জমিদার আবুল হাসান মৃত্যুর পূর্বে তার বিদূষী ও বুদ্ধিমতী কন্যা হাসনা বানুকে তার বিশাল জমিদারির উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন। আপনজনদের নানামুখী বিরোধিতার সম্মুখীন হয়ে তাকে জমিদারি হারাতে হয়েছিল। কিন্তু শত্রুদের হাতে তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর পুনরায় তিনি জমিদারি ফিরে পান। সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নারী হওয়ার কারণে তিনি নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কাঙ্ক্ষিত সফলতার পরিচয় দিতে পারেননি।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

আইবেক' শব্দের অর্থ চন্দ্র দেবতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ ও বহিরাক্রমণ থেকে সাম্রাজ্যকে রক্ষার জন্য গিয়াসউদ্দিন বলবন রক্তপাত ও কঠোর নীতি গ্রহণ করেন।
গিয়াসউদ্দিন বলবনের সময় তুর্কি অভিজাতদের ষড়যন্ত্র এবং বহিরাক্রমণ মারাত্মক রূপ ধারণ করে। সুলতান বলবন ষড়যন্ত্রপরায়ণ অভিজাতদের দমনের জন্য কঠোর শাসন নীতি গ্রহণ করেন। তাছাড়া মোঙ্গলদের আক্রমণ মোকাবিলা করার জন্যও তিনি কঠিন দৃঢ়তার পরিচয় দেন। সুতরাং অভ্যন্তরীণ কলহ ও শত্রু দমনের জন্য গিয়াসউদ্দিন বলবন রক্তপাত ও কঠোর নীতি গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত জমিদার কন্যার সাথে দিল্লি সালতানাতের সুলতান রাজিয়ার মিল রয়েছে।
সুলতান ইলতুৎমিশ পুত্রদের তুলনায় কন্যা রাজিয়াকেই সালতানাত পরিচালনায় অধিক যোগ্য বলে মনে করেছিলেন। তাই তিনি কন্যা রাজিয়াকে দিল্লি সালতানাতের উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করেন। রাজিয়া দিল্লি সালতানাতের দায়িত্ব নিলে তার কাছের মানুষেরা বিরোধিতায় লিপ্ত হয়। তাদের বিরোধিতা চরম আকার ধারণ করলে রাজিয়াকে ক্ষমতা হারাতে হয়। উদ্দীপকেও এ ধরনের ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আবুল হাসানের মৃত্যুর পর তার যোগ্য কন্যা জমিদারি লাভ করলে আপনজনরা বিরোধিতা করে। এ ধরনের আপন লোকেরাই সুলতান রাজিয়ার পতন ঘটিয়েছিল। সুলতান হিসেবে রাজিয়াকে নানা বাধা-বিপত্তি, ষড়যন্ত্র ও বিদ্রোহের সম্মুখীন হতে হয়। রাজিয়াকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে অভিজাত আলেম-উলেমা এবং আত্মীয়রা নানা ধরনের বিরোধিতা করেন। ভিন্ন সাম্রাজ্যের সাথে বিরোধ থাকলে অথবা প্রতিযোগিতা থাকলে তাতে জয় লাভ করা যায়। কিন্তু নিজ সাম্রাজ্যের অভিজাতদের সাথে শত্রুতা থাকলে তা অনেক সময় পরাজয় ডেকে আনে। উদ্দীপকে হাসনা বানু ও দিল্লি সালতানাতের রাজিয়ার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। সুতরাং নারী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ, যোগ্যতা, পরাজয় প্রভৃতি বিষয় অনুসারে সুলতান রাজিয়ার সাথে উদ্দীপকের হাসনা বানুর সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু নারী হওয়ার কারণেই হাসনা বানু ও সুলতান রাজিয়ার পতন ঘটেছিল।

ভারতের মুসলিম শাসনের ইতিহাসে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম ও একমাত্র নারী ছিলেন সুলতান রাজিয়া। শাসনকার্যে চারিত্রিক দৃঢ়তায় তিনি নিজেকে পুরুষ অপেক্ষা যোগ্যতর প্রমাণ করেন। তিনি তার প্রশাসনের দৃঢ়তা ও ব্যক্তিগত শক্তি-সামথ্য প্রমাণের লক্ষ্যেই মহিলা পোশাক পরিত্যাগ করেন। কিন্তু তুর্কি অভিজাত শ্রেণি নারী বলে সুলতান রাজিয়ার এ সকল কর্মকান্ডের বিরোধিতা করেন। অভিজাত শ্রেণির এ বিরোধিতা ও ষড়যন্ত্রের ফলেই তার পতন হয়। হাসনা বানুর ব্যর্থতার পেছনেও এ ধরনের বিষয় প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
উদ্দীপকে দেখা যায় যে, হাসনা বানু জমিদারি গ্রহণ করে সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নারীসুলভ দুর্বলতার কারণে নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কাঙ্ক্ষিত সফলতার পরিচয় দিতে পারেননি। ঠিক একইভাবে সুলতান রাজিয়াও সিংহাসনে আরোহণ করার পর শাসন ক্ষেত্রে নানাবিধ গুণাবলি ও যোগ্যতার প্রমাণ দিলেও ব্যর্থ হন। মূলত নারীত্বই ছিল তার প্রধান অযোগ্যতা। ভি. ডি, মহারান বলেন, 'যদি রাজিয়া একজন নারী না হতেন তাহলে তিনি ভারতের অন্যতম সফল শাসক হতেন।' শক্তিশালী পুরুষ আমির-উমরাহগণ একজন নারী কর্তৃক শাসিত হতে অপমান বোধ করে তার উৎখাত সাধনে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেন। তাছাড়া রাজিয়ার সূঢ় ব্যক্তিত্ব ও কঠিন হস্তে শাসন পরিচালনা সুলতানি সাম্রাজ্যের ওপর তুর্কি অভিজাতদের অপ্রতিহত ক্ষমতা স্থাপনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে তুর্কি অভিজাতরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং সুলতান রাজিয়ার পতন ঘটায়।

সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, একজন নারী হিসেবে সুলতান রাজিয়ার সিংহাসনে আরোহণ করে শাসনকার্য পরিচালনা করার বিষয়টিকে তুর্কি অভিজাতগণ নিজেদের অপমান হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে তারা নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সুলতান রাজিয়ার পতন ঘটায়। আর এতে প্রমাণিত হয়, হাসনা বানু ও সুলতান রাজিয়ার ব্যর্থতার কারণ একই ধারায় প্রবাহিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
32
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলাউদ্দিন খলজির শাসনামলে দিল্লি সালতানাতে প্রায় সাত বার মোঙ্গল আক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়। তাই মোঙ্গলদের প্রতিহতকরণে তিনি কতিপয় কার্যকর মোঙ্গলনীতি গ্রহণ করেন।
আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের মোকাবিলায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সাথে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মোঙ্গলদের আক্রমণ পথে তিনি পুরাতন কেল্লা সংস্কার ও নতুন কেল্লা স্থাপন করে সুরক্ষার ব্যবস্থা করেন। তিনি উন্নতমানের অস্ত্রের জন্য কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিশ্বস্তদের ওপর ন্যস্ত করেন। এছাড়া তিনি মোজঙ্গলদেরকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সৈন্য সংগ্রহ করেন। এভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে তিনি মোঙ্গল আক্রমণ মোকাবিলায় সাফল্য লাভকরেন। তার রাজত্বকালে মোঙ্গলরা আর ভারত আক্রমণে সাহস করেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
157
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের সঙ্গে দিল্লির সালতানাতের মহিলা শাসক সুলতান রাজিয়ার সাদৃশ্য রয়েছে।

পুরুষশাসিত সমাজে নারীরা চিরকালই অবহেলিত হয়ে আসছে। এই অবহেলার মাঝেও নারীরা স্বীয় যোগ্যতাবলে সমাজের উন্নয়নে অংশীদার হয়েছে। নানা বাধার সম্মুখীন হয়েও তারা সফল হয়েছে; সকল সমালোচনার উচিত জবাব দিয়েছে। উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া এমনই দুজন নারী ব্যক্তিত্ব।
শ্রীমাভো বন্দরনায়েক ছিলেন আধুনিক বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বিভিন্ন দেশের কিছু অভিজাত শ্রেণির সমালোচনার মুখোমুখি হন। তারা নারী বলে শ্রীমাভো বন্দরনায়েককে শাসনকার্যে অনুপযোগী ও অদক্ষ বলে অভিহিত করেন। কিন্তু নিজ মেধা, তেজস্বিতা আর কর্মদক্ষতার গুণে শ্রীমাভো সকল বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি প্রতিহত করে দেশের উন্নতি সাধন করেন। সুলতান রাজিয়াও একইভাবে ১২৩৬ থেকে ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লির সিংহাসনে বসে সুলতানি শাসন পরিচালনা করেন। তার ৪ বছরের রাজত্বকাল মধ্যযুগের ভারতীয় ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে সাম্রাজ্যের বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ প্রতিহত করেন। তিনি উপমহাদেশের ইতিহাসে প্রথম মহিলা শাসনকর্তা। তার সাহসিকতা, দক্ষতা ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব তুর্কি জাতির সাহসিকতা এবং দূরদর্শিতার পরিচয় বহন করে। তার উদার রাজনৈতিক চিন্তাধারা বস্তুত মুসলিম শাসনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। সুতরাং দেখা যায় উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া শাসন পরিচালনার দিক দিয়ে একে অন্যের প্রতিরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
131
উত্তরঃ

ভারতে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সুলতান রাজিয়া ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম ও একমাত্র মহিলা।

সালতানাতের এক সংকটকালে সুলতান রাজিয়া সিংহাসনে আরোহণ করেন। ঐতিহাসিক মিনহাজ-উস-সিরাজের হিসেব মতে, তিনি ৩ বছর ৬ মাস ৬ দিন রাজত্ব করেন। তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং অসাধারণ প্রতিভাশালী একজন নারী। প্রচলিত মুদ্রায় তিনি নিজেকে উমদাদ-উল-নিসওয়ান (নারীদের মধ্যে বিশিষ্ট) বলে উল্লেখ করেন। মিনহাজ-উস-সিরাজ তাকে মহান নৃপতি, বিচক্ষণ, ন্যায়পরায়ণ ও মহানুভব বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন সার্বভৌম নৃপতির প্রয়োজনীয় গুণাবলি ও - যোগ্যতার অধিকারী ছিলেন। এ. বি. এম. হবিবুল্লাহর মতে, সাহসিকতা ও অদম্য দৃঢ়তাই (Courage and unflincing determination) ছিল রাজিয়ার আদর্শ।
চারিত্রিক দৃঢ়তায় সুলতান রাজিয়া নিজেকে পুরুষ অপেক্ষা যোগ্যতর প্রমাণ করেন। ব্যক্তিগত দৃঢ়তা ও যোগ্যতাই তার ক্ষমতা ও অস্তিত্বের চাবিকাঠি ছিল। সুলতান রাজিয়া প্রশাসনিক দৃঢ়তা ও ব্যক্তিগত শক্তি-সামর্থ্য প্রমাণের লক্ষ্যেই মহিলা পোশাক পরিত্যাগ করেন, অশ্বারোহণে জনসমক্ষে বের হন এবং প্রকাশ্যে দরবার পরিচালনা করেন। অধ্যাপক কে. এ. নিজামী যথার্থই বলেছেন, "অস্বীকার করার অবকাশ নেই যে, তিনি ছিলেন ইলতুৎমিশের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে যোগ্যতম।"
পরিশেষে বলা যায় যে, সুলতান রাজিয়া ছিলেন অপরিসীম কৃতিত্বের অধিকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
84
উত্তরঃ

তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতা গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (শাসনকাল ১৩২০-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
119
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমন এবং মোজাল আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের গৃহীত নিষ্ঠুর ও কঠোর পদক্ষেপই 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' (Blood and Iron policy) নামে পরিচিত।
সিংহাসনে আরোহণ করেই বলবন নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল আমির-ওমরাহ ও অভিজাত সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান ঔদ্ধত্য, দ্বন্দ্ব-কলহ ও ষড়যন্ত্রমূলক কার্যকলাপ, দিল্লির সন্নিকটস্থ মেওয়াটি দস্যুদের উপদ্রব, উপর্যুপরি মোঙ্গল আক্রমণ প্রভৃতি। এসব সমস্যা সাম্রাজ্যের ভিতকে হুমকির সম্মুখীন করে তোলে। তাই নিজের ক্ষমতা সুসংহত করে সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি গুপ্তচর প্রথা চালু, বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন, মোঙ্গল নীতি প্রভৃতি বিষয়ে কঠোর ও নিষ্ঠুর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এগুলোই বলবনের 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' হিসেবে স্বীকৃত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
379
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews