জনাব রায়হান আজিমের সফল হওয়ার পেছনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার ভূমিকা আছে বলে আমি মনে করি।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুবক ও যুব মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সহায়তা দেয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় শুরু ও পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন দিয়ে সহায়তা করে। উদ্যোক্তা উন্নয়নে বেসরকারি সংস্থাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকের জনাব রায়হান আজিম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নেন। তিনি এ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্দীপনামূলক সহায়তা পান। এ সহায়তা তাকে ব্যবসায় স্থাপনে উৎসাহী করে তোলে। পরে তিনি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ করে আর্থিক সমস্যার সমাধান করেন।
এসব প্রতিষ্ঠান জনাব রায়হান আজিমকে ব্যবসায় স্থাপনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়। কীভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করলে ঝুঁকি কমে যাবে তা তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জানতে পান। ফলে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে যান। তাই বলা যায়, জনাব রায়হান আজিম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় সফলতা লাভ করেন।
Related Question
View Allবাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৫০ ভাগ নারী।
বিসিক-এর প্রধান কাজ হলো ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতের উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগে পরামর্শ দান।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থার সংক্ষিপ্ত নাম হলো বিসিক। এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সম্প্রসারণে নিয়োজিত সরকারি খাতের প্রধান সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নয়নের জন্য পরামর্শ দিতে এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে সুসংহত করতে এটি গঠিত হয়।
জনাব মেহরাজ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যবসায় স্থাপন ও পরিচালনায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্দীপনামূলক সহায়ক সেবার কথা শুনে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি স্থাপনে আগ্রহী হলেন।
ব্যবসায় ও শিল্প উদ্যোগে সহায়তাকারী বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। এগুলো দেশে ব্যবসায় বা শিল্প স্থাপনে উদ্যোগ গ্রহণ, শিল্প স্থাপন ও পণ্যদ্রব্যের বিপণনে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা ও সহায়তা দিয়ে থাকে। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এরূপ সহায়তা হলো উদ্দীপনামূলক সেবা।
উদ্দীপকের জনাব মেহরাজ ব্যবসায় স্থাপন ও পরিচালনা সম্পর্কিত ঝুঁকি সম্পর্কে চিন্তিত ছিলেন। তাই তিনি এ কাজে এগিয়ে আসেননি। কিন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার কথা শুনে তিনি ঢাকার অদূরে সাভারে একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি স্থাপন করেন। এখানে তিনি প্রথমে ঝুঁকি গ্রহণে আগ্রহী না হলেও পরবর্তীতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার বিষয়টি তাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। এটি উদ্দীপনামূলক সহায়ক সেবার আওতায় পড়ে। সুতরাং, উদ্দীপনামূলক সহায়তাই মেহরাজকে ফ্যাক্টরি স্থাপনে আগ্রহী করে তোলে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে জনাব মেহরাজের সংরক্ষণমূলক সহায়তার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।
ব্যবসায়ের কাজ পরিচালনা ও সম্প্রসারণের পথে বাধাগুলো দূর করতে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংরক্ষণমূলক সহায়তা করে থাকে। উদ্যোক্তার ব্যবসায়কে সফলভাবে পরিচালনা করতে এ সেবা দেওয়া হয়। উদ্দীপকের জনাব মেহরাজের শিল্প পরিচালনায় সহায়তার প্রয়োজন আছে। তিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে গার্মেন্টস ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করেছেন। কিন্তু বর্তমানে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নতমানের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করায় তার পক্ষে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় জনাব মেহরাজ বিভিন্ন ধরনের সরকারি-বেসরকারি সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ সহায়তা নিতে পারেন। এর মাধ্যমে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির আধুনিকীকরণ, যন্ত্রপাতি পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ করতে পারবেন। এতে তিনি প্রতিযোগিতা মোকাবিলা করতে পারবেন এবং রপ্তানিযোগ্য পোশাক তৈরি করা তার জন্য সহজ হবে। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের স্বার্থে এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য জনাব মেহরাজের সংরক্ষণমূলক সহায়তা নেওয়া প্রয়োজন।
বিসিক-এর (BSCIC) পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা (Bangladesh Small and Cottage Industries Corporation) |
মহিলা অধিদপ্তর মহিলাদের সৃজনশীলতার বিকাশ, আত্মকর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কাজ করে।
এ প্রতিষ্ঠান নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এ প্রশিক্ষণের মধ্যে আছে হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালন, হস্তশিল্প, বাটিকের কাজ, বুনন শিল্প, সেলাই প্রভৃতি। এসব প্রশিক্ষণ নিয়ে নারীরা নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি নারীদের সহজ শর্তে ঋণও দিয়ে থাকে। মূলত নারীর উন্নয়নের জন্যই মহিলা অধিদপ্তর কাজ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
