জন্মিলে মরিতে হবে,

অমর কে কোথা কবে, চিরস্থির কবে নীর, হায় রে, জীবন-নদে?

কিন্তু যদি রাখ মনে

নাহি, মা, ডরি শমনে;

মক্ষিকাও গলে না গো পড়িলে অমৃত হ্রদে।

সেই ধন্য নরকুলে

লোকে যারে নাহি ভুলে,

মনের মন্দিরে সদা সেবে সর্বজন;

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে প্রাণের খেলা চিরতরঙ্গিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

মানুষের জীবনের বিচিত্র অনুভব ও কর্মের জগৎকে কবি তাঁর সৃষ্টির মধ্যে প্রাণময় করে তুলে মানব হৃদয়ে স্থান পেতে চেয়েছেন।

'প্রাণ' কবিতায় কবি জগতের মায়া ত্যাগ করে অন্য কিছুর আহ্বানে প্রলুব্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করতে চান না। তাঁর সৃষ্টির জগৎ বিপুল। তিনি সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে মানব হৃদয়ে ঠাঁই পেতে চান। কবি তাঁর সৃষ্টির মধ্যে মানব হৃদয়ের ভাব-ভাবনাকে জীবন্ত করে তুলতে চেয়েছেন। তাঁর সৃষ্টি যেন মানবের কল্যাণে নিবেদিত হয় সেজন্যই তিনি প্রতিনিয়ত ফুটিয়ে তুলেছেন সৃষ্টির কুসুম, যাতে তিনি মানব হৃদয়ে ঠাঁই পেতে পারেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

'প্রাণ' কবিতার কবির প্রত্যাশার সাথে উদ্দীপকের কবিতার কবির প্রত্যাশার সাদৃশ্য রয়েছে।

মায়াময় এ পৃথিবীতে মানুষ মানুষের হৃদয়ে স্নেহ-ভালোবাসার আশ্রয় খোঁজে। তাই প্রকৃতির নিবিড় পরিবেশে এ পৃথিবীতে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আবেগ-অনুভূতির মধ্যে মানুষের সাথে মানুষের গভীর বন্ধন রচিত হয়।

উদ্দীপকের কবি আপন কর্মের দ্বারা মানবের মাঝে বেঁচে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। কবি জানেন যে মৃত্যু অনিবার্য সত্য, তাই কর্মের মাধ্যমে তিনি এ জগতে বেঁচে থাকতে চান। উদ্দীপকের কবির এই প্রত্যাশা 'প্রাণ' কবিতার কবির প্রত্যাশার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনি অভিলাষ ব্যক্ত করেছেন, মানুষের মনজয়ী রচনা সৃজনের মাধ্যমে সবার কাছে আদৃত হওয়ার। তিনিও জানেন এ জগতের সবকিছু নশ্বর। তাই আপন সৃষ্টিকর্মের দ্বারা তিনি মানব হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চেয়েছেন। এভাবে উদ্দীপকে 'প্রাণ' কবিতার কবির প্রত্যাশার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

"উদ্দীপকটি যেন 'প্রাণ' কবিতারই অভিন্ন রূপায়ণ।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

এ পৃথিবীতে যায় প্রাণ আছে তার মৃত্যু অনিবার্য। তবু এখান থেকে কেউই চিরকালের জন্য বিদায় নিতে চায় না। মানুষ তাই আপন সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে এ পৃথিবীতে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চায়।

'প্রাণ' কবিতায় কবি চিরকাল এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। কবি এ পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে চান না। এই জগৎ সুন্দর এবং আকর্ষণীয়। মানুষের হাসি-কান্না, মান-অভিমান, আবেগ-ভালোবাসায় পৃথিবী পরিপূর্ণ। এই জগতের মায়া ত্যাগ করে অন্য কিছুর আহ্বানে প্রলুব্ধ হয়ে কবি তাই মৃত্যুবরণ করতে চান না। মানুষের বিচিত্র আবেগ-অনুভূতিতে পরিপূর্ণ এ জগতে তিনি বেঁচে থাকতে চান। কবি মানুষের হৃদয়জয়ী সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে সবার কাছে আদৃত হতে চান। তিনি তাঁর রচনায় পৃথিবীর নর-নারীর সুখ-দুঃখ-বিরহ সঠিকভাবে স্থান দিতে চান। যেন তার রচনার মধ্য দিয়ে তিনি অমর হতে পারেন। অমরত্ব লাভের এই আকাঙ্ক্ষার দিক থেকে আলোচ্য উদ্দীপকটি যেন কবির এই প্রত্যাশারই সার্থক রূপায়ণ।

উদ্দীপকের কবিও মানুষের জন্ম-মৃত্যুর অনিবার্যতার কথা স্বীকার করে এ পৃথিবীতে অমর হয়ে থাকার প্রত্যাশা করেছেন। কবির মতে মানুষের মাঝে সে-ই শ্রেষ্ঠ এবং ধন্য যাকে মানুষ মনে রাখে। তাই তিনিও মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান। 'প্রাণ' কবিতার কবিও একই রকম প্রত্যাশা করেছেন। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ এবং 'সার্থক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
338

মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,

মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই ।

এই সূর্যকরে এই পুষ্পিত কাননে

জীবন্ত হৃদয়-মাঝে যদি স্থান পাই !

ধরায় প্রাণের খেলা চিরতরঙ্গিত,

বিরহ মিলন কত হাসি-অশ্রু-ময়-

মানবের সুখে দুঃখে গাঁথিয়া সংগীত

যদি গো রচিতে পারি অমর-আলয় !

তা যদি না পারি, তবে বাঁচি যত কাল

তোমাদেরি মাঝখানে লভি যেন ঠাঁই,

তোমরা তুলিবে বলে সকাল বিকাল

নব নব সংগীতের কুসুম ফুটাই ।

হাসি মুখে নিয়ো ফুল, তার পরে হায়

ফেলে দিয়ো ফুল, যদি সে ফুল শুকায় ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

কবি এ পৃথিবীতে অমর-আলয় রচনা করতে চান মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার জন্য।

'প্রাণ' কবিতায় জনকল্যাণকর কাজের মাধ্যমে জগৎসংসারে দীর্ঘ জীবন লাভের সংকল্প ব্যক্ত হয়েছে। মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, আবেগ-ভালোবাসা ছেড়ে কবি অন্য কিছুর লোভ না করে আনন্দের সংগীত নিয়ে মানুষের কাছে আদৃত হতে চান। আলোচ্য চরণটিতে কবি মূলত মানবতার স্বার্থে তাঁর আত্মনিবেদনের দিকটি প্রকাশ করেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
289
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রত্যাশিত বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার ভাবের সাথে পৃথিবীর বিচিত্র প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ নিয়ে এক হয়ে মিশে আছে।

ফুলে-ফলে-ফসলে সুশোভিত আমাদের এই পৃথিবী। মানুষ এখানে গড়ে তুলেছে মায়াময় এক আশ্চর্য জগৎ। প্রেম-প্রীতি, স্নেহ-ভালোবাসা, আদর-সোহাগ দিয়ে মানুষ বেঁধে রাখে একে অপরকে। এ বন্ধন ছেড়ে মানুষ সহজে চলে যেতে চায় না।

উদ্দীপকে কবি তার সমগ্র সত্তা দিয়ে জন্মভূমি বাংলাদেশকে ভালোবেসেছেন। এই ভালোবাসা এমনই পরিপূর্ণ যে পৃথিবীর অন্য কোথাও বাংলাদেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ, ঐতিহ্য ও ঐশ্বর্যের কোনো বিকল্প আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তাঁর কাছে বাংলার সত্যিকারের এই পরিচয়টির সাথে 'প্রাণ' কবিতার ভাবের ঐক্য লক্ষ করা যায়। এই কবিতায় পৃথিবীর প্রতি কবির গভীর মমত্ব ফুটে উঠেছে। তিনি পৃথিবীকে, পৃথিবীর মানুষকে ভালোবেসেছেন অকৃত্রিমভাবে। মৃত্যু যে অমোঘ বিধান তা জেনেও তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে চান। কারণ মৃত্যুকে জয় করা বা মৃত্যুর পর আপন কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা মানুষের চিরন্তন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
315
উত্তরঃ

"উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার আংশিক ডারমাত্র, পূর্ণরূপ নয়।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষ মরণশীল। একথা জানা সত্ত্বেও মানুষ এ জগৎসংসার ছেড়ে হারিয়ে যেতে চায় না। জগতের মোহে মানুষ নশ্বর পৃথিবীতে অমরত্ব লাভ করতে চায়।

উদ্দীপকটিতে বাংলার অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের গভীর বন্ধনের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। জন্মভূমিকে উদ্দীপকের কবি তাঁর সমগ্র সত্তা দিয়ে ভালোবেসেছেন, অনুভব করেছেন। কবির অনুভবের এই বিষয়টি 'প্রাণ' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও কবিতার মূলভাব আরও, বিস্তৃতপূর্ণ। সেখানে কেবল পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি মুগ্ধতা নয়, তা মানুষের জন্য মনোমুগ্ধকর করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও যত্নবান হওয়ার ইঙ্গিত আছে। 'প্রাণ' কবিতায় কবি জনকল্যাণকর কাজের মাধ্যমে জগৎসংসারে দীর্ঘজীবন লাভের সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। তিনি তাঁর সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে নব নব সংগীতের কুসুম ফোটাতে চেয়েছেন। তিনি মানবতার স্বার্থে আত্মনিবেদন করতে চেয়েছেন।

'প্রাণ' কবিতায় কবি সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, মিলন-বিরহ, আবেগ-ভালোবাসায় পরিপূর্ণ পৃথিবী রেখে মরতে চান না। আর উদ্দীপকে বাংলার রূপমুগ্ধ কবি পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের রূপ দেখতে চান না। এই না চাওয়া এক রকম হলেও বিষয় বিন্যাস এক রকম য়। উদ্দীপকে মানবকল্যাণে আত্মনিবেদনের কোনো বিষয় নেই। কিন্তু 'প্রাণ' কবিতায় কবি সর্বমানবের সুখ-দুঃখের সংগীত গেঁথে মানব হৃদয়ে অমর-আলয় রচনা করতে চেয়েছেন। এসব কারণে উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার আংশিক ভাব মাত্র, পূর্ণরূপ নয়- মন্তব্য যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
303
উত্তরঃ

'প্রাণ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
523
উত্তরঃ

কবি মৃত্যুর পরও মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে আগ্রহী। তাই তিনি সৃষ্টির মাধ্যমে অমর আলয় রচনা করতে চান।

'প্রাণ' কবিতায় কবি জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে এই পৃথিবীতে অমর আলয় রচনা করতে চেয়েছেন। মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার সংগীত রচনা করতে চান। বস্তুত মানবের হাসি-কান্না, আবেগ-ভালোবাসায় পরিপূর্ণ এই পৃথিবীই কবির কাছে আকাঙ্ক্ষিত। তাই তিনি অমর আলয় সৃজনের কথা বলেছেন যেন মৃত্যুর পরেও তিনি মানবের মাঝে বেঁচে থাকতে পারেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
516
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews