জনাব 'ম' ব্যবসা করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন। তিনি পরকালে পুরস্কার পাওয়ার আশায় গরীব, ইয়াতিম ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদয় আচরণ করেন। তাছাড়া আল্লাহ তায়ালার ইবাদতের ক্ষেত্রে তিনি লৌকিকতা পছন্দ করেন না। পক্ষান্তরে জনাব 'ন' মাদক ব্যবসা করে অনেক অর্থ উপার্জন করেন এবং বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন। তার উপার্জন সম্পর্কে জানতে পেরে ইমাম সাহেব বলেন, "এ ধরনের উপার্জনের পরিণতি দুনিয়া ও আখিরাতে অত্যন্ত ভয়াবহ।"

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ সিহাহ সিত্তাহ হলো সুন্নি ইসলামের ছয়টি প্রধান ও বিশুদ্ধ হাদিস সংকলন। এগুলি মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

আল-হাদিস হলো পবিত্র কুরআনুল কারিমের বিশদ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। কুরআনুল কারিমে বর্ণিত মূলনীতি, বিধানাবলি ও নির্দেশাবলিকে বাস্তব জীবনে কীভাবে প্রয়োগ করতে হবে, তা হাদিসের মাধ্যমেই সুস্পষ্টভাবে জানা যায়।

পবিত্র কুরআনুল কারিম মানবজাতির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, যেখানে অনেক নির্দেশ সংক্ষিপ্ত ও সাধারণ আকারে প্রদান করা হয়েছে। মহানবী (সা.) তাঁর কথা, কাজ ও অনুমোদনের (সুন্নাহ) মাধ্যমে কুরআনের সেসব সংক্ষিপ্ত নির্দেশাবলিকে বিস্তারিতভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং এর ব্যবহারিক দিক প্রদর্শন করেছেন। যেমন, কুরআনে সালাত আদায়ের নির্দেশ থাকলেও এর নিয়মাবলী হাদিস থেকেই জানা যায়। তাই হাদিস ছাড়া কুরআনের পূর্ণাঙ্গ মর্মার্থ অনুধাবন ও অনুসরণ করা সম্ভব নয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

জনাব 'ম' এর মধ্যে সূরা মাউন-এর শিক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। এই সূরায় এতিম ও মিসকিনদের প্রতি দয়া প্রদর্শন এবং ইবাদতে রিয়া বা লৌকিকতা পরিহার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সূরা মাউন পবিত্র কুরআনের একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সূরা। এই সূরায় আল্লাহ তাআলা সেই সকল ব্যক্তিকে ধিক্কার দিয়েছেন যারা দ্বীনকে অস্বীকার করে, এতিমদের প্রতি কঠোর আচরণ করে, অভাবগ্রস্তদের খাদ্যদানে উৎসাহিত করে না এবং তাদের নামাজে উদাসীন থাকে ও লোক দেখানোর জন্য ইবাদত করে। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা সমাজে এতিম ও অসহায়দের প্রতি সহানুভূতি এবং ইবাদতে নিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব 'ম' ব্যবসা করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন এবং পরকালে পুরস্কার পাওয়ার আশায় গরীব, ইয়াতিম ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদয় আচরণ করেন। তার এই কাজগুলো সূরা মাউনে বর্ণিত এতিম ও মিসকিনদের প্রতি দয়া প্রদর্শনের শিক্ষাকে ধারণ করে। উপরন্তু, তিনি আল্লাহ তায়ালার ইবাদতের ক্ষেত্রে লৌকিকতা পছন্দ করেন না, যা সূরা মাউনে নিন্দিত লোক দেখানো ইবাদতের বিপরীত একটি উত্তম গুণ। অতএব, জনাব 'ম' এর কার্যকলাপে সূরা মাউন-এর শিক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

জনাব 'ন'-এর মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত উপার্জন সম্পর্কে ইমাম সাহেবের মন্তব্য অত্যন্ত যথার্থ ও সময়োপযোগী। ইসলামে হালাল উপার্জনের প্রতি ব্যাপক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং হারাম উপার্জন থেকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। মাদক ব্যবসা সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি, যা অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে চরম ধ্বংস ডেকে আনে।

উদ্দীপকে জনাব 'ন' মাদক ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন করেন, যা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম ও কবিরা গুনাহ। মাদক মানুষকে শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও নৈতিকভাবে ধ্বংস করে দেয়। মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ সমাজকে কলুষিত করে এবং এর প্রভাব একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার পথে বড় বাধা। এ ধরনের উপার্জন আল্লাহর ক্রোধের কারণ এবং এতে কোনো বরকত থাকে না। ইমাম সাহেব অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে এই উপার্জনের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছেন।

দুনিয়াতে মাদক ব্যবসার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। মাদক ব্যবসায়ীরা আইনের চোখে অপরাধী এবং তাদের শাস্তি ভোগ করতে হয়। এই অবৈধ ব্যবসার কারণে সমাজে অশান্তি, বিশৃঙ্খলা ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। মাদকাসক্তদের পরিবারের সদস্যরা দুর্ভোগ পোহায় এবং তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। মাদক থেকে অর্জিত সম্পদ সাময়িক ভোগ-বিলাস এনে দিলেও তা মানসিক শান্তি কেড়ে নেয় এবং সমাজে নিন্দিত করে। ফলে পার্থিব জীবনেই এর কুফল ভোগ করতে হয়।

আখিরাতেও জনাব 'ন'-এর উপার্জনের পরিণতি আরও মারাত্মক। হারাম উপার্জনের কারণে আল্লাহ তায়ালার কাছে জবাবদিহি করতে হবে এবং এর জন্য কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে শরীর হারাম খাদ্য দ্বারা গঠিত হয়েছে, তার জন্য জাহান্নামের আগুনই শ্রেয়।" (তিরমিযী) হারাম উপার্জন দিয়ে দান-সাদকাহ বা ইবাদত করলেও তা কবুল হয় না। তাই দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গাতেই মাদক ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থের ভয়াবহ পরিণতি অনিবার্য।

সুতরাং, জনাব 'ন'-এর উপার্জনের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে ইমাম সাহেবের মন্তব্য সম্পূর্ণরূপে যথার্থ। এটি কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, বরং সামাজিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও সত্য। অবৈধ উপার্জনের এই কুফল সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করা অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
482

Related Question

View All
উত্তরঃ

কুফর শব্দের আভিধানিক অর্থ অস্বীকার করা, অবিশ্বাস করা, ঢেকে রাখা, গোপন করা, অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, অবাধ্য হওয়া ইত্যাদি । ইসলামি পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালার মনোনীত দীন ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর কোনো একটিরও প্রতি অবিশ্বাস করাকে কুফর বলা হয় ।

5.3k
উত্তরঃ

আখিরাত জান্নাত ও জাহান্নাম বিশ্বাস না থাকায় কাফির ব্যক্তি অনৈতিকতার  গুরুত্ব উপলব্ধি  করতে পারে না এবং দুনিয়ার স্বার্থে  মিথ্যাচার, অনাচার, ব্যভিচার, দুর্নীতি ইত্যাদি যে কোন পাপ ও অনৈতিক কাজ বিনা দ্বিধায় করতে পারে। নবী -রাসুলগণকে বিশ্বাস না করায় তাদের নৈতিক চরিত্র এবং শিক্ষা ও অনুসরণ  করে না এভাবে কুফরের  মাধ্যমে সমাজে অনৈতিকতার প্রসার ঘটে। 

Emo Akter
Emo Akter
1 year ago
2.9k
উত্তরঃ

আকাম সাহেবের কর্মকাণ্ড শিরকের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস তাওহীদ বা আল্লাহর একত্ববাদের পরিপন্থী কাজকে শিরক বলা হয়। মহান আল্লাহর সত্তা, গুণাবলি, ইবাদত ও ক্ষমতার অংশীদার স্থাপন করাই হলো শিরক। এটি ইসলামে সবচেয়ে বড় ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য। শিরকের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর প্রতি তার আনুগত্য ও বিশ্বাস থেকে বিচ্যুত হয়।

উদ্দীপকে আকাম সাহেব ইচ্ছাকৃতভাবে অমুসলমানদের অনুকরণ করেন এবং তাদের ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহার করেন, যা স্পষ্টতই শিরকের অন্তর্ভুক্ত। ইসলামে মুসলমানদের জন্য অন্য ধর্মের ধর্মীয় রীতি-নীতি বা প্রতীক অনুকরণের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আকামের এই ধরনের কাজ আল্লাহর একত্ববাদের প্রতি অনাস্থা এবং অন্য ধর্মের প্রতি ভক্তি প্রদর্শনের শামিল, যা শিরকের অন্যতম উদাহরণ।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
1.9k
উত্তরঃ

ইসলামে তাওহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদ হলো মৌলিক বিশ্বাস। এই বিশ্বাসে সামান্যতম বিচ্যুতিও শিরক, যা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ এবং এর পরিণতি ভয়াবহ। উদ্দীপকের মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসগুলো এই মৌলিক তাওহিদের পরিপন্থী এবং ইসলামে এর কঠিন পরিণতি রয়েছে।

উদ্দীপকে মাহমুদ সাহেব আল্লাহ তায়ালার পাশাপাশি বিত্তবানদেরকে রিযিকদাতা মনে করেন। এটি তাওহিদের পরিপন্থী একটি বিশ্বাস। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, "পৃথিবীতে বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহর উপর নেই।" (সূরা হুদ: ৬)। রিযিকদাতা একমাত্র আল্লাহ। বিত্তবানরা শুধু আল্লাহ প্রদত্ত রিযিকের মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু তারা নিজেরা রিযিকদাতা নন। এই বিশ্বাস শিরকে আকবর বা বড় শিরকের শামিল, যা আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে আল্লাহর গুণে গুণান্বিত করার শামিল। দ্বিতীয়ত, তিনি ফেরেস্তাদের জগৎ পরিচালনাকারী হিসেবে মনে করেন। ফেরেস্তাগণ আল্লাহর নির্দেশ পালনকারী দাস। তারা আল্লাহর নির্দেশে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করেন, কিন্তু তারা নিজেদের ইচ্ছায় জগতের কোনো কিছুর পরিচালক নন। জগৎ পরিচালনাকারী একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, "আল্লাহই নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলকে ধারণ করে রাখেন, যাতে তারা স্থানচ্যুত না হয়।" (সূরা ফাতির: ৪১)। ফেরেস্তাদেরকে জগৎ পরিচালনাকারী মনে করা তাওহিদের সাথে সাংঘর্ষিক।

মাহমুদ সাহেবের এই ধরনের বিশ্বাসগুলো ইসলামের মৌলিক আকীদা বা বিশ্বাসের পরিপন্থী এবং শিরকের অন্তর্ভুক্ত। শিরক এমন একটি পাপ যা আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করেন না, যদি শিরকের উপর মৃত্যু হয়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শরীক করা ক্ষমা করেন না, তবে এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ যার জন্য ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন।" (সূরা নিসা: ৪৮)। কুরআন ও হাদিসের ভাষ্যমতে, শিরককারী জান্নাত থেকে বঞ্চিত হবে এবং তার জন্য চিরস্থায়ী জাহান্নামের শাস্তি অবধারিত। এই বিশ্বাস একজন ব্যক্তিকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দিতে পারে, যদি সে তা থেকে তাওবা না করে।

সুতরাং, মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এটি তার ইহকাল ও পরকালের মুক্তির জন্য চরম অন্তরায়। প্রতিটি মুসলমানের উচিত, কুরআন ও হাদিসের আলোকে সঠিক আকীদা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা এবং সকল প্রকার শিরক থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করা, যাতে ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ জীবনযাপন করা যায়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
1.7k
উত্তরঃ

ইসলামি পরিভাষায়, মহান আল্লাহ তায়ালার পবিত্র বাণী মানুষের নিকট পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বকে রিসালাত বলা হয় আর যিনি এ দায়িত্ব পালন করেন তাঁকে বলা হয় রাসুল। রাসুল শব্দের বহুবচন রুসুল।

1.7k
উত্তরঃ

'খতমে নবুয়ত' এর অর্থ হল নবুওয়াতের সমাপ্তি বা শেষ হওয়া। ইসলামে বিশ্বাস করা হয় যে, হযরত মুহাম্মদ (স.) হলেন সর্বশেষ নবী। এর মাধ্যমে খতমে নবুয়ত বলতে বোঝানো হয় যে, কিয়ামত পর্যন্ত আর কোন নতুন নবী বা রাসুল আসবেন না। আল্লাহ তায়ালা তাঁর কালাম (কুরআন) হযরত মুহাম্মদ (স.) এর মাধ্যমে পূর্ণ করেছেন এবং তাঁর মাধ্যমে নবুওয়াতের শৃঙ্খলা শেষ হয়ে গেছে।

Md Nafi
Md Nafi
1 year ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews