যে সকল সম্ভাব্য বিপজ্জনক বা ঝুঁকিগত অবস্থায় অথবা কোনো দুর্ঘটনায় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিশ্চিতভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয় তাকে খাঁটি ঝুঁকি বলে।
ঋণ মূলধন ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়।
প্রতিষ্ঠানে ঋণ মূলধন ব্যবহারের ফলে ঋণের সুদ এবং আসল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাকে আর্থিক ঝুঁকি বলে। প্রতিষ্ঠানের ঋণ মূলধনের পরিমাণের ওপর আর্থিক ঝুঁকি নির্ভর করে। কোনো প্রতিষ্ঠানে ঋণকৃত মূলধন না থাকলে ঐ প্রতিষ্ঠানে আর্থিক ঝুঁকিও থাকবে না। এ ঝুঁকির কারণে প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।
চানাচুর প্রকল্পটির প্রত্যাশিত আয়ের হার নির্ণয় :
আমরা জানি,
প্রত্যাশিত আয়ের হার
= ৫.৪০+৭+২
= %
সুতরাং চানাচুর প্রকল্পটির প্রত্যাশিত আয়ের হার ১৪.৪০%।
জনাব শিপনের কোন প্রকল্পটিতে বিনিয়োগ করা অধিকতর যুক্তিযুক্ত তা বিভেদাঙ্কের মাধ্যমে নির্ণয় :
চানাচুর প্রকল্পের বিভেদাঙ্ক নির্ণয় :
এখানে
প্রত্যাশিত আয়ের হার ['গ' হতে প্রাপ্ত]
আদর্শ বিচ্যুতি
আমরা জানি,
বিভেদাঙ্ক (CV) = আদর্শ বিচ্যুতি () /প্রত্যাশিত আয়ের হার ()/× ১০০
%
চিপস প্রকল্পের বিভেদাঙ্ক নির্ণয় :
এখানে
প্রত্যাশিত আয়ের হার
= ১৬.৯০%
আদর্শ বিচ্যুতি
আমরা জানি,
বিভেদাঙ্ক (CV) =আদর্শ বিচ্যুতি ()/প্রত্যাশিত আয়ের হার //× ১০০
লক্ষণীয় যে, চানাচুর প্রকল্পের বিভেদাঙ্ক ১৯.৪৪% যা চিপস প্রকল্পের বিভেদাঙ্ক ২৬.৬৩% হতে কম। অর্থাৎ চানাচুর প্রকল্পের ঝুঁকি কম। এমতাবস্থায় বলা যায়, জনাব শিপনের চানাচুর প্রকল্পের বিনিয়োগ করা অধিকতর যুক্তিযুক্ত হবে।
Related Question
View Allঅর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন, সরকারি নীতির পরিবর্তন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ইত্যাদি কারণে যে ঝুঁকির সৃষ্টি হয় তাকে বাজার ঝুঁকি বলে।
সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত দীর্ঘমেয়াদি বন্ডকে ট্রেজারি বন্ড বা সরকারি বন্ড বলে।
সরকারি বন্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি থাকে না। বিনিয়োগ ঝুঁকি বলতে বন্ডের সুদ ও আসল টাকা পরিশোধ করার অসামর্থ্যকে বোঝায়। সরকারি বন্ডে এ ধরনের ঝুঁকি প্রযোজ্য নয়, কারণ সরকার দেউলিয়া হতে পারে না। তাছাড়া সরকার প্রয়োজনে বাধ্যতামূলকভাবে কর আদায় করতে পারে।
সিকিউরিটি A এর গড় আয়ের হার নির্ণয়:
আমরা জানি
গড় আয়ের হার
সিকিউরিটি B-এর গড় আয়ের হার নির্ণয়:
আমরা জানি,
গড় আয়ের হার
=
= ৮%
সুতরাং সিকিউরিটি A এবং সিকিউরিটি B এর গড় আয়ের হার যথাক্রমে ১০% ও ৮%।
সিকিউরিটি A এর ব্যবধানংক নির্ণয়:
সিকিউরিটি A এর গড় আয়ের হার
আদর্শ বিচ্যুতি
আমরা জানি
ব্যবধানংক =আদর্শ বিচ্যুতি /গড় আয়ের হার /× ১০০
= ৫০%
সিকিউরিটি B এর ব্যবধানংক নির্ণয়:
এখানে
সিকিউরিটি B এর গড় আয়ের হার
আদর্শ বিচ্যুতি =
= ১৪.৪২%
আমরা জানি
বাবধানংক আদর্শ বিচ্যুতি /গড় আয়ের হার /× ১০০
= ১৮০.২৫%
লক্ষণীয় যে, সিকিউরিটি A এর ব্যবধানংক ৫০% এবং সিকিউরিটি B এর ব্যবধানংক ১৮০.২৫%। এক্ষেত্রে সিকিউরিটি A এর ব্যবধানংক সিকিউরিটি B অপেক্ষা কম অর্থাৎ ঝুঁকি কম। এমতাবস্থায় কম ঝুঁকি বিবেচনায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিকউরিটি A উত্তম হবে।
বিনিয়োগ হতে প্রত্যাশিত আয় ও প্রকৃত আয়ের বিচ্যুতিকে ঝুঁকি বলে।
একাধিক সিকিউরিটি বা প্রকল্পের সমাহারকে পোর্টফোলিও বলে। পোর্টফোলিও গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীর ঝুঁকি হ্রাস করা। কারণ একটি সম্পদ হতে ক্ষতি হলেও অন্যান্য সম্পদের লাভহতে তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!