জনাব রাশেদ মিয়া আলমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান। প্রজাসাধারণের অবস্থা স্বয়ং, অবগত হওয়ার জন্য তিনি ছদ্মবেশে গ্রাম ভ্রমণ করতেন। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও প্রতি রাতে একশত রাকাত নফল নামাজ আদায় করতেন। জনসাধারণের উন্নতি এবং স্বার্থ সংরক্ষণে তার জেলার কোনো চেয়ারম্যানই তার মতো যত্নবান ছিলেন না।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

আব্বাসীয় বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হলেন খলিফা আবু জাফর আল মনসুর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

আবুল আব্বাসের চরিত্রে নৃশংসতা ও রক্তলোলুপতার ছাপ পরিলক্ষিত হওয়ায় তাকে আস-সাফফাহ উপাধি দেওয়া হয়।
৭৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জানুয়ারি জাবের যুদ্ধে দ্বিতীয় মারওয়ানের পরাজয়ের মাধ্যমে উমাইয়া বংশের পতন ঘটে। সর্বশেষ উমাইয়া শাসক ৫ আগস্ট মারওয়ানের ছিন্ন মস্তক দেখে আবুল আব্বাস 'আস-সাফফাহ' বা 'রক্তপিপাসু' উপাধি গ্রহণ করেন। খিলাফতে অধিষ্ঠিত হয়েই তিনি উমাইয়া নিধন নীতি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত নৃশংসভাবে উমাইয়াদের হত্যা করেন। তিনি ফিলিস্তিনের আবু ফুটস নামক স্থানে ৮০ জন উমাইয়াকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিষ্ঠুরভাবে তাদেরকে হত্যা করেন। এসব কারণেই তাঁকে আস সাফাহ বা রক্তপিপাসু বলে অভিহিত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাশেদ মিয়ার সাথে আব্বাসি খলিফা হারুন অর রশীদের সাদৃশ্য রয়েছে।

খলিফা হারুন অর রশীদ ৭৮৬ খ্রিষ্টাব্দে বাগদাদের সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি অসামান্য প্রতিভা, চিত্তাকর্ষক ব্যক্তিত্ব এবং অতুলনীয় চারিত্রিক মাহাত্ম্যের অধিকারী ছিলেন। তার এ বৈশিষ্ট্যের খানিকটাই জনাব রাশেদ মিয়ার চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে।
চেয়ারম্যান রাশেদ মিয়া প্রজাসাধারণের অবস্থা স্বয়ং অবগত হওয়ার জন্য ছদ্মবেশে গ্রাম ভ্রমণ করতেন। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় ছাড়াও প্রতি রাতে একশত রাকাত নফল নামাজ আদায় করতেন। জনসাধারণের উন্নতি এবং স্বার্থ সংরক্ষণে তিনি সদাতৎপর থাকতেন। খলিফা হারুন অর রশীদের ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষণীয়। ঐতিহাসিক সৈয়দ আমীর আলী তার সম্পর্কে বলেন, "অবিচারের প্রতিকার এবং নিপীড়িত ও দুর্দশাগ্রস্তদের দুঃখমোচন করার জন্য রাত্রে বাগদাদের রাজপথে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অভ্যাস ছিল।" ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছাড়াও তিনি দৈনিক একশত রাকাত নফল নামাজ পড়তেন। অসীম ক্ষমতার অধিকারী হয়েও তিনি জনসাধারণের উন্নতি বিধানে ও স্বার্থ সংরক্ষণে অত্যন্ত যত্নবান ছিলেন। তার ন্যায় প্রজারঞ্জক ও প্রজাবৎসল নরপতি, আব্বাসি খিলাফতে আর কেউ ছিল না বললেই চলে। সুতরাং দেখা যায়, রাশেদ মিয়ার চরিত্র ও কর্ম আব্বাসি খলিফা হারুন অর রশীদের চরিত্রের সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

শধু উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণাবলিই নয়, খলিফা হারুন-অর-রশীদের
চরিত্রে আরও অনেক গুণাবলির সমন্বয় ঘটেছিল বলেই তাকে ইতিহাসে বিখ্যাত বলা হয়। খলিফা হারুন-অর-রশীদ তেইশ বছর (৭৮৬-৮০৯ খ্রি.) বাগদাদের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তার সুদীর্ঘ রাজত্বকাল আরব ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা গৌরবোজ্জ্বল যুগ। এর কারণ হলো, তার অসামান্য প্রতিভা, চিত্তাকর্ষক ব্যক্তিত্ব এবং অতুলনীয় চারিত্রিক মাহাত্ম্য। তার এ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দুটি দিক উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এ ছাড়াও বহু গুণের কারণে ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে আছেন।
খলিফা হারুন-অর-রশীদ সিংহাসনে আরোহণের পর কঠোরহস্তে বিভিন্ন বিদ্রোহ দমন করে সাম্রাজ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। একজন সমরকুশলী হিসেবে সৈন্য পরিচালনায় তিনি বিশেষ দক্ষতা ও রণকুশলতার পরিচয় দেন। তাছাড়া অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমন করে তিনি দক্ষ নৃপতি হিসেবে ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেন। খারেজি সম্প্রদায় দমন, অসভ্য খাজার উপজাতি এবং দাইলাম প্রদেশের বিদ্রোহীদের দমন, সিরিয়া ও সিন্ধু প্রদেশে মুদারীয় এবং হিমারীয়দের গৃহযুদ্ধের অবসান করে তিনি সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। হারুন-অর-রশীদের খ্যাতি এত বৃদ্ধি পায় যে, প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের বহু রাজা তার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। নবম শতাব্দীতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন খলিফা হারুনের রাজত্বকালকে গৌরবান্বিত করে। তিনি ইসলামি শরিয়াভিত্তিক সুপরিকল্পিত শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করে আব্বাসি খিলাফতে স্বর্ণযুগের সূচনা করেন। এছাড়া বাগদাদ নগরীকে তিনি সমসাময়িক বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সুন্দর নগরীতে পরিণত করেন। সুরম্য রাজপ্রাসাদ, আড়ম্বরপূর্ণ দরবার, নয়নাভিরাম মিলনায়তন দ্বারা তিনি এ শহরকে সুসজ্জিত করেন। লেবানিজ বংশোদ্ভূত আবর ইতিহাসবিদ ফিলিপ খুরি হিষ্টি (Philip Khuri Hitti) তার History of the Arabs গ্রন্থে বলেন, 'বাগদাদ তখনকার সময়ে সারা বিশ্বের অদ্বিতীয় শহর ছিল।'
পরিশেষে বলা যায়, খলিফা হারুন-অর-রশীদের উল্লিখিত গুণ ও কর্মের কারণে তার রাজত্বকালে মুসলিম সাম্রাজ্য উন্নতির স্বর্ণশিখরে আরোহণ করে। এ কারণেই তিনি ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
24
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রশাসনিক কাঠামোকে সুবিন্যস্ত ও সুদৃঢ় করার জন্য খলিফা মনসুর বাগদাদে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। বাগদাদ দজলা (টাইগ্রিস) নদীর পশ্চিম তীরে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত। এটা ছিল সুস্বাস্থ্যকর, সাম্রাজ্যের মধ্যস্থলে এবং অধিকতর নিরাপদ স্থান। নদীর তীরে অবস্থানের ফলে এ নগরীর সাথে নৌপথে সিরিয়া, মেসোপটেমিয়া, আর্মেনিয়া ও সাম্রাজ্যের অন্যান্য স্থানের যোগাযোগ সহজতর ছিল। এছাড়া এখান থেকে বহির্বিশ্বের এমনকি সুদূর চীনের সাথেও যোগাযোগ স্থাপন সম্ভবপর হয়েছিল। তাছাড়া এতে আন্তঃবাণিজ্য ও বহির্বাণিজ্যে প্রভৃত সাফল্যেরও সম্ভাবনা ছিল। এসব কারণে খলিফা মনসুর বাগদাদে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
130
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতি আচরণ আব্বাসি খলিফা আল-মনসুরের হযরত আলী (রা)-এর বংশধরদের প্রতি দুর্ব্যবহারের অনুরূপ।

হযরত আলী ও ফাতিমার বংশধরগণ আব্বাসি বংশের উত্থানের সময় যথাসাধ্য সাহায্য করলেও খলিফা মনসুর তাদেরকে সুনজরে দেখেননি। আলীর বংশধরদের ওপর জনসাধারণের অসীম ভক্তি ও শ্রদ্ধার জন্য খলিফা মনসুর বিচলিত হয়ে ওঠেন এবং তাদের ধ্বংস সাধনে তৎপর হন। খলিফা মনসুরের এই হিংস্র কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের মধ্যেও লক্ষণীয়।
সাদ্দাম হোসেন বিভিন্ন গুণাবলির অধিকারী হলেও তার মধ্যে প্রবল সন্দেহ প্রবণতা ছিল। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেক ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বীকে তিনি নির্মমভাবে সরিয়ে দেন। খলিফা মনসুরের ক্ষেত্রেও এমনটি দৃষ্টিগোচর হয়। উমাইয়াদের পতনের পর ইমাম হাসানের প্রপৌত্র মুহাম্মদ সিংহাসনে আরোহণের ন্যায়সংগত অধিকারী ছিলেন। এ কারণে আলী ও ফাতেমীয় বংশের লোকদের ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে মনসুর তাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালান। ফলে মুহাম্মদ ও তার ভাই ইব্রাহীম মদিনা ও বসরায় বিদ্রোহ ঘোষণা জ্বরেন। কিন্তু খলিফা মনসুরের ভ্রাতুষ্পুত্র তাদেরকে পরাজিত করে নির্মমভাবে হত্যা করেন। খলিফা মনসুর মদিনায় বসবাসরত ইমাম হাসান (রা) ও হুসেন (রা)-এর পরিবারবর্গের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেন। এমনকি সুফিসাধক ইমাম জাফর সাদিক, ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মালিকের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন। সুতরাং দেখা যায়, প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতি সাদ্দাম হোসেনের আচরণ খলিফা মনসুরের আলী বংশীয়দের প্রতি দুর্ব্যবহারকেই মনে করিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
100
উত্তরঃ

খলিফা আল-মনসুর নানা দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাম্রাজ্যকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, যা উদ্দীপকে বর্ণিত সাদ্দাম হোসেনের চেয়ে অধিক বিচক্ষণতার পরিচায়ক।

খলিফা আল-মনসুর ৭৫৪ খ্রিষ্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করে আব্বাসি আন্দোলনের মূল নেতা আব্দুল্লাহ আৰু মুসলিমকে হত্যা করেন। তিনি সমস্ত বিদ্রোষ ও বিরোধীদের কঠোরভাবে দমন করে রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন। তিনি তাবারিস্তান, গিলান, এশিয়া মাইনর ও আফ্রিকায় আব্বাসি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। অর্থাৎ তিনি সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিও করার পাশাপাশি সাম্রাজ্যের যথেস্ট বিস্তৃতি সাধন করেন। কিন্তু সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে সাম্রাজ্য বিস্তৃতির দিকটি অনুপস্থিত রয়েছে।

উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি যে, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম যোসেন ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বীদের নির্মমভাবে সরিয়ে দেন। তিনি অনেক কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ইরাকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। তার এ দিকগুলো খলিফা আল-মনসুরের গৃহীত পদক্ষেপের ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়। তবে খলিফা মনসুর এক্ষেত্রে আরও বাস্তবধর্মী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। আব্বাসি শাসক আল-মনসুর অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ ও বিরোধিতার মূলোৎপাটন করে তার বংশকে শত্রুমুক্ত করেন। প্রশাসনিক কাঠামোকে সুবিন্যস্ত ও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে তিনি ৭৬২ খ্রিস্টাব্দে সামেস্ক থেকে বাগদাদে রাজধানী স্থানান্তর করেন। তিনি দজলা নদীর পশ্চিম তীরে ৪৮ লক্ষ ৮৩ হাজার দিরহাম ব্যয় করে সুন্দর ও সুপরিকল্পিত বাগদাদ নগরী প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া সামরিক শক্তিই যে সম্রাজ্যের মূলভিত্তি- এ সত্যকে অনুধাবন করে আল-মনসুর একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পক্তিশালী নিয়মিত সেনাবাষিনী গঠন করেন। এছাড়া জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতার ক্ষেত্রে তিনি উদার ছিলেন। তার রাজত্বকালে গণিতশাস্ত্রের উৎকর্ষ সাধিত হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিকাজের উন্নয়নে তিনি নানাবিধ-পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি বহু নগর, সরাইখানা, রাজপথ ও চিকিৎসালয় নির্মাণ করেন। এভাবে আল মনসুর খিলাফতে একটি নতুন সভ্যতার সূচনা করেন।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, খলিফা আল মনসুর তার সকল প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যা ও দমন করার মাধ্যমে নিজ বংশকে নিষ্কন্টক করে আব্বাসীয় শাসনতে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ পদক্ষেপে উদ্দীপকে বর্ণিত উদ্যোগের থেকে অধিক দূরদর্শিতা ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
73
উত্তরঃ

বুরান ছিলেন আব্বাসি খলিফা মামুনের স্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হাসান বিন সাহলের কন্যা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
125
উত্তরঃ

ভ্রাতৃদ্বন্দ্বে আমিনের পরাজয়ের একটি কারণ হলো তার চারিত্রিক দুর্বলতা ও কুশাসন।
আমিনের ব্যক্তিগত চরিত্রই মূলত তার পতনের জন্য দায়ী। তিনি রাজকার্য উপেক্ষা করে হেরেমের আমোদ-আহলাদে মত্ত থাকতেন। ফলে তার নিষ্ঠুর ও উম্মত উজির ফজল-বিন-রাবি রাজ্যের সর্বেসর্বা হয়ে ওঠেন। তার উচ্ছৃঙ্খল শাসনে আমিন প্রজাসাধারণের সহানুভূতি থেকে দণ্যিত হন। অপরপক্ষে আমিনের সুযোগ্য ভাই মামুদের শাসনে প্রজাগণ পরম সুখ ও শান্তিতে বসবাস করছিল। অসাধারণ প্রতিভাসম্পন্ন মামুনের নিকট অযোগ্য ও বিলাসপ্রিয় আমিন ক্ষমতার দ্বন্দ্বে হেরে যাওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
75
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews