যে ধরনের মুদ্রার মান বাজারের চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য অবস্থা দিয়ে সৃষ্টি হয় তাকে ভাসমান মুদ্রা বলে।
ফোরফেইটিং-এ আমদানি-রপ্তানির সব লেনদেন বিবেচিত হয় বলে এর কাজের পরিধি ফ্যাক্টরিং-এর চেয়ে বেশি।
ফ্যাক্টরিং এ শুধু বিল ক্রয়, হিসাব সংরক্ষণ, বিলের অর্থ আদায় ইত্যাদি মুখ্য। কিন্তু ফোরফেইটিং-এর ক্ষেত্রে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকের মধ্যকার প্রস্তাবিত পুরো লেনদেনই বিবেচিত হয়। তাই এর ব্যাপকতা বেশি।
জনাব শফিক প্রথমে জমাতিরিক্ত ঋণ নিয়েছেন।
ব্যাংক তার চলতি হিসাব গ্রাহকদের জমাকৃত অর্থের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলনের যে সুযোগ দেয় তাকে জমাতিরিক্ত ঋণ বলে। এর বিপরীতে কোনো জামানত রাখা হয় না। ব্যাংকের সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে এমন গ্রাহকদের ব্যাংক এই সুবিধা দেয়।
উদ্দীপকে জনাব শফিক একজন ব্যবসায়ী। X ব্যাংকে তার একটি চলতি হিসাব আছে। তিনি তার ব্যবসায় থেকে অর্জিত অর্থ সেই হিসাবে জমা রাখেন। এক্ষেত্রে বোঝা যাচ্ছে ব্যাংকের সাথে তার ভালো লেনদেন রয়েছেন। হঠাৎ তার ব্যবসায়ে পণ্যের চাহিদা বাড়ে। ফলে তার জমাকৃত অর্থের চেয়ে ৫০,০০০ টাকা বেশি উত্তোলন করতে হয়। ব্যাংক এই অতিরিক্ত অর্থের জন্য কোনো প্রকার জামানত রাখেনি। ঋণটির এসব বৈশিষ্ট্য জমাতিরিক্ত ঋণের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে যায়। তাই বলা যায়, জনাব শফিকের ঋণটি জমাতিরিক্ত ঋণ ছিল।
দ্বিতীয় পর্যায়ে জনাব শফিকের নেওয়া 'ধার' এর বিপরীতে স্থায়ী সম্পদ বন্ধক রাখা যুক্তিসঙ্গত হয়েছে।
ঋণের অর্থ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তাস্বরূপ ব্যাংক যেই সম্পদ জমা রাখে তাকে জামানত বলে। ব্যাংক অব্যক্তিক জামানতের ক্ষেত্রে স্থায়ী সম্পদ বা অস্থায়ী সম্পদ বন্ধক রাখতে পারে। ব্যাংকের কাছে এই অব্যক্তিক জামানত সবচেয়ে পছন্দনীয়।
উদ্দীপকে জনাব শফিক একজন ব্যবসায়ী। ব্যাংকের সাথে তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তিনি তার ব্যবসায় সম্প্রসারণ করতে চান। তাই তিনি ব্যাংক থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছেন। এর বিপরীতে তিনি জমি বন্ধক রেখেছেন। এক্ষেত্রে তার জামানতটি অব্যক্তিক জামানতের স্থাবর সম্পত্তি। তহবিলের ধরন অনুযায়ী জামানতের ভিন্নতা আসে। চলতি মূলধন বা স্বল্পমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে অব্যক্তিক বা অস্থাবর সম্পত্তি জামানত রাখা হয়। আবার, স্থায়ী মূলধন বা দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে স্থায়ী সম্পত্তি জামানত রাখা হয়। জনাব শফিক ব্যবসায় সম্প্রসারণ করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে তার স্থায়ী মূলধনের প্রয়োজন। তাই তিনি ব্যাংকের তহবিল ভিত্তিক ঋণ 'ধার' নিয়েছেন। এর মেয়াদ অন্যান্য ঋণ থেকে বেশি। এর বিপরীতে স্থায়ী সম্পদ বা স্থাবর সম্পত্তি জামানত রাখা হয়। এক্ষেত্রে জনাব শফিক তার জমি জামানত রেখেছে। তাই বলা যায়, তার জামানতটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
Related Question
View Allযে ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংক তার গ্রাহককে অগ্রিম ঋণ মঞ্জুর করে, কিন্তু সরাসরি নগদে সেই টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেয় না তাকে নগদ ঋণ বলে।
ব্যাংক অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উৎস থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করে তাই ব্যাংক তহবিল।
ব্যাংক একটি আর্থিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক ব্যবসায়ের সফলতা অর্জনে এ তহবিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকের নিজস্ব অর্থ ও ধার করা অর্থের সমন্বয়ে এ তহবিল গঠিত হয়।
জনাব রানার ব্যাংক জামানতটি পণ্য বন্ধক।
ঋণগ্রহীতা জামানত হিসেবে পণ্যের দখল ঋণদাতাকে দিলে তাকে পণ্য বন্ধক বলা হয়। এক্ষেত্রে পণ্যের মালিকানা ঋণগ্রহীতার, আর দখলস্বত্ব ঋণদাতার কাছে থাকে। ঋণ পরিশোধ করলে ঋণগ্রহীতা পণ্য ফিরে পায়। অন্যথায়, ঋণদাতা তা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জনাব রানার মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা আছে। ব্যবসায়িক কাজে তার বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন হয়। তাই তিনি তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। পণ্য বন্ধকের ক্ষেত্রেও প্রস্তুতকৃত পণ্য জামানত রেখে ঋণ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল হলো জনাব রানার জন্য প্রস্তুতকৃত পণ্য। এটা বন্ধক রেখে সে ৪ কোটি টাকা ঋণ পায়। জনাব রানার জামানতটি পণ্য বন্ধকের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। তাই বলা যায়, জনাব রানা পণ্য বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিলেন।
উদ্দীপক অনুযায়ী সমতা বন্ধক অর্থাৎ কারখানার জায়গাটির দলিল জামানত হিসেবে বেশি উপযুক্ত।
যে সম্পত্তির দলিলপত্র নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণদাতা জামানত হিসেবে রাখেন, তাকে সমতা বন্ধক বলে। এক্ষেত্রে সম্পত্তির দখল ঋণগ্রহীতার কাছেই থাকে। উত্তম জামানত ব্যাংকের ঋণের বিপরীতে ক্ষতির আশঙ্কা কমায়।
উদ্দীপকে জনাব রানা ও জনাব সবুজ দুজনেরই মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা রয়েছে। তাদের বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন। জনাব রানা তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। অন্যদিকে, জনাব সবুজ কারখানার জায়গাটির দলিল বন্ধক রেখে ৬ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ঋণের জামানতের ক্ষেত্রে ব্যাংক কতগুলো বিষয় বিবেচনা করে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে জামানতের মূল্যের স্থিতিশীলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচ্য বিষয়।
জনাব রানার জামানত হলো পণ্য বন্ধক। অন্যদিকে, জনাব সবুজের জামানত হলো সমতা বন্ধক। মোটরসাইকেলের মূল্য চাহিদা অনুসারে ভিন্ন হয়। তবে জায়গার মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীল। আবার আইনগত দিক বিবেচনায়ও জায়গার দলিল বেশি গ্রহণযোগ্য। তাই জনাব সবুজের সমতা বন্ধক ব্যাংকের কাছে বেশি উপযুক্ত।
ব্যাংক যে হিসাবের মাধ্যমে গ্রাহককে ঋণের টাকা প্রদান করে তাকে ঋণ হিসাব বলে।
গ্রাহক সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে KYC ফর্ম গ্রাহকের লেনদেনের সচ্ছতা নিশ্চিত করে।
KYC-এর পূর্ণরূপ হলো Know Your Customer। এ ফর্মে ব্যাংক গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, পেশা, কাজের ধরন ও অন্যান্য যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে গ্রাহক সহজে কোনো অবৈধ লেনদেন করতে পারে না। এভাবে লেনদেনের সচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!