জমির শ্রেণি 

চা একর প্রতি 

দাম প্রতি কেজি 

TR = P × Q 

TC = AC × P 

খাজনা 

১ম শ্রেণি 

1000kg 

Tk-1000 

Tk 120000 

২য় শ্রেণি 

800kg 

Tk 600 

Tk = 120000 

৩য় শ্রেণি 

400kg 

Tk-300 

Tk = 120000 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

এক একক অতিরিক্ত মূলধন ব্যবহার করে ব্যয়ের উপর যে প্রত্যাশিত আয় হয় তাকে মূলধনের প্রান্তিক দক্ষতা বলে।

উত্তরঃ

স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধনের মধ্যে পার্থক্য নিচে আলোচনা করা
হলো-

যে মূলধন স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ে বিনিয়োগ করা হয়, তাকে স্থায়ী মূলধন বলে। পক্ষান্তরে যে, মূলধন চলতি/অস্থায়ী সম্পত্তিতে আবশ্যকীয়ভাবে বিনিয়োগ করা হয়, তাকে চলতি মূলধন বলে। স্থায়ী মূলধন দীর্ঘস্থায়ী কিন্তু চলতি মূলধন ক্ষণস্থায়ী। একবার ব্যবহার করলেই চলতি মূলধন নিঃশেষ হয়ে যায়। কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত জমি, ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, স্থায়ী কর্মকর্তার বেতন-ভাতা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি স্থায়ী মূলধনের অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত কাঁচামাল, সার, বীজ, ভাসমান শ্রমিকের মজুরি ইত্যাদি চলতি মূলধনের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের সারণিটি রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বকে নির্দেশ করে। সারণিটির ফাঁকা চিহ্নিত স্থানগুলো নির্ণয় করে তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করা হলো-

জমির শ্রেণি

চা (একর প্রতি)

দাম (প্রতি কেজি

TRPXQ

TC-AC x P

খাজনা

১ম শ্রেণি

1000kg

Tk-1000

10,00,000

Tk1,20,000

8,80,000

২য় শ্রেণি

800kg

Tk 600

4,80,000

Tk 1,20,000

3,60,000

৩য় শ্রেণি

400kg

Tk-300

1,20,000

Tk 1,20,000

0

রিকার্ডোর মতে, যে জমিতে উৎপাদিত ফসলের দাম এবং উৎপাদিত ব্যয় সমান হয় তাকে প্রান্তিক বা খাজনাবিহীন জমি বলে। প্রান্তিক জমির তুলনায় উৎকৃষ্ট জমিতে যে অতিরিক্ত বা উদ্বৃত্ত ফসল উৎপন্ন হয় তার মূল্যই হলো খাজনা। তাই খাজনা হচ্ছে প্রকৃত পক্ষে উৎপাদকের উদ্বৃত্ত - বা পার্থক্যজনিত লাভ।

উদ্দীপকের সূচিতে ১ম, ২য় ও ৩য় এই শ্রেণির জমি দেখানো হয়েছে। তিন শ্রেণির জমির উৎপাদন ব্যয় সমান। ১ম শ্রেণির জমির খাজনা ৮,৮০,০০০ টাকা এবং ২য় শ্রেণির জমির খাজনা ৩,৬০,০০০ টাকা কিন্তু ৩য় শ্রেণির জমির খাজনা শূন্য (০)। এক্ষেত্রে ১ম ও ২য় শ্রেণির জমিতে যে পরিমাণ উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে তা হলো ঐ জমির খাজনা। ৩য় শ্রেণির জমিতে কোনো উদ্বৃত্ত না থাকায় এ জমির কোনো খাজনা নেই। এটি প্রান্তিক বা খাজনাবিহীন জমি।

উত্তরঃ

জাউদ্দীপকের রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের সাথে আধুনিক খাজনা তত্ত্বের পার্থক্য বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, আধুনিক তত্ত্বটি অধিকতর উন্নত-আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে, জমির কোনো অবিনশ্বর ক্ষমতা নেই। একই জমি বারবার চাষ করলে এর উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। অন্যদিকে রিকার্ডো বলেন, প্রথমে কৃষক প্রথম শ্রেণির জমি চাষ করে, অতঃপর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণির জমি চাষ করে। কিন্তু বাস্তবে এ ধরনের যাচাই বাছাই করে চাষ করা হয় না।
রিকার্ডো ধরে নিয়েছেন যে, তৃতীয় শ্রেণির জমি খাজনাবিহীন জমি। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ বলেন, বাস্তবে কোথাও এ ধরনের জমির অস্তিত্ব নেই। রিকার্ডো বলেছেন, কেবল জমির উর্বরতার পার্থক্যের কারণে খাজনার উদ্ভব হয়। কিন্তু সব জমির উর্বরতা সমান হলেও শুধু ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধি প্রয়োগের ফলে খাজনার উদ্ভব হতে পারে। রিকার্ডোর ধারণা, দাম খাজনাকে প্রভাবিত করে না। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ এ কথা স্বীকার করতে রাজি নন। তারা বলেন, দাম খাজনাকে প্রভাবিত করে। রিকার্ডো বলেন, কেবল জমি থেকেই খাজনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন, সীমাবদ্ধ যোগানবিশিষ্ট যেকোনো উপকরণ খাজনা সৃষ্টি করতে পারে।
আধুনিক খাজনা তত্ত্বটি উদ্দীপকের রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব থেকে অধিক উন্নত। কেননা রিকার্ডো খাজনা উদ্ভবের মূল কারণ উল্লেখ করেননি কিন্তু আধুনিক খাজনা তত্ত্বে আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন খাজনা উদ্ভবের মূল কারণ হলো জমির চাহিদার তুলনায় যোগানের স্বল্পতা। অতএব বলা যায় যে, রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের চেয়ে আধুনিক খাজনা তত্ত্ব অধিক উন্নত।

68
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অর্থনীতিতে ভূমি বা সীমাবদ্ধ যোগান বিশিষ্ট প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের জন্য তার মালিককে যে অর্থ দেওয়া হয়, তাকে খাজনা বলে।

224
উত্তরঃ

উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে জমির চাহিদা বাড়লেও ভূমির যোগান সম্পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক হয় বলে, ভূমিকে উৎপাদনের অস্থিতিস্থাপক উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়।
অস্থিতিস্থাপক যোগান হলো, যে উপকরণের যোগান বৃদ্ধি পায় না। ফলে চাহিদা বাড়লে কোনো উপকরণের যোগান অস্থিতিস্থাপক হলে সর্বনিম্ন যোগান দামের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করে। অর্থাৎ জমির যোগান অস্থিতিস্থাপক বা সীমাবদ্ধ হওয়ায় চাইলেই এর পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব না। এজন্য জমির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় জমির মালিককে জমি ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়। এরূপ বৈশিষ্ট্যের জন্যই ভূমিকে উৎপাদনের একটি অস্থিতিস্থাপক উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়।

360
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জামিল শেখের জমির আশেপাশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটায় তার জমির মূল্য কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় তার অনুপার্জিত আয় সৃষ্টি হয়।
সাধারণত, অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা কোনো এলাকার শিল্প, কারখানা, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য কেন্দ্র ইত্যাদির উন্নতির ফলে সে এলাকায় জমির চাহিদা বেড়ে যায় এবং জমির মূল্য আগের চেয়ে বেশি হয়। এর ফলে জমির মালিকগণ অতিরিক্ত আয় ভোগ করে। কিন্তু এই বর্ধিত আয়ের জন্য তাকে অর্থ ব্যয় করতে হয় না। এভাবে জমির মালিক বিনা খরচ বা পরিশ্রমে যে অতিরিক্ত আয় ভোগ করে তাকে অনুপার্জিত আয় বলে।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, জামিল শেখের ক্রয়কৃত ১০ কাঠা আবাদি জমির পাশ দিয়ে বাইপাস রোড তৈরি হয় এবং ঐ রাস্তার পাশ দিয়ে গ্যাস লাইন চলে গেছে। রাস্তাঘাটের উন্নতির ফলে ঐ এলাকায় এসিআই কোম্পানি একটি গবাদি পশুর খাদ্যের কারখানা স্থাপন করেছে। এতে তার জমির দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই সুযোগে তিনি অর্ধেক জমি (তথা ৫ কাঠা) ৪ লাখ টাকায় বিক্রি করে তিন বিঘা আমের বাগান কেনেন। অথচ তিনি সম্পূর্ণ জমি তথা ১০ কাঠা ৮০ হাজার টাকায় কিনেছিলেন। তার এই অতিরিক্ত আয় কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই সৃষ্টি হয় এবং তা শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য হয়। তাই বলা যায়, কোনো প্রকার অর্থ ব্যয় না করেই জামিল শেখের অনুপার্জিত আয়ের সৃষ্টি হয়েছে।

269
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আম বাগান থেকে অর্জিত আয় রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত।

ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ডেভিড রিকার্ডো মনে করেন, খাজনা হচ্ছে জমির মালিক ও অবিনশ্বর ক্ষমতার প্রতিদান। এ ক্ষমতা বলতে তিনি জমির উর্বরা শক্তিকেই নির্দেশ করেন। তার মতে, সব জমির উর্বরা শক্তি সমান নয়, এক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট ও নিকৃষ্ট জমি রয়েছে। এর উৎপন্ন ফসলের পার্থক্যের ওপরই খাজনা নির্ভর করে। রিকার্ডোর মতে, যে জমির উৎপাদন খরচ ও আয় পরস্পর সমান সেরূপ জমিকে 'গাজনাবিহীন জমি' বা 'প্রান্তিক জমি' বলা হয়। সুতরাং বিভিন্ন প্রকার জমির উর্বরা শক্তির পার্থক্যের জন্য খাজনার সৃষ্টি হয়। এজন্য তিনি খাজনাকে 'উৎপাদকের উদ্বৃত্ত' বা 'পার্থক্যজনিত প্রাপ্তি' বলে অভিহিত করেন।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, জামিল শেখ তিন বিঘা আমের বাগান থেকে আয় পায় যথাক্রমে ২৪,০০০ টাকা, ১৮,০০০ টাকা এবং ১২,০০০ টাকা। প্রত্যেক বিঘা জমিতে চাষের মোট ব্যয় ১২,০০০ টাকা। সুতরাং ১ম এক বিঘা জমির খাজনা (২৪,০০০ ১২,০০০) টাকা = ১২,০০০ টাকা। ২য় এক বিঘা জমির খাজনা = (১৮,০০০ ১২,০০০) টাকা
৩য় এক বিঘা জমির খাজনা = ৬,০০০ টাকা। (১২,০০০ ১২,০০০) টাকা = ০ টাকা।
এক্ষেত্রে ১ম ও ২য় জমিতে যে পরিমাণ উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয় তাই হলো ওই সব জমির খাজনা। ৩য় জমিতে কোনো উদ্বৃত্ত না থাকায়, এ জমির কোনো খাজনা নেই; এটি প্রান্তিক বা খাজনাবিহীন জমি। তাই উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্যের আলোকে রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বটি বিশ্লেষণ করা যায়।

231
উত্তরঃ

শুধু জমি ব্যবহারের জন্য এর মালিককে যে অর্থ প্রদান করা হয় তাকে নিট খাজনা বলে।

295
উত্তরঃ

জনসংখ্যা বৃদ্ধির দরুন জমির চাহিদা বৃদ্ধি পেলে এবং উন্নয়নমূলক কর্মসূচির কারণে অনুপার্জিত আয়ের উদ্ভব হয়।
জনসংখ্যা বাড়ার কারণে যদি কোনো এলাকার জমির চাহিদা বেড়ে যায়, তবে সে এলাকার জমির মূল্য আগের চেয়ে বেশি হবে। আবার স্থানীয় কিংবা কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাধীনে যদি কোনো এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য কেন্দ্র, যোগাযোগ ব্যবস্থা, গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত ইত্যাদি গড়ে ওঠে, তবে সে এলাকার জমির গুরুত্ব অনেকগুণ বেড়ে যায়। এতে জমির মালিকের অনুপার্জিত আয় সৃষ্টি হবে। এভাবেই জনসংখ্যা বৃদ্ধি অনুপার্জিত আয়ের সৃষ্টি করবে।

363
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews