গ্রাহকরা যাতে ঘরে বসেই ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে সেজন্য ব্যাংক যে ধরনের সেবা দেয় তাকে বাসগৃহ বা হোম ব্যাংকিং বলে।
স্বয়ংক্রিয় নিকাশ ঘর হলো এক ধরনের আধুনিক সেবা পদ্ধতি, যেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লেনদেনগুলো ইলেকট্রনিক উপায়ে বিনিময় ও নিষ্পত্তি হয়।
এ পদ্ধতিতে ইলেকট্রনিক উপায়ে ব্যাংকগুলোর মধ্যে মেশিনের সাহায্যে কাগজবিহীন লেনদেন হয়। এক্ষেত্রে মেশিনের সাহায্যে লেনদেনগুলো রেকর্ডভুক্ত হয়। এভাবে একটি একাউন্টকে ডেবিট এবং অন্য একাউন্টকে ক্রেডিট করে আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন শেষ করা হয়। এভাবেই স্বয়ংক্রিয় নিকাশ ঘরের কাজ হয়।
উদ্দীপকে জনাব রুমি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন।
এ কার্ড ব্যাংকের দেওয়া এক ধরনের ব্যক্তিগত ঋণ। কার্ডটি ব্যবহার করে গ্রাহকরা টাকা উঠানো, কেনাকাটা, বিল পরিশোধ ইত্যাদি করতে পারে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের হিসাবে অর্থ না থাকলেও এ ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়
উদ্দীপকে জনাব রুমি একটি কোম্পানির একজন কর্মকর্তা। তিনি সুরমা ব্যাংকে একটি হিসাব পরিচালনা করেন। ব্যাংক তার হিসাব ব্যবহারের সুবিধার জন্য একটি কার্ড প্রদান করে। তিনি সেই কার্ড দিয়ে বাকিতে পণ্য ক্রয় করতে পারেন। কার্ড দিয়ে বাকিতে ক্রয় করার সুবিধা শুধুমাত্র ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জনাব রুমি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন।
বর্তমানে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক লেনদেনে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ব্যাংকিং খাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাংকের আধুনিকায়নের নীতি বাস্তবায়নে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সর্বাধিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জন ও দক্ষ গ্রাহক সেৱা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাংক এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে ব্যাংক কম্পিউটারাইজড হিসাব পদ্ধতি, অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, এটিএম কার্ড প্রভৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে।
উদ্দীপকে জনাব রুমি একটি কোম্পানির একজন কর্মকর্তা। তিনি সুরমা ব্যাংকে একটি হিসাব পরিচালনা করেন। ব্যাংক তার হিসাব ব্যবহারের সুবিধার জন্য একটি ক্রেডিট কার্ড প্রদান করে। তিনি ব্যাংকের নিকট আরো বেশি সুবিধা চান যেমন: ব্যাংকের কোনো শাখায় না গিয়ে একাউন্ট ব্যালেন্স জানা, টাকা জমা ও উত্তোলন, অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করা, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল পরিশোধ করা।
আধুনিক ব্যাংকিং-এর ছোঁয়ায় উদ্দীপকের জনাব রুমির লেনদেন করা অনেক সহজতর হয়েছে। বর্তমানের অধিকাংশ ব্যাংকেরই রয়েছে অনলাইন সার্ভিস ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এখন বাসায় বসেও জানা যায় একাউন্ট স্টেটমেন্ট। গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির বিল দিতে দাড়াতে হয় না লাইনে। বাসায় বসে অনলাইন ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে এসব কাজ হয় নিমিষেই। তাই বলা যায়, ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক জীবনে আধুনিক ব্যাংকিং এনেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন।
Related Question
View Allযে সংস্থা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে আদান-প্রদান করে তাকে SWIFT বলে।
ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অতিদ্রুত, নির্ভুলভাবে ও সহজে ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায় বলে ই-ব্যাংকিং জনপ্রিয়।
আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রুত নির্ভুল ব্যাংকিং কাজ পরিচালনার নামই ই-ব্যাংকিং। গ্রাহক এর মাধ্যমে যেকোনো সময় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ব্যাংকিং সেবা পেয়ে থাকে। গ্রাহকের হিসাবের গোপনীয়তা বজায় রেখে ব্যাংক স্বল্প ব্যয়ে এ সুবিধা প্রদান করে। এর মাধ্যমে গ্রাহক ঘরে বসেই অর্থ স্থানান্তরসহ সকল আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ করতে পারে। তাই ই-ব্যাংকিং এতো জনপ্রিয়।
জনাব রহমানকে ব্যাংক প্রথমে ডেবিট কার্ড সরবরাহ করে।
এটি ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং-এর অন্যতম একটি সেবা। গ্রাহকের হিসাবে ডেবিট জের থাকলেই কেবল এ কার্ড ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন, অর্থ স্থানান্তর ও অন্যান্য ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায়। এ কার্ড ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।
উদ্দীপকে জনাব রহমান একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি ব্যাংকে হিসাব খুলেন। ব্যাংক তাকে চেক বই ও চুম্বকীয় প্লাস্টিক কার্ড সরঘরাহ করে। যার মাধ্যমে তিনি ব্যাংকে না গিয়েও টাকা উত্তোলন করতে পারেন। কিন্তু তিনি জমাতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারেন না। সাধারণত ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যাংকে হিসাব খুলতে হয়। গ্রাহক তার হিসাবে জমাকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারেন না। জনাব রহমান তাই অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনে অন্য একটি কার্ড সংগ্রহ করেছেন। তাই বলা যায়, জনাব রহমানকে ব্যাংক প্রথমে ডেবিট কার্ড সরবরাহ করেছিল।
উদ্দীপকের জনাব রহমানের ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে তার জন্য ক্রেডিট কার্ডই উত্তম বলে আমি মনে করি।
ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড দুটিই বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক সেবা পদ্ধতি। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক সব ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক নয়। এ কার্ডের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঋণ সুবিধাও পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে জনাব রহমান একজন ব্যবসায়ী। তিনি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে একটি প্লাস্টিক কার্ড পান। যার মাধ্যমে ব্যাংকে না গিয়েও তিনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। হঠাৎ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তার জমাতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন হয়। তিনি ব্যাংক থেকে অন্য একটি কার্ড সংগ্রহ করেন। যার সাথে ব্যাংক হিসাবের কোনো সম্পর্ক নেই। এ কার্ড দিয়ে তিনি বিদেশে যাবতীয় খরচাদি সম্পন্ন করতে পারবেন। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে জনাব রহমানের প্রতিনিয়ত ব্যাংকিং লেনদেন সম্পাদন করতে হয়। তার প্রথমে ব্যবহৃত ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে তার হিসাবে জমাকৃত অর্থ দ্বারাই শুধু লেনদেন করতে পারবেন। অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনে কার্ডটি তার কাছে মূল্যহীন। অন্যদিকে, পরবর্তীতে ব্যবহৃত ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে তিনি ঋণ সুবিধা পাবেন। ব্যবসায়ের প্রয়োজনে যেকোনো সময়ই এ জমাতিরিক্ত অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন। প্রয়োজন শেষে উক্ত অর্থ পরিশোধ করে পুনরায় ঋণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। যা একজন ব্যবসায়ীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে জনাব রহমানের জন্য ক্রেডিট কার্ড উত্তম বলে আমি মনে করি।
'One Stop Service' বলতে একজন ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সার্ভিস লাভকে বোঝায়।
বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর।
প্রতি কার্যদিবসে একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিকাশঘরের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি এতে সভাপতিত্ব করেন। সদস্য ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাপ্ত চেক, বিল, ড্রাফট প্রভৃতির সমন্বয়ে মোট দেনা-পাওনার বিবরণী তৈরি করে। যেসব ব্যাংকের কাছে টাকা পাওনা আছে সেই সব ব্যাংকের কাছে দাবি সংবলিত রিপোর্টটি উপস্থাপন করা হয়। ফলে খুব সহজেই একটি ব্যাংক তার দেনা-পাওনার হিসাব তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের নিকাশঘর দু'ধরনের পদ্ধতিতে কাজ করে। একটি হলো আন্তঃশাখা নিকাশঘর পদ্ধতি, অপরটি আন্তঃব্যাংক নিকাশঘর পদ্ধতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!