বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বহরে ১৩টি বিমান রয়েছে।
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল নিম্নরূপ-
ঢাকা-কক্সবাজার, ঢাকা-বরিশাল, চট্টগ্রাম ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-যশোর; ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-সৈয়দপুর, -কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-যশোর, চট্টগ্রাম-সিলেট।
শমসের নগরে যাওয়ার সময় জনাব শমসের মবিন চৌধুরী বিমান পরিবহন ব্যবহার করেন।
জনাব শমসের মবিন চৌধুরী একটি গ্রুপ অব কোম্পানির স্বত্বাধিকারী। তার একটি পণ্য উৎপাদন কারখানা শমসের নগরে অবস্থিত। শমসের নগরে একটি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর রয়েছে। তাই তিনি যখন শমসের নগরে ব্যবসায়িক কাজে আসেন তখন তিনি দ্রুত গতিসম্পন্ন পথ অর্থাৎ বিমানপথ ব্যবহার করেন। নিচে একটি পূর্ণ মানচিত্র অঙ্কন করে শমসের নগর বিমানবন্দর চিহ্নিত করে দেখানো হলো-

উদ্দীপকের জনাব শমসের মবিন চৌধুরী অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য পরিবহনের জন্য বিমানপথ ব্যবহার করেন।
উদ্দীপকের জনাব শমসের মবিন চৌধুরী একজন গ্রুপ অব কোম্পানির স্বত্বাধিকারী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে এবং বহির্বিশ্বের সাথে তার ব্যবসায় রয়েছে। ব্যবসায়িক কাজে যখন তিনি শমসের নগরে আসেন তখন তিনি আরামদায়ক এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন পথ ব্যবহার করেন।
এমনকি পচনশীল অন্যান্য হালকা পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির ক্ষেত্রেও এ পথ অর্থাৎ বিমানপথ ব্যবহার করেন। জনাব শমসের মবিন চৌধুরী আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত পথ অর্থাৎ বিমানপথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্যা, দুর্ভিক্ষ, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দুর্গত এলাকায় যখন খাদ্য সংকট থাকে তখন দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে যোগাযোগ ও ত্রাণসামগ্রী প্রেরণের একমাত্র মাধ্যম বিমানপথ। বাংলাদেশ বিমান আন্তর্জাতিক পথে পণ্য ও যাত্রী বহন করে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। বাংলাদেশ বিমান আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ২৬টি গন্তব্যে জাতীয় পতাকা বুকে নিয়ে অবতরণ করছে। ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতি ঝড়ছে। বিমানপথের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসম্পাদনের জন্য প্রচুর কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাছাড়া দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে বিমান যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিমান অভ্যন্তরীণ রুটে ১,৮৮,৪৩৯ জন যাত্রী ও আন্তর্জাতিক রুটে ১২,৩৬,৭৬৬ জন যাত্রী পরিবহন করে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১৯৮ কোটি টাকা এবং ২০১০-১১ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ১৭৯ কোটি টাকা আয় করেছে। পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ বিমান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষম হচ্ছে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়ক।
সুতরাং বলা যায়, শুধু এ দেশেই নয় সমগ্র বিশ্বে দ্রুত যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে বিমান চলাচল ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
Related Question
View Allবাংলাদেশের একটি নদী বন্দরের নাম হলো গোয়ালন্দ নদী বন্দর।
ভগ্ন উপকূল বন্দর স্থাপনে সহায়ক।
ভগ্ন উপকূলে বহু গভীর প্রশস্ত খাঁড়ি দেখা যায়। এরূপ অবস্থায় অধিকসংখ্যক জাহাজ এক সাথে পোতাশ্রয়ে অবস্থান করতে পারে। এছাড়া প্রাকৃতিকভাবে ভগ্ন উপকূলীয় এলাকাগুলো সামুদ্রিক ঝড়, প্রবল স্রোত প্রভৃতি দুর্যোগমুক্ত থাকে। তাই বন্দর স্থাপনের জন্য ভগ্ন উপকূল গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
উদ্দীপকে 'ক', 'খ' হলো যথাক্রমে চট্টগ্রাম ও ঢাকা যেখানে ব্যবহৃত পরিবহন মাধ্যমটি হলো সড়কপথ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম হলো সড়কপথ। কৃষিকাজের জন্য অতি প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক, বীজ এবং উৎপাদিত পচনশীল কৃষিপণ্য, শিল্পকারখানার কাঁচামাল প্রভৃতি জরুরি ভিত্তিতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবহনের জন্য সড়কপথ অন্যতম মাধ্যম।
উদ্দীপকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াতের জন্য উত্তম মাধ্যম হলো সড়কপথ। ঢাকা হলো বাংলাদেশের রাজধানী। আর চট্টগ্রাম হলো বাণিজ্যিক নগর। তাই এ দুই অঞ্চলের মধ্যে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপনে সড়কপথ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সড়কপথের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। অগণিত কৃষি ও শিল্প পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম অথবা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পৌছানোর জন্য সড়কপথই একমাত্র গুরুতত্বপূর্ণ পথ। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এ পথে যাতায়াত করে থাকে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখতে এ পথ বিভিন্নভাবে ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকে 'ক' 'খ' হলো সড়কপথ এবং 'খ'-'গ' হলো বিমানপথ। নিচে সড়কপথ ও বিমানপথের ধরন বিশ্লেষণ করা হলো।" বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করার জন্য উন্নত রাস্তা/সড়ক অপরিহার্য। তবে সব অঞ্চলে যোগাযোগের জন্য ভালো সড়কপথ নেই। ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে এক একটি অঞ্চলে সড়ক ব্যবস্থার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। গ্রাম, উন্নয়ন, পৌরসভা, শহর, নগর প্রভৃতির অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে জাতীয় জনপথ, জেলা বোর্ড সড়কপথ, উপজেলা সড়কপথ, ইউনিয়ন পরিষদ সড়কপথ রয়েছে।
অন্যদিকে আধুনিক যুগে বিমানে যাতায়াতের গুরুত্ব অপরিসীম।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমান সার্ভিসে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলার সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। বিমানপথ বাংলাদেশের পরিবহনব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। অভ্যন্তরীণ সার্ভিস ব্যবস্থায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম থেকে যশোর, কক্সবাজার, সিলেট প্রভৃতি স্থানে যাওয়া যায়।
বর্তমানে বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। তন্মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর। এটি রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। এর পরেই চট্টগ্রাম শাহ আমানত এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানমন্দর রয়েছে
মংলা বন্দর পশুর নদীর তীরে অবস্থিত।
কোনো একটি বন্দরে যে অঞ্চলের বহির্দ্ধায়ের কাজ করে সেই অঞ্চলকে উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি বলে।
অন্যভাবে বলা যায় যেসব স্থানের রপ্তানি দ্রব্যসমূহ কোনো বন্দরের মধ্যদিয়ে বিদেশে প্রেরণ করা হয় এবং ঐসব অঞ্চলের আমদানি দ্রব্যসমূহ ঐ বন্দরের মধ্য দিয়ে বিদেশ হতে আনয়ন করা হয়। সে অঞ্চলটি হলো উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি। তাই বন্দরের উন্নতি বহুলাংশে এর পশ্চাদভূমির বিস্তার ও সমৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে। পশ্চাদভূমি যত বেশি বিস্তৃত, জনবহুল, শিল্পপ্রধান ও সম্পদশালী হবে বন্দর তত বেশি অগ্রগতি লাভ করবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!