জনাব লোকমানের নারায়ণগঞ্জে একটি হোসিয়ারি কারখানা আছে। তার কারখানায় ৭০ জন শ্রমিক কাজ করে। তিনি তার দ্রব্য তৈরির কাজে বিদ্যুতচালিত সেলাই মেশিন ও কাটিং মেশিন ব্যবহার করেন। তার কারখানায় স্থায়ী মূলধনের পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা। প্রতিবছর তিনি তার ব্যবসায় থেকে ভালো মুনাফা করছেন। জনাব লোকমানের মতো আরও অনেক উদ্যোক্তা এ ধরনের শিল্প স্থাপনে আগ্রহী হলে এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হতে পারে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

কাঁচামাল বা প্রাথমিক দ্রব্যকে কারখানা ভিত্তিক প্রস্তুত প্রণালির মাধ্যমে মাধ্যমিক বা চূড়ান্ত দ্রব্যে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে শিল্প বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত বিদেশ থেকে আমদানিকৃত দ্রব্যের পরিবর্তে দেশের অভ্যন্তরে সমজাতীয় দ্রব্য উৎপাদন করার নীতিকে আমদানি বিকল্প শিল্পায়ন কৌশল বলে। এই কৌশল প্রয়োগের ফলে লেনদেনের ভারসাম্য স্থাপন, বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস এবং উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় দাতাগোষ্ঠীর অবৈধ হস্তক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। ফলে দেশের আমদানি হ্রাস পায়, দেশীয় শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটে এবং দেশ স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব লোকমান সাহেবের কারখানাটি ক্ষুদ্র শিল্পের আওতাধীন। ক্ষুদ্র শিল্প বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা এবং শ্রমিকের সংখ্যা ২৫ থেকে ৯৯ জন। ক্ষুদ্র শিল্পের বৈশিষ্ট্যগুলো সুনির্দিষ্টভাবে নিচে উল্লেখ করা হলো-

⇨ বৃহৎ শিল্প অপেক্ষা কম পুঁজি, স্বল্প সংখ্যক শ্রমিক ও মোটামুটি আধুনিক যন্ত্রপাতি দ্বারা এসব শিল্প পরিচালিত হয়।

⇨ এ শিল্পে দেশি ও বিদেশি উভয় উৎস থেকেই কাঁচামাল ও অন্যান্য উপকরণ সংগৃহীত হয়।

⇨ এ শিল্পকে দেশের কারখানা আইন মেনে চলতে হয়।

⇒ এ শিল্পের শ্রমিকরা বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সদস্য হতে পারে।
⇨ এসব শিল্পের উৎপাদনে মূল্য সংযোজনের মাত্রা কুটির শিল্প অপেক্ষা বেশি। তাই এসব শিল্পে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশি।
⇨ সাধারণত এসব শিল্পে উৎপাদিত অধিকাংশ পণ্যের বাজার দেশের অভ্যন্তরেই প্রসারিত রয়েছে।
⇨ ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানে মোটামুটি কারখানার পরিবেশ বিরাজ করে এবং তা একক, অংশীদারি অথবা সমবায়ভিত্তিক মালিকানায় পরিচালিত হয়।

অতএব উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ক্ষুদ্র শিল্পে কম পুঁজি ও কম শ্রম ব্যয়ে উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালনা করার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্যের চাহিদা পূরণ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্প বিকশিত হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যেভাবে ত্বরান্বিত হতে পারে বলে আমি মনে করি তা নিচে উল্লেখ করা হলো-

ক্ষুদ্র শিল্প সাধারণত শ্রমনিবিড় হওয়ায় এক্ষেত্রে বেশি শ্রমিক নিয়োগ করা যায়। বাংলাদেশের ন্যায় বেকার সমস্যাগ্রস্ত দেশে এ ধরনের শিল্পের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে ক্ষুদ্র শিল্পের অবদান ছিল ৩০,৯০৯ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে যা ৩.৬৪ শতাংশ। তাই ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটলে জিডিপিতে এর অবদান বৃদ্ধি পাবে ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
ক্ষুদ্র শিল্প বৃহৎ শিল্পের যন্ত্রাংশ ও প্রয়োজনীয় সাজ-সরঞ্জাম সরবরাহ করে এবং তাদের উপজাত ব্যবহার করে বৃহৎ শিল্পের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
ক্ষুদ্রায়তন শিল্পে প্রতিটি ক্রেতার রুচি ও পছন্দ অনুযায়ী দ্রব্য প্রস্তুত করা সম্ভব। ফলে সমাজে বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রব্যের গুণাগুণ পরিবর্তন করে তার যোগান দেওয়া সম্ভব হয়।
বিশেষ ধরনের দক্ষতার অভাবে বড় শিল্পে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। এক্ষেত্রে দেশের সর্বত্র ক্ষুদ্র শিল্প গড়ে ওঠে দক্ষ, কম দক্ষ নারীদের জন্য কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ক্ষুদ্র শিল্পের মাধ্যমে কম মূলধনে মুনাফা লাভ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় বলে এই শিল্প অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
40
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অল্প শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণবিহীন সদস্যরা জীবনধারণের তাগিদে পরিবারের স্বল্প মূলধন ও সহজলভ্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ঘরে বসে বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করে তা-ই কুটির শিল্প।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
99
উত্তরঃ

কোনো একটি দেশ যে সব দ্রব্য আমদানি করে থাকে, তা যদি আমদানি না করে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন করা হয় তাকে আমদানি বিকল্পন শিল্প বলে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা, মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ইত্যাদি কারণে আমদানি বিকল্পন শিল্প স্থাপন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাংলাদেশ সাধারণত গাড়ি আমদানি করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ যদি আমদানি না করে দেশের অভ্যন্তরেই গাড়ি তৈরির কলাকৌশল ব্যবহার করে গাড়ি তৈরি করতে পারে তাহলে তা আমদানি বিকল্পন শিল্প বলে গণ্য হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
107
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত শিল্পটি হলো চা শিল্প। নিচে চা শিল্পের সমস্যাগুলো ব্যাখ্যা করা হলো-

বাংলাদেশের চা শিল্প প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। কোনো বছর বৃষ্টি কম হলে চা উৎপাদন কম হয়, কারণ চা উৎপাদনের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। পাহাড়ি অঞ্চলে চা বাগান হওয়ায় মূল ভূখণ্ডের সাথে চা বাগানে যাওয়ার ভালো সড়ক নেই, এমনকি টেলিফোন লাইন, মোবাইল নেটওয়ার্ক বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও অনেক স্থানে অপ্রতুল। চা শিল্পে দক্ষ শ্রমিকের খুব অভাব, যেখানে ঐতিহাসিক কিছু অবাঙালি পরিবার চা উৎপাদনে নিয়োজিত। তারা শুধু দেখে দেখে কাজ শিখেছে। চায়ের বিকল্প হিসেবে কফির উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের চায়ের চাহিদা বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।
পুরাতন পদ্ধতিতে চা চাষের ফলে বিশ্বমানের চা উৎপাদনে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে আছে। চা বাগানগুলোতে প্রায়ই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, যার ফলে নিরাপত্তার অভাবে অনেক দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী বাগান এলাকায় বসবাস করতে চান না। ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন এদের চা অপেক্ষাকৃত উন্নত হওয়ায় রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশ এদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ে। চা বাগান তৈরি, পাতা প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনে বড় মূলধন প্রয়োজন, যা সহজে ফেরত আসে না।
তাই এ ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোক্তা, নতুন মূলধন দেখা যায় না। উল্লিখিত এসব সমস্যা বাংলাদেশের চা শিল্পে বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে বিভিন্নমুখী উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। নিচে উক্ত সমস্যার সমাধান সম্পর্কে আমার মতামত উপস্থাপন করা হলো-

চা উৎপাদনে আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি প্রয়োগ করা একান্ত প্রয়োজন। পুরনো পদ্ধতির পরিবর্তে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ করে একরপ্রতি উৎপাদন বাড়াতে হবে। অনাবৃষ্টি ও খরার সময় চা বাগানে পর্যাপ্ত সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। অদক্ষ, অশিক্ষিত শ্রমিক-কর্মচারীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে বাগানের পরিচর্যা ও পাতা সংগ্রহে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদন বাড়বে। চা বাগান এলাকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। চা বাগানের সাথে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ও পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বিভিন্ন নেটওয়ার্ক স্থাপন ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত করতে হবে। বিদেশে চা রপ্তানি বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। ব্যাপক প্রচারণা, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, প্রদর্শনী মেলায় অংশগ্রহণ রপ্তানি বাজার বৃদ্ধির সহায়ক। চা বাগানগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধাসহ সার ও কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অবশ্যই চায়ের গুণগত মান বাড়াতে হবে। চা শিল্পের উন্নয়নে নিবিড় গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করা একান্ত প্রয়োজন। গুণগত মান বজায় রাখার জন্য চায়ের উত্তম গুদামজাতকরণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্যাকেটিং প্রয়োজন। চা বাগান, প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, চা রপ্তানির সাথে জড়িত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লিখিত কার্যক্রমের মাধ্যমে চা শিল্পের সমস্যাগুলো দূর করা সম্ভম্ব বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
79
উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা, তা-ই অতি ক্ষুদ্র শিল্প।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
128
উত্তরঃ

বাংলাদেশে বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প এবং কুটির শিল্প এই দুই চরম বিপরীতধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে রয়েছে ক্ষুদ্র শিল্প।
ক্ষুদ্র শিল্প বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানাভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫০ লাখ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৫-৯৯ জন শ্রমিক কাজ করে।
ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাবান শিল্প, দিয়াশলাই শিল্প, কাঠশিল্প, হোসিয়ারি শিল্প, লবণ শিল্প ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
121
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews