জনুক্রম কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

জীবের জীবনচক্রে হ্যাপ্লয়েড (\(n\)) বা লিঙ্গধর দশা এবং ডিপ্লয়েড (\(2n\)) বা রেণুধর দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে জনুক্রম (Alternation of generations) বলে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
159

Related Question

View All
উত্তরঃ

মেরুদণ্ডী পোষকদেহে (যেমন: মানবদেহে) প্লাজমোডিয়ামের (Plasmodium) বহুখণ্ডী বিভাজন পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়াকে সাইজোগনি (Schizogony) বলা হয়।

এ প্রক্রিয়ায় প্লাজমোডিয়ামের একক নিউক্লিয়াসযুক্ত ট্রফোজয়েট দশার পর নিউক্লিয়াসটি বারবার মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে বিভক্ত হয়ে বহুনিউক্লিয়াসবিশিষ্ট 'সাইজন্ট' (Schizont) গঠন করে। পরবর্তীতে প্রতিটি নিউক্লিয়াস কিছুটা সাইটোপ্লাজম ও প্লাজমা মেমব্রেন দ্বারা আবৃত হয়ে 'মেরোজয়েট' (Merozoite)-এ পরিণত হয়। মানবদেহে সাইজোগনি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়— যকৃৎ কোষে সংঘটিত হেপাটিক সাইজোগনি এবং লোহিত রক্তকণিকায় সংঘটিত এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
246
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদর্শিত 'A' চিহ্নিত অনুজীবটি হলো \(T_2\) ব্যাকটেরিওফাজ (Bacteriophage) ভাইরাস। এই ভাইরাসের পোষক কোষ (*E. coli* ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংসের মাধ্যমে সংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটিকে লাইটিক চক্র (Lytic Cycle) বলা হয়।

লাইটিক চক্রের মাধ্যমে \(T_2\) ফাজ ভাইরাস পোষকদেহে যেভাবে তার বংশবৃদ্ধি ঘটায়, তা নিচে পর্যায়ক্রমিকভাবে বর্ণনা করা হলো:

        
  1. পোষকদেহে স্পার্শক তন্তুর সংযুক্তি (Attachment/Adsorption): \(T_2\) ফাজ তার স্পর্শক তন্তু ও স্পাইকের সাহায্যে নির্দিষ্ট *E. coli* ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের রিসেপ্টর স্থানে এসে যুক্ত হয়।
  2.     
  3. ভাইরাল DNA প্রবেশকরণ (Penetration): ভাইরাসের লেজ থেকে নিঃসৃত লাইসোজাইম (Lysozyme) এনজাইম ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর গলিয়ে দেয়। এরপর ভাইরাসের প্রোটিন আবরণী বাইরে রেখে কেবল তার দ্বিসূত্রক DNA টি ব্যাকটেরিয়ার অভ্যন্তরে প্রবেশ করায়।
  4.     
  5. সংশ্লেষণ (Synthesis): ভাইরাল DNA ব্যাকটেরিয়ার বংশগতীয় নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেয় এবং ব্যাকটেরিয়ার রাইবোসোম ও এনজাইম ব্যবহার করে নিজস্ব DNA এবং প্রোটিন আবরণী (ক্যাপসিড) সংশ্লেষ করতে শুরু করে।
  6.     
  7. একত্রিতকরণ বা অ্যাসেম্বলি (Assembly): নতুন তৈরি হওয়া ভাইরাল DNA এবং ক্যাপসিডের বিভিন্ন অংশ (মস্তক, লেজ, স্পাইক) একত্রিত হয়ে এক একটি পূর্ণাঙ্গ \(T_2\) ফাজ ভাইরাসে পরিণত হয়।
  8.     
  9. অপত্য ভাইরাসের মুক্তি (Lysis and Release): ব্যাকটেরিয়ার কোষের ভেতরে বহু অপত্য ফাজ ভাইরাস জমা হলে লাইসোজাইম এনজাইমের প্রভাবে ব্যাকটেরিয়ার প্রাচীর ফেটে যায় (Lysis ঘটে) এবং নতুন ভাইরাসগুলো মুক্ত হয়ে নতুন ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করতে প্রস্তুত হয়।

লাইটিক চক্রের চিত্রভিত্তিক প্রবাহচিত্র (Flowchart):

[ \(T_2\) ফাজ সংযুক্তি ] → [ DNA প্রবেশকরণ ] → [ ব্যাকটেরিয়াজাত DNA ধ্বংস ও নতুন ভাইরাল DNA/প্রোটিন সংশ্লেষ ] → [ অপত্য ফাজ সংযোজন/অ্যাসেম্বলি ] → [ পোষক কোষ প্রাচীর বিগলন (Lysis) ও মুক্তায়ন ]

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
145
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'A' (টি-টু ব্যাকটেরিওফাজ) এবং 'B' (গোলাকার ভাইরাস/করোনাভাইরাস) চিত্রে প্রদর্শিত অনুজীব দুটি ভাইরাস গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে। জীবজগতে ভাইরাসের শ্রেণীবিন্যাসগত অবস্থান নিয়ে বিজ্ঞানী মহলে দীর্ঘদিন ধরে দ্বিধা ও বিতর্ক বিদ্যমান, কারণ এরা জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী এক অনন্য সত্তা (Borderline entity)।

জীববিজ্ঞানের সর্বাধুনিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতিসমূহ (যেমন- হুইটেকার ও মারগুলিসের পঞ্চরাজ্য ধারণা) মূলত সুনির্দিষ্ট কোষীয় গঠনের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ভাইরাস হলো অকোষীয় (Acellular)। এদের কোনো নির্দিষ্ট সাইটোপ্লাজম, কোষ অঙ্গাণু বা নিজস্ব বিপাকীয় এনজাইম ব্যবস্থা নেই। পোষকদেহের বাইরে এরা সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় জড় বস্তুর মতো অবস্থান করে। ফলে অন্যান্য স্বাধীন জীবের মতো কোনো সুনির্দিষ্ট রাজ্যে (Kingdom) এদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয় না।

জীবজগতে ভাইরাসের অবস্থান নিয়ে দ্বিধা সৃষ্টির মূল কারণ এদের দেহে বিদ্যমান দ্বৈত (জড় ও জীবীয়) বৈশিষ্ট্য। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

        
  • জড় প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য: ভাইরাসের কোনো জীবন্ত কোষীয় সংগঠন নেই। এদের রাসায়নিক কেলাস বা স্ফটিকে (Crystals) রূপান্তর করা যায়। জীবদেহের বাইরে এদের মধ্যে কোনো শ্বসন, পুষ্টি, বৃদ্ধি বা বিপাকীয় কার্যক্রম ঘটে না।
  •     
  • জীবীয় প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য: ভাইরাসের দেহে বংশগতির মূল উপাদান নিউক্লিক এসিড (DNA বা RNA) এবং প্রোটিন আবরণ থাকে। জীবন্ত পোষককোষের ভেতরে প্রবেশ করলে এরা নিজস্ব প্রতিরূপ সৃষ্টির (Replication) মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এছাড়া এদের মধ্যে মিউটেশন বা পরিব্যক্তি ঘটার ক্ষমতা রয়েছে।

অতএব, দেখা যায় যে ভাইরাস পুরোপুরি জীবও নয়, আবার কেবল জড় রাসায়নিক পদার্থও নয়। এরা জড় ও জীবের সংযোগকারী সেতু (Bridge between living and non-living) এবং বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় পরজীবী। এদের এই ব্যতিক্রমী অকোষীয় ও দ্বৈত বৈশিষ্ট্যের কারণেই জীবজগতে ভাইরাসের সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা নিয়ে দ্বিধার সৃষ্টি হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
148
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews