জন্মের তিন মাস পরে মৃত্যু হয় সুমনের। সুমনের মৃত্যুতে পরিবারের সবাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। সুমনের বাবা ব্যবসায়ের কাজে মোটেই মনোযোগী হতে পারছে না। ফলে ব্যবসায়ে লোকসান দেখা দিচ্ছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান শক্তি হচ্ছে জনসংখ্যা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসংখ্যা জনসম্পদে পরিণত হতে পারে।

আমাদের দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য কতগুলো কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার, প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, নারী শিক্ষার প্রসার, ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের বিস্তার, কৃষিভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণ প্রভৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শিশুমৃত্যুর প্রভাবের ইঙ্গিত রয়েছে।

শিশুমৃত্যুর অন্যতম প্রভাব হচ্ছে অর্থনৈতিক ক্ষতি। শিশুমৃত্যুর কারণে স্বাভাবিকভাবে পরিবারটি অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কেননা শিশু মৃত্যুজনিত কারণে পরিবারের সদস্যরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে, যা পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধার সৃষ্টি করে। ফলে পরিবারটি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, শিশু সুমনের মৃত্যুর পর পরিবারের সবাই ভেঙে পড়েছে। তার বাবা ব্যবসায়ের কাজে মনোযোগী হতে পারছে না। ফলে ব্যবসায় লোকসান দেখা দিচ্ছে, যা শিশুমৃত্যুর অন্যতম প্রভাব অর্থনৈতিক ক্ষতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে শিশুমৃত্যুর প্রভাবের ইঙ্গিত রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রভাব ছাড়াও শিশুমৃত্যুর আরও প্রভাব রয়েছে।

একটি পরিবারে শিশুমৃত্যুর বিভিন্ন ধরনের প্রভাব লক্ষ করা যায়। যখন একটি শিশু মারা যায় তখন ওই পরিবার অনেকটা অগোছালো হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের পক্ষে এই শোক সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় শিশুমৃত্যু নিয়ে পারস্পরিক দোষারোপ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি করে, যা একসময় পারিবারিক ভাঙনসহ নানা সমস্যার জন্ম দেয়। শিশুমৃত্যুর উচ্চ হারের কারণে মা-বাবা আরও বেশি সন্তান জন্মদানে উৎসাহী হয়। শিশুমৃত্যুর উচ্চহার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টি করে। শিশুমৃত্যুর ফলে দরিদ্র পরিবারে ঘনঘন সন্তান নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়, যার ফলে গর্ভজাত শিশু স্বল্প ওজন, স্বল্প মেধা নিয়ে পৃথিবীতে আসে।

শিশুমৃত্যুর অন্যতম প্রভাব হচ্ছে অর্থনৈতিক ক্ষতি। শিশুমৃত্যুর কারণে পরিবারটি অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়। শিশুমৃত্যুর এ প্রভাব উদ্দীপকের সুমনের পরিবারের মধ্যেও ফুটে উঠেছে।

উপরের আলোচনা থেকে এটি সুস্পষ্ট যে, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত শিশুমৃত্যুর অন্যতম প্রভাব অর্থনৈতিক ক্ষতি ছাড়াও শিশুমৃত্যুর আরও প্রভাব রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
108

জনসংখ্যা একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান শক্তি। একটি দেশের জনসংখ্যা তার আয়তনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়। তবে এই জনসংখ্যাকে হতে হবে শিক্ষিত ও দক্ষ। জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তরিত করা গেলে যেমন উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়, তেমনি অদক্ষ জনসংখ্যা দেশের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এই অধ্যায়ে আমরা বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিভিন্ন দিক সম্বন্ধে জানতে পারব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

১. বাংলাদেশসহ আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের জনসংখ্যার তুলনা করতে পারব;
২. জনসংখ্যার পরিবর্তনশীলতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
৩. বাংলাদেশের জনসংখ্যার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক স্থানান্তরের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
৪. বাংলাদেশে মা ও শিশু মৃত্যুহারের কারণ ও প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
৫. বাংলাদেশে প্রাকৃতিক সম্পদের আলোকে জনসংখ্যা চাপের ধারণাটি ব্যাখ্যা করতে পারব;
৬. জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ ও প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব;
৭. বাংলাদেশের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বসতি স্থানান্তরের কারণে কোনো দেশে বহির্গমনের থেকে বহিরাগমন মাত্রা বেশি হলে সে দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যায়।

বসতি স্থানান্তর জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। দেশান্তরের কারণে বহিরাগমন এবং বহির্গমন ঘটে থাকে। বহিরাগমন অর্থাৎ দেশের বাইরে থেকে দেশে লোক আসলে জনসংখ্যা বেড়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
692
উত্তরঃ

১৯৬১ সালের তুলনায় ২০০৭ সালের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে জন্মহার ও মৃত্যুহারের ব্যবধান।

১৯৬১ সালের তুলনায় ২০০৭ সালের জনসংখ্যা প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে প্রতিবছর জন্ম নিচ্ছে ২৫ লক্ষ শিশু আর মৃত্যুবরণ করছে সব বয়সের মাত্র ৬ লক্ষ লোক। ফলে বছরে মোট জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ১৯ লক্ষ। এভাবে জনসংখ্যা বাড়লে ৪০ বছরে জনসংখ্যা তিনগুণ হওয়াই স্বাভাবিক।

এছাড়া মৃত্যুহার হ্রাসের কারণেও স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার প্রসার, চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি, খাদ্যের পুষ্টিমান সম্পর্কে ধারণা লাভ প্রভৃতি কারণেও শিশু মৃত্যুহার অনেক কমে যাচ্ছে। ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
589
উত্তরঃ

১৯৯১ সালের পর থেকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে- উক্তিটির যথার্থতা রয়েছে।

১৯৭৪ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭.৬৪ কোটি। ২০০১ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১২.৯৩ কোটি। অর্থাৎ ২৭বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫.২৮ কোটি। অন্যদিকে ১৯৯১ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১১.১৫ কোটি। ২০২২ সালে এসে জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। অর্থাৎ ৩১ বছরে জনসংখ্যা বেড়েছে পাঁচ কোটি তিরাশি লাখের মতো। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে এ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কিছুটা কম।

আবার, ১৯৯১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২.১৭% যা ২০০১ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১.৫৯। ২০১১ সালে তা আরও কমে হয় ১.৩৭%। বর্তমানে জনসংখ্যার বার্ষিক বৃদ্ধির হার ১.২২%। দেখা যাচ্ছে, ১৯৯১ সালের পর থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে।

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাওয়ার পেছনে নারী শিক্ষার প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন, বেকারত্ব দূরীকরণ, চিকিৎসা সেবার উন্নতি, জীবনযাত্রার মান সম্পর্কে সচেতনতা প্রভৃতি কারণ ভূমিকা রেখেছে। এ বিবেচনায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটির যথার্থতা আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
758
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে কোনো বছরে প্রতি এক হাজার লোকের মধ্যে মোট জীবন্ত শিশু জন্মের সংখ্যা এবং সেই বছরের মধ্যবর্তী সময়ের জনসংখ্যার অনুপাতকে স্থূল জন্মহার (Crude Birth Rate) বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
1.9k
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি।

মাত্র ৫০ বছর আগেও এ ভূখণ্ডে কলেরা, বসন্ত, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি সংক্রামক রোগ মহামারীরূপে দেখা দিত এবং হাজার হাজার লোক মারা যেত। কিন্তু প্রতিষেধক আবিষ্কার হওয়ায় এ ধরনের রোগে আর মানুষ সহজে আক্রান্ত হচ্ছে না। আক্রান্ত হলেও চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থ হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার বদৌলতে হৃদরোগ বা ক্যানসারের মতো অসংক্রামক অন্যান্য রোগে মৃত্যুহার কমেছে। চিকিৎসা সেবার উন্নতির ফলে শিশু ও মাতৃমৃত্যুও অনেক কমে গেছে। ফলে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
913
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews