সংক্ষেপে বার্তা লিখে দেশ-বিদেশের যেকোনো মোবাইল ফোন নম্বরে মুহূর্তের মধ্যে বার্তা বা সংবাদ প্রেরণের সহজ ব্যবস্থাকেই ক্ষুদেবার্তা বলে।
কোনো প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মীর প্রতি সমান আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনের নীতিকেই ব্যবস্থাপনার সাম্যের নীতি বলে।
সাম্যের নীতি ন্যায়পরায়ণতার সাথে সম্পৃক্ত। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সকল উর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাদের অধস্তনদের সমান চোখে দেখেন। ফলে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন ও অধস্তন কর্মকর্তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক সৃষ্টি হয়, যা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে জনাব সাকিলের সংগঠনে সমন্বয়ের ভারসাম্যের নীতির অভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল।
ভারসাম্য নীতি হলো এমন দিকনির্দেশনা, যা পালনের ফলে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জন সহজতর হয়। সমন্বয়ের বহুবিধ নীতির মধ্যে অন্যতম হলো ভারসাম্য নীতি।
উদ্দীপকে জনাব সাকিল যেভাবে সংগঠন কাঠামো গড়ে তুলেছেন তাতে বিভিন্ন বিভাগে কাজ ও জনসংখ্যার মধ্যে মিল নেই। যে কারণে কোনো বিভাগ কার্যভারগ্রস্ত, আবার কোনো বিভাগের কাজ নেই। ফলে কার্যক্ষেত্রে সমস্যার অন্ত নেই। অর্থাৎ জনাব সাকিলের সংগঠন কাঠামোতে প্রতিটা বিভাগ ও উপবিভাগের কাজে ভারসাম্য নীতি না থাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তি ও বিভাগের কাজ যদি পরিমিত হয় তবে কারও দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার আবার কারও পিছু পড়ার সুযোগ থাকে না। ফলে সবাই সমান তালে অগ্রসর হতে পারে। তাই বলা যায়, জনাব সাকিলের সংগঠনে সমন্বয়ের ভারসাম্য নীতি লঙ্ঘন করায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে জনাব সাকিল পরবর্তীতে কার্যকর সমন্বয়ে দলীয় সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করেছেন তা অত্যন্ত কার্যকর।
প্রতিটা ব্যক্তি, দল ও উপদল, বিভাগ ও উপবিভাগ যার যার মতো না চলে দলীয় সমঝোতা অনুযায়ী বা মিলে-মিশে চলার নীতিকেই দলীয় সমঝোতার নীতি বলে।
উদ্দীপকে জনাব সাকিল জনবল পুনঃবিন্যাস করলেন। প্রতিটা বিভাগীয় প্রধান যেন স্ব-উদ্যোগে অন্য বিভাগের সাথে নিজেদের সঙ্গতি রেখে দলীয় প্রচেষ্টা জোরদার করে এজন্য সবাইকে উৎসাহিত করলেন। একান্ত প্রয়োজনেই তিনি এক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করেন। অর্থাৎ . জনাব সাকিল পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভাগ ও উপবিভাগের কাজে দলীয় সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। এক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সমন্বয় ব্যবস্থা সবসময়ই ভালো ফল দিতে পারে না। কর্মী বা বিভাগের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপনে অনানুষ্ঠানিক ও দলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে ভালো ফল পাওয়া যায়।
পরিশেষে বলা যায়, প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে কার্যকর সমন্বয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হলে উক্ত দলীয় সমঝোতা বজায় থাকা আবশ্যক। অন্যথায় যত চেষ্টা করাই হোক না কেন প্রতিষ্ঠানে যথাযথ সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
Related Question
View Allপূর্বনির্ধারিত ফল লাভের উদ্দেশ্যে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে লক্ষ্য বলে।
উদ্দেশ্যের ঐক্য নীতি হলো প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যের আলোকে বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নির্দিষ্ট করা।
উদ্দেশ্যের ঐক্য নীতিতে মূল লক্ষ্যের আলোকে উপবিভাগীয় পর্যায়ে উদ্দেশ্য নিরূপিত হয় এবং সেই সাথে সমান্তরাল বিভাগ ও উপরিভাগের উদ্দেশ্যে একে অপরের সাথে সমন্বিত হয়। এভাবে বিভাগ এবং সার্বিকভাবে প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য অর্জনে সমন্বিত প্রয়াস তৈরি হয়। তাই কার্যকর সমন্বয়ে উদ্দেশ্যের ঐক্য স্থাপন জরুরি।
উদ্দীপকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ফেওলের বিকেন্দ্রীকরণের নীতি অনুসৃত হয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিচের পর্যায়ের ব্যবস্থাপকদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলে তাকে বিকেন্দ্রীকরণ বলে।
উদ্দীপকের সিলভার এন্টারপ্রাইজের অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা পর্যায়ক্রয়ে ব্যবস্থাপনার নিচের স্তরে প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত উচ্চস্তরের ব্যবস্থাপকরা নিয়ে থাকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ভার পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থাপনার নিচের স্তরে প্রদান করে। সুতরাং উদ্দীপকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ফেওলের বিকেন্দ্রীকরণের নীতি অনুসৃত হয়েছে।
প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের প্রচেষ্টাবলিতে একসাথে গ্রথিত, সংযুক্ত ও সুসংহত করার প্রক্রিয়াকে সমন্বয় বলে।
সুষ্ঠু সমন্বয় ছাড়া বর্তমানকালে কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই বৃহদায়তন উৎপাদন সম্ভব নয়। কারণ সমন্বয় প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের কাজের মধ্যে সেতুবন্ধ সৃষ্টি করে- যার ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মপ্রয়াস স্বাচ্ছন্দ্যে একক লক্ষ্যপানে ধাবিত হয় এবং লক্ষ্যার্জন নিশ্চিত করে।
উদ্দীপকের সিলভার এন্টারপ্রাইজের অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থাপনার নিচের স্তরে প্রদান করেন। আবার প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের কর্মীর কার্যসম্পাদনে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য তিনি একে অন্যের সাথে যোগসূত্র স্থাপনে সহায়তা করেন। ফলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হয়। মূলত প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থার ফলে সকল স্তরের কর্মীর মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হয়েছে, যা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথ সহজ করেছে। তাই বলা যায়, সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের প্রচেষ্টাবলিকে একসাথে গ্রথিত, সংযুক্ত ও সুসংহত করার প্রক্রিয়াকে সমন্বয় বলে।
চিন্তা, কাজ ও পদ্ধতিতে প্রয়োজনে পরিবর্তন এনে প্রচেষ্টাকে চিন্তা, লক্ষ্যাভিমুখী করার নীতিকেই নমনীয়তার নীতি বলে।
সমন্বয় কার্যকে ফলদায়ক করার জন্য এ কাজে প্রয়োজনীয় নমনীয়তার সুযোগ থাকা উচিত। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সমন্বয় কৌশল পরিবর্তন করতে হতে পারে। তাই প্রয়োজনে যাতে সমন্বয়ের পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া আবশ্যক। প্রয়োজনে আনুষ্ঠানিক নিয়মনীতিকে এড়িয়ে যাতে এক বিভাগ অন্য বিভাগের সাথে দ্রুত সমন্বয়সাধন করতে পারে তার ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!