জলবায়ু অঞ্চল-

ক-নিরক্ষরেখার নিকটে অবস্থিত

খ-ঋতুভেদে বায়ু দিক পরিবর্তন করে

Updated: 5 days ago
উত্তরঃ

পৃথিবীকে বেষ্টন করে থাকা অদৃশ্য, বর্ণহীন, গন্ধহীন, গ্যাসের স্তরকে বায়ুমণ্ডল বলে। এটি বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান, জলীয় বাষ্প ও ধূলিকণার মিশ্রণ।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস প্রভাব হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যেখানে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলস্থ কিছু নির্দিষ্ট গ্যাস (যেমন: কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্প) সূর্যের আলোকরশ্মিকে পৃথিবীতে প্রবেশ করতে দিলেও, পৃথিবী থেকে প্রতিফলিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা প্রদান করে। এটি পৃথিবীর তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং জীবজগতের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই গ্যাসগুলো একটি কাঁচের ঘরের (গ্রিনহাউস) কাঁচের দেয়ালের মতো কাজ করে, যা সূর্যের তাপকে আটকে রাখে এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠকে উষ্ণ রাখে। এর ফলেই পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রাণের বিকাশের জন্য অনুকূল থাকে। কিন্তু শিল্পায়ন ও অন্যান্য মানবিক কার্যকলাপের ফলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর মূল কারণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করছে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' জলবায়ু অঞ্চলটি নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলকে নির্দেশ করে। নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° থেকে ১০° অক্ষাংশের মধ্যে এই ধরনের জলবায়ু দেখা যায়। এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী অবস্থান, যা উদ্দীপকেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো সারা বছর উচ্চ তাপমাত্রা (গড় মাসিক তাপমাত্রা প্রায় ২৭° সেলসিয়াস) এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত। এখানে কোনো শুষ্ক ঋতু থাকে না এবং প্রায় প্রতিদিনই বিকেলে পরিচলন বৃষ্টি হয়। দিনের বেলায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং বাষ্পীভবন ঘটে, যা সন্ধ্যার দিকে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণ হয়।

উদ্দীপকের 'ক' অংশে 'নিরক্ষরেখার নিকটে অবস্থিত' এই বর্ণনাটি সরাসরি নিরক্ষীয় জলবায়ুর অবস্থানগত বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে। এই অবস্থানের কারণেই এখানে সূর্যরশ্মি সারা বছর প্রায় লম্বভাবে পড়ে, ফলে উচ্চ তাপমাত্রা বজায় থাকে এবং নিয়মিত পরিচলন বৃষ্টি হয়। এটি এই জলবায়ু অঞ্চলের মৌলিক প্রকৃতি নির্ধারণ করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ‘খ’ অংশে উল্লিখিত জলবায়ু অঞ্চলটি মৌসুমী জলবায়ু হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ঋতুভেদে বায়ুর দিক পরিবর্তন। এই বিশেষ ধরনের বায়ুপ্রবাহের কারণে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ব্যাপক প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।

‘খ’ চিহ্নিত জলবায়ুর মূল প্রভাবকারী উপাদান হলো গ্রীষ্ম ও শীতকালে বায়ুর সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী প্রবাহ। গ্রীষ্মকালে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হওয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। অপরদিকে, শীতকালে শুষ্ক ও শীতল বায়ু স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হওয়ায় শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করে। এই ঋতুভিত্তিক বায়ুপ্রবাহ জলবায়ুর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে যা এশিয়ার বৃহৎ অংশে, বিশেষত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দেখা যায়।

মৌসুমী জলবায়ুর এই ঋতুভেদে বায়ুর দিক পরিবর্তনের ফলে কৃষি, জনজীবন, অর্থনীতি ও প্রাকৃতিক পরিবেশে সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। গ্রীষ্মকালীন মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে আগত প্রচুর বৃষ্টিপাত ধান, পাট, চা, আখ ইত্যাদি ফসল চাষের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। এটি কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে সচল রাখে এবং পানীয় জলের প্রধান উৎস। তবে, মৌসুমী বায়ুর অনিয়মিত আচরণ বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বন্যা ও ভূমিধসের কারণ হতে পারে, যা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। অন্যদিকে, শীতকালীন শুষ্ক আবহাওয়া কিছু রবিশস্যের জন্য উপকারী হলেও জলের অভাবে কৃষিকাজ ব্যাহত হতে পারে। এটি নদীগুলোর জলপ্রবাহেও প্রভাব ফেলে, যা সেচ, নৌচলাচল ও মৎস্যচাষে পরিবর্তন আনে।

সুতরাং, উদ্দীপকের 'খ' জলবায়ু অঞ্চলের ঋতুভেদে বায়ুর দিক পরিবর্তন কেবল একটি প্রাকৃতিক ঘটনা নয়, এটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সামগ্রিক পরিবেশ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এই জলবায়ুর ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রভাবই অঞ্চলের জনজীবনের মান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
12

Related Question

View All
উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান জলীয় বাষ্পের পরিমাণকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে। সাধারণত নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকে, তাকেই বায়ুর আর্দ্রতা হিসেবে পরিমাপ করা হয়।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
668
উত্তরঃ

জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল স্তরটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর এবং এখানেই বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯০% গ্যাসীয় পদার্থ বিদ্যমান। এই স্তরে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো গ্যাসগুলো রয়েছে যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এছাড়া, মেঘ, বৃষ্টি, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহসহ সকল আবহাওয়ার ঘটনা ট্রপোমণ্ডলেই ঘটে, যা জীবের স্বাভাবিক জীবনচক্র ও পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য অত্যাবশ্যক।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews