষনায়তন
উৎপাদনের বিভিন্ন কলাকৌশল প্রয়োগ করে মোট যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা হয় তাকে উৎপাদনমাত্রা বলে।
উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫০ লক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা এবং শ্রমিকের সংখ্যা ২৫-৯৯ জনের মধ্যে থাকে তাকে ক্ষুদ্র শিল্প বলে (শিল্পনীতি ২০১০ অনুযায়ী)।
উদ্যোক্তা নিজেই সাধারণত এ ধরনের ব্যবসায় পরিচালনা করে। তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে উদ্যোক্তা খুব সহজে ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। অন্য পক্ষের কাছে কোনো ধরনের জবাবদিহিতা না থাকায় উদ্যোক্তা নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারায় প্রতিষ্ঠানের সফলতা অর্জন করা সহজ হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!