কোনো একটি অঞ্চল বা দেশের ব্যবসায়ী শিল্পপতিগণ নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও ব্যবসায়ের উন্নয়নের জন্য যে সমিতি সংঘ গঠন করেন তাকে ৰণিক সভা বলা হয়।
বিশ্ববাণিজ্যকে সকলের জন্য কল্যাণকর করতে যে প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখে তা হলো WTO বা বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা। সমগ্র বিশ্বে বাণিজ্য ব্যবস্থাকে সুসংসহত করাই এ সংস্থার মূল উদ্দেশ্য।
WTO সদস্য দেশগুলোর মধ্যকার বাণিজ্যসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যসংক্রান্ত আলোচনার একটি ফোরাম হিসেবে সংস্থাটি দায়িত্ব পালন করে থাকে। উন্নয়নশীল দেশগুলো এ ফোরামকে একত্রে তাদের নিজ নিজ দাবি-দাওয়া সম্পর্কে অবগত করতে পারে।
রায়হানকে সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএ (BGMEA)।
বিজিএমইএ হলো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারদের একটি সংস্থা, যার মূল লক্ষ্য হলো তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং এ শিল্পে নিয়োজিত কর্মীদের অধিকার সুনিশ্চিত করা। দেশের তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারগণ এ সংস্থা হতে সর্বাত্মক সহযোগিতা লাভ করে থাকে।
উদ্দীপকের জনাব রায়হান একটি রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের মালিক। একটি প্রতিষ্ঠান তাকে তৈরি পোশাকসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহায়তা করে। এ সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানটি হলো বিজিএমইএ। কারণ বাংলাদেশে তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারকদের বিভিন্ন প্রকার সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা হলো বিজিএমইএ। সংস্থাটি এর সদস্যভুক্ত রপ্তানিকারকদের বিভিন্ন তথ্য, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে থাকে। তাই বলা যায়, রায়হানকে সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএ (BGMEA)
উদ্দীপকে জনাব রায়হানের প্রতিষ্ঠানটির মানোন্নয়নে তথ্য সহায়তা ছাড়াও আর্থিক সহায়তা, উন্নত প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। এ শিল্পের টিকসই উন্নয়নের জন্য এ শিল্পের মানোন্নয়নের বিকল্প নেই। আর এ শিল্পের মানোন্নয়নে BGMEA-এর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে জনাব রায়হান একটি রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এজন্য একটি প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ BGMEA-এ তাকে তৈরি পোশাকসংক্রান্ত সব তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। তবে তথ্য সহায়তার পাশাপাশি জনাব রায়হানের প্রতিষ্ঠানটির মানোন্নয়নে তথ্য সহায়তা ছাড়াও আর্থিক সহায়তা, উন্নত প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। তাছাড়াও পণ্যের নতুন বাজার সৃষ্টি ও সম্প্রসারণ মূল্য নির্ধারণ, কাঁচামাল সংগ্রহ, পণ্য পরিবহন, কর সুবিধা অর্জন, পণ্য রপ্তানি প্রভৃতি ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।
সুতরাং বলা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নে বিজিএমইএ এর সার্বিক সহায়তাসহ সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!