আদর্শ বিচ্যুতির বড় মান বেশি ঝুঁকি নির্দেশ করে।
বহিস্থ তহবিল ব্যবসায়ে ব্যবহার করা হলে সুদসহ ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হয় বলে এ অর্থায়নে ঝুঁকি বেশি।
ব্যবসায়টি যদি লাভজনক না হয় তাহলে দায় পরিশোধে অক্ষমতা দেখা দিতে পারে। অপরদিকে দীর্ঘদিন দায় পরিশোধ করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বহিস্থ অর্থায়নে বেশি ঝুঁকি থাকে।
উদ্দীপকে জনাব সাইফুল আহমেদ প্রথমে ব্যবসায়িক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন।
পরিচালনা খরচ পরিশোধের অক্ষমতা থেকে ব্যবসায়িক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল খরচ, অফিস খরচ, বিমা খরচ প্রভৃতি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়া থেকেই এ ঝুঁকির সৃষ্টি উদ্দীপকে জনাব সাইফুল আহমেদ কাওরান বাজারে একটি রিটেইল ফুড স্টোর চালু করেন। প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীর বেতন, দোকান ভাড়া ও অন্যান্য খরচসহ মাসিক পরিচালন ব্যয়ের পরিমাণ ২,৯০,০০০ টাকা। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির খাবারের মান খারাপ হওয়ায় বিক্রির পরিমাণ কমে যায়। ফলে জনাব সাইফুল আহমেদ ব্যবসায়ের পরিচালন ব্যয় চালাতে পারছেন না। এখানে তিনি প্রতিষ্ঠানের পরিচালন খরচ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় নিঃসন্দেহে বলা যায়, তিনি ব্যবসায়িক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন
উদ্দীপকে জনাব সাইকুল আহমেদ ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে অর্থায়ন করলে আর্থিক ঝুঁকির পরিমাণ কমানো যেত।
বহিস্থ উৎস থেকে গৃহীত ঋণের সুদ আসলাসহ সময়মতো পরিশোধ করতে না পারার আশঙ্কাকে আর্থিক ঝুঁকি বলা হয়। মূলত সয় পরিশোধের অক্ষমতা থেকেই এ ঝুঁকির সৃষ্টি হয়। উদ্দীপকে জনাব সাইফুল আহমেদ কাওরান বাজারে একটি রিটেজন
ফুড স্টোর চালু করেছেন। সম্প্রতি খাবারের মান খারাপ হওয়ায় বিক্রির পরিমাণ কমে যায়। ফলে ব্যাবসায়ের পরিচালনা ব্যয় চলতে না পারায় তিনি ব্যবসায়িক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি ঢাকা ব্যাংক থেকে ৯০% হার সুদে ৩ লাক্ষ টাকা ঋণ নেন। এখানে ব্যবসায়ের আয় কম হওয়ায় জনাব সাইফুল আহমেদ প্রথমেই ব্যবসায়িক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন। পরবর্তীতে, তিনি যদি কানের সুদ ও আসল ফেরত না দিতে পারেন তাহলে নতুন করে তাকে আর্থিক ঝুঁকিও মোকাবেলা করতে হবে। তবে তিনি যদি বলা না নিয়ে ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে অর্থায়ন করতেন তাহলে কোনো আর্থিক ঝুঁকির সম্মুখীন হতেন না। তাই বলা যায়, ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে অর্থায়ন করলে জনাব সাইফুল আহম্মেদ ঝুঁকির পরিম্নণ কিছুটা কমাতে পারতেন
Related Question
View Allঅতীতে অর্জিত আয়ের বিচ্যুতি থেকে ব্যবসায়ের ঝুঁকি পরিমাপ করা হয়।
ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার কারণে ব্যবসায় ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ফলের চাইতে প্রকৃত ফল কম হয়।
ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট ভবিষ্যতের প্রতিটি বিষয় অনিশ্চিত। এ কারণে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ফলাফল প্রত্যাশিত ফলের চেয়ে কম-বেশি হয়। ব্যবসায়ে আশানুরূপ বিক্রি না হওয়া, বেশি মূল্যে কাঁচামাল ক্রয়, প্রতিটি ক্ষেত্রে ঝুঁকি বিদ্যমান থাকা, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত মুনাফা অর্জনে ব্যর্থতা, আয়ের উত্থান-পতন ইত্যাদি কারণে ব্যবসায়ে প্রত্যাশিত ফলের চেয়ে প্রকৃত ফল কম হয়।
উদ্দীপকে আধুনিক বাজারজাতকরণ সম্পর্কিত জ্ঞানের অভাবে রোমানার ব্যবসায়ে কম সাফল্য হয়।
পণ্যদ্রব্য উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার কাছে বিক্রি করা পর্যন্ত সমুদয় কাজকে বাজারজাতকরণ বলে। একজন সফল ব্যবসায়ীর মধ্যে বাজারজাতকরণের জ্ঞান ও দক্ষতা থাকা জরুরি। কেননা পণ্যদ্রব্য শুধু উৎপাদন বা কিনলে বিক্রয় বৃদ্ধি বা মুনাফা অর্জন হয় না। উক্ত পণ্যটির বাজারজাতকরণ বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত কৌশল গ্রহণ করতে হয়। উদ্দীপকের রোমানা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট থেকে পাশ করে মনিপুরী তাঁত বস্ত্রের বিভিন্ন পোশাক সামগ্রীর ব্যবসায় শুরু করেন। তিনি শুধু সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলকে নির্বাচন করে ব্যবসায় গড়ে তোলেন। এক্ষেত্রে একটি
স্থান নির্বাচন করায় তার পণ্যের বিক্রির পরিমাণ কম। সিলেট ছাড়াও যদি ঢাকা, কুমিল্লা বা অন্য শহরে তার ব্যবসায় স্থাপন করতেন তবে রায়না হকের মতো তিনিও সফল হতেন। এছাড়া তার তাঁত বস্ত্রের চাহিদা রয়েছে সিলেটের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে। তিনি যদি সামগ্রিক বাজার চাহিদা বিশ্লেষণ করে সুষ্ঠু ব্যবসায় পরিকল্পনা গ্রহণ করতেন তাহলে ব্যবসায়ে বিক্রি বাড়ানোর মাধ্যমে আয়ের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পারতেন। মূলত এসব কারণেই রোমানা তার ব্যবসায়ে কম সাফল্য অর্জন করেন।
উদ্দীপকে রায়না ও রোমানার ব্যবসায়িক চিত্রানুযায়ী রায়না হকের প্রতিষ্ঠানে মুনাফার হার বেশি এবং রোমানার প্রতিষ্ঠানে মুনাফার হার কম।
ব্যবসায় শুরু করার আগে প্রতিটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের বাজার চাহিদা বিচার-বিশ্লেষণ করে সেই অনুযায়ী কার্য বাস্তবায়ন করতে হয়। তাহলে ব্যবসায়ের কাঙ্ক্ষিত মুনাফার্জন সম্ভব হয়।
উদ্দীপকে রোমানা সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে মনিপুরী তাঁত বস্ত্রের ব্যবসায় করে। এর চাহিদা ঐ অঞ্চলে তৈরি হয় না। কারণ তারা নিজেরাই তাদের পোশাক তৈরি করে। অন্যদিকে রায়না ঢাকা ও কুমিল্লায় চাহিদা অনুযায়ী তার ফ্যাশন হাউজ প্রতিষ্ঠা করে লাভবান হয়।
চিত্রে দেখা যায়, রায়না হকের মুনাফা প্রতিবছর ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রোমানার মুনাফার হারে প্রতিবছর হ্রাস-বৃদ্ধি হয়েছে। শেষ বছরে রায়না রোমানার চেয়ে ৬ ধাপ বেশি মুনাফা অর্জন করে। আর রোমানার ব্যবসায়ে উত্থান-পতন বেশি বলে তার ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ ভালো নয়। তাই বলা যায়, চিত্রানুযায়ী রোমানার চেয়ে রায়নার ব্যবসায়ের অবস্থান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
