জনাব রহিম একজন সৎ ব্যবসায়ী। তিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে বিগত ১০ বছর ব্যবসা করছেন। জনাব করিম তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি (করিম সাহেব) রহিমকে পরামর্শ দিলেন যে, ব্যবসায় ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করার জন্য। কেননা আস্থা অর্জন করতে না পারলে ব্যবসার উন্নতি হবে না এবং সে সম্মানিতও হতে পারবে না।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবর্তন অমাধ্যম অনুমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে অমাধ্যম অনুমানে আশ্রয়বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে কেবলমাত্র গুণের পরিবর্তন করে এবং বিধেয়ের বিরুদ্ধপদকে সিদ্ধান্তে বিধেয় হিসেবে ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয় তাকে 'প্রতিবর্তন' বলে। অর্থাৎ প্রতিবর্তন হলো কোনো সদর্থক বাক্যকে নঞর্থক বাক্যের আকারে এবং নঞর্থক বাক্যকে সদর্থক বাক্যের আকারে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়ের সাথে পাঠ্যপুস্তকের অনুমান, অমাধ্যম অনুমান, প্রতিবর্তন প্রভৃতি বিষয়গুলো সংগতিপূর্ণ। অনুমান বলতে বোঝায়, কোনো জ্ঞাত বিষয় বা তথ্যের ওপর নির্ভর করে কোনো এক অজ্ঞাত বিষয়ে বা তথ্যে উপনীত হওয়ার মানসিক প্রক্রিয়া। একজন ব্যবসায়ীর 'আস্থা অর্জন' জেনে তার থেকে আমরা অনুমান করতে পারি যে ব্যবসায়ী উন্নতি ও সম্মান অর্জন করেছে।

উদ্দীপকে অমাধ্যম অনুমানের একটি বিভাগ 'প্রতিবর্তন' বিষয়টিও সংগতিপূর্ণ। সাধারণ অর্থে প্রতিবর্তন বলতে বোঝায় যে, অমাধ্যম অনুমানের আশ্রয়বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে শুধু গুণের পরিবর্তন করে এবং বিধেয়ের বিরুদ্ধপদকে সিদ্ধান্তের বিধেয়ে ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত অনুমিত করা হয়। আলোচ্য উদ্দীপকে বিবৃত হয়েছে, 'জনাব রহিম একজন সৎ ব্যবসায়ী। তিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে বিগত ১০ বছর ব্যবসা করছেন।' এখান থেকে যে প্রতিবর্তন অনুমানটি করা যায় তাহলো-

A-সব সৎ ব্যবসায়ী হয় সম্মানিত। (প্রতিবর্তনীয়) E-কোনো সৎ ব্যবসায়ী নয় অসম্মানিত। (প্রতিবর্তিত)

উপর্যুক্ত অনুমানে উভয় বাক্যের উদ্দেশ্য 'সৎ ব্যবসায়ী' অভিন্ন। আশ্রয়বাক্যের বিধেয়ের (সম্মানিত) বিরুদ্ধপদ (অসম্মানিত) সিদ্ধান্তে বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত। উভয় বাক্যের গুণ ভিন্ন। কিন্তু উভয়ের পরিমাণ এক সুতরাং, এটা হলো বৈধ প্রতিবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, জনাব রহিম একজন সৎ ব্যবসায়ী। তিনি অত্যন্ত সুনামের সথে বিগত ১০ বছর ব্যবসা করছেন। আমরা জানি সততাকে ব্যবসার অন্যতম 'পুঁজি' বলা হয়। নৈতিক কর্ম সর্বজনস্বীকৃত। নীতিবানকে সকলে সম্মান করে এবং তার বিভিন্ন কর্মকে বিশ্বাস করে। আর বিশ্বাসের মাধ্যমে একজন অন্য ব্যক্তির আস্থা অর্জন করে। আর এই আস্থা অর্জন করা সম্ভব হলে যেকোনো ব্যবসায়ী তার ব্যবসায়ীর উন্নতি ঘটাতে পারবে ও সম্মানিত হতে পারবে। কেননা ক্রেতা আস্থাশীল হয়ে ব্যবসায়ীর নিকট হতে বিভিন্ন পণ্যদ্রব্য ক্রয় করে থাকে। ফলে তার ব্যবসায়ের প্রসার ঘটবে এবং সততার জন্য ব্যবসায়ী অন্যদের চেয়ে বেশি মুনাফা লাভ করবে। সততার মাধ্যমে আস্থা অর্জিত হয়। উদ্দীপকে করিম সাহেব, রহিমকে পরামর্শ দিয়েছেন যে, 'ব্যবসায় ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করার জন্য। কেননা আস্থা অর্জন করতে না পারলে ব্যবসায় উন্নতি হবে না এবং সে সম্মানিতও হতে পারবে না।' অর্থাৎ ব্যবসায় আস্থা অর্জন করাই ব্যবসায়িক উন্নতি চাবিকাঠি। সুতরাং রহিম সাহেব সম্মানিত হবেন যদি তিনি ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করতে পারেন। রহিম সাহেবের সম্মানিত হওয়ার বিষয়টি আস্থা অর্জনের ওপর নির্ভরশীল। এ ধরনের বক্তব্য থেকে যুক্তিবিদ্যার 'প্রতিবর্তন' অনুমান করা হয়। যেমন- 

সব আস্থা অর্জনকারী হয় সম্মানিত। (প্রতিবর্তনীয়) কোনো আস্থা অর্জনকারীর নয় অসম্মানিত। (প্রতিবর্তিত)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
286
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে বিধিসঙ্গতভাবে কোনো আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্যের স্থলে তার বিধেয়কে এবং বিধেয়ের স্থলে তার উদ্দেশ্যকে গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত নিঃসৃত করা হয় তাই হলো আবর্তন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
199
উত্তরঃ

সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থে ব্যবহৃত পদ ব্যাপ্য পদ হয়। মূলত পদের ব্যাপ্যতা হলো পদের প্রসারতা। একটি পদ কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হওয়ার পর সে পরিমাণ ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে তার দ্বারা সে 'পদের ব্যাপ্যতা' নির্ণয় করা হয়। কোনো পদ যখন তার সামগ্রিক ব্যক্ত্যর্থ গ্রহণ করে কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে 'পদের ব্যাপ্যতা' বলে। যেমন- 'সকল দার্শনিক হন জ্ঞান, এখানে দার্শনিকের সামগ্রিক ব্যক্ত্যর্থ ব্যবহৃত হয়েছে। এজন্য দার্শনিকের দার্শনিক পদটি ব্যাপ্য পদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
246
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ৩নং বক্সে O-যুক্তিবাক্যের আবর্তন নির্দেশিত হয়েছে। O-যুক্তিবাক্য হলো বিশেষ নঞর্থক। যে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে যে বিধেয় পদ অস্বীকার করে তাকে বিশেষ নঞর্থক বা O-যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকে দেওয়া আছে যে- 

কিছু A নয় B

কিছু B নয় A

মূলত O-যুক্তিবাক্যের আবর্তন সম্ভব নয়। যেহেতু O-যুক্তি বাক্যটি একটি নঞর্থক বচন, সে কারণে তার আবর্তিতকেও হতে হবে নঞর্থক। অর্থাৎ আবর্তিতকে E বা O হতে হবে। কিন্তু ০-এর আবর্তিত E বা O হতে পারে না, E বা O- হলে আবর্তনের ৪র্থ নিয়ম লঙ্ঘন হয়। অর্থাৎ আবর্তনীয়ের কোনো অব্যাপ্য পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হতে পারে না। উপরের উদাহরণে O-আবর্তনীয়ের উদ্দেশ্য হিসেবে পদটি পূর্ণব্যাপ্ত হয়নি, অথচ সিদ্ধান্তে -বাক্যের বিধেয় হিসাবে পূর্ণব্যাপ্ত হয়ে আছে। কারণ পদের ব্যাপ্ততার নিয়ম অনুসারে বিশেষ বাক্যের উদ্দেশ্য পদ আংশিক ব্যাপ্য হলেও O-বাক্যের বিধেয় পদ যথাসময় পূর্ণব্যাপ্য হয়। সুতরাং ৩নং বক্সের যুক্তিবাক্য O-যুক্তি বাক্যের আবর্তন হয়েছে। অথচ O-যুক্তিবাক্যের আবর্তন সম্ভব নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
232
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ২নং বক্সের মতো ১নং বক্সের আবর্তন করলে অনুপপত্তি হতে পারে। ২নং বক্সের যুক্তিবাক্যটি একটি E-যুক্তিবাক্য বা সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য এবং ১নং বক্সের যুক্তিবাক্যটির সম্পূর্ণরূপ হবে।

A- সকল A হয় B

A- সকল B হয় A

উক্ত যুক্তিবাক্যটি A-যুক্তিবাক্য হবে বা সার্বিক সদর্থক। A-বাক্যের সরল আবর্তনজনিত অনুপপত্তি। উপর্যুক্ত যুক্তিটি আবর্তনের একটি দৃষ্টান্ত। আবর্তন-এর নিয়ম অনুযায়ী আবর্তনীয়ের কোনো অব্যাপ্য পদ আবর্তিতে এসে ব্যাপ্য হতে পারবে না। আলোচ্য যুক্তিটিতে B পদটি আবর্তনীয় A বাক্যের বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অব্যাপ্য হয়েছে এবং আবর্তিত A-বাক্যের উদ্দেশ্য হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় ব্যাপ্য হয়েছে। এটি আবর্তনের নিয়ম বিরোধী। আবর্তন-এর নিয়ম অনুযায়ী A-বাক্য আবর্তন করলে আমরা 1 বাক্য পাই। অর্থাৎ A-বাক্যের আবর্তন হচ্ছে অসরল আবর্তন। কিন্তু আলোচ্য দৃষ্টান্তে A-বাক্যের সরল আবর্তন করায় পদের ব্যাপ্যতা সংক্রান্ত অনিয়ম দেখা দিয়েছে। সুতরাং যুক্তিটি ত্রুটিপূর্ণ। এটি একটি অবৈধ আবর্তন। এতে A-বাক্যের সরল আবর্তনজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। E-বাক্যের সরল আবর্তনজনিত অনুপপত্তি ঘটে না। কারণ E- কে আবর্তন করলে E পাওয়া যায়। সুতরাং ২নং বক্সে অনুপপত্তি না ঘটলেও ১নং-এ অনুপপত্তি ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
202
উত্তরঃ

সংস্থান চার প্রকার। যথা- ১. প্রথম সংস্থান, ২. দ্বিতীয় সংস্থান, ৩. তৃতীয় সংস্থান এবং ৪. চতুর্থ সংস্থান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
653
উত্তরঃ

সহানুমানের যে পদ আশ্রয় বাক্যে থাকে, কিন্তু সিদ্ধান্তে থাকে না সেটিই হলো মধ্যপদ। মধ্যপদের ভূমিকা সহানুমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপদ সহানুমানের উভয় আশ্রয়বাক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। যেমন-

সকল মানুষ হয় মরণশীল।
 সকল ছাত্র হয় মানুষ। 
সকল ছাত্র হয় মরণশীল।

এখানে 'মানুষ' পদটি মধ্যপদ। আর এটি আশ্রয়বাক্য দুটির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে সেতু হিসাবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
224
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews