এক বাংলাদেশে সর্বমোট ৪৪৩টি রেলস্টেশন আছে।
যাতায়াত ব্যবস্থা বলতে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ এবং মালপত্র ও লোক চলাচলের মাধ্যমেক বোঝায়। যেমন- স্থল, জল ও আকাশপথ। এসব পথ ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন স্থানে চলাচল করি এবং বাণিজিক্য, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ গড়ে তুলি। স্থল পথে চলাচলে সড়ক ও রেল এবং জলপথে নৌ ও সমুদ্র বন্দর যোগাযোগে ভুমিকা রাখে।
জনাব শাহ আলমের ১ম যোগাযোগ ব্যবস্থাটি হলো সড়ক। সড়ক পথ গড়ে উঠার অনুকূল অবস্থাসমূহ-
সমতলভূমি: সমতলভূমি সড়কপথে গড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এজন্য ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে অনেক সড়কপথ গড়ে উঠেছে।
মৃত্তিকার গঠন: মৃত্তিকার বুনন যদি স্থায়ী বা মজবুত হয় তবে বৃষ্টিতে কম ক্ষয় হয়। শক্ত মৃত্তিকার উপর সড়কপথ গড়ে উঠলে তা স্থায়ী হয়।
সমুদ্রের অবস্থান ও শিল্পক্ষেত্রের অবস্থান: সমুদ্র উপকলে বন্দর গড়ে
ওঠে। বন্দর ও শিল্পক্ষেত্রকে কেন্দ্র করেও অনেক সড়কপথ গড়ে ওঠে। এজন্য মংলা এবং চট্টগ্রাম ও অন্যান্য শিল্প অঞ্চলে সড়কপথ গড়ে উঠেছে।
উদ্দীপকে দ্বিতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থাটি হলো রেল। দেশের সর্বত্র রেল যোগাযোগ গড়ে উঠেনি। এর কারণ মূলত-
বন্ধুর ভূপ্রকৃতি: উঁচুনিচু ও বন্ধুর প্রকৃতির ভূমিরূপের জন্য পার্বত্য এলাকায় রেলপথ নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। তাই বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ের গা বেয়ে রেলপথ নেই বললেই চলে।
নিম্নভূমি ও মৃত্তিকা: মৃত্তিকার বুনন যথেষ্ট মজবুত না হলে রেলপথ গড়ে ওঠে না। এছাড়া নদী বেশি থাকলে রেলপথ গড়ে ওঠাও কঠিন। তাই বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে রেলপথ কম
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!