জলিল একজন দরিদ্র ও অল্পশিক্ষিত কৃষক। সে তার - উৎপাদিত ফসল স্থানীয় বাজারে বিক্রয় করে। ফসলের গুণগতমান - অক্ষুণ্ণ রাখার বিষয়ে অজ্ঞতা, বাজার সম্পর্কে অপর্যাপ্ত তথ্য, অনুন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, গুদামজাতকরণের অভাবের কারণে তিনি ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া তিনি কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি, উফশী বীজ এবং প্রয়োজনীয় সার ও কীটনাশকের প্রয়োগ সম্পর্কে অজ্ঞ। যদিও তার বন্ধু মাহতাব তাকে জানান, । কৃষিতে ব্যবহৃত এই উফশী বীজ ICT জৈব প্রযুক্তির ব্যবহারের । কারণে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে কৃষিজমির পরিমাণ হ্রাস - পেলেও কৃষি উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

কৃষি খামারের অধীনে যে পরিমাণ জমি থাকে তা-ই কৃষিজোত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

শস্য বহুমুখীকরণ হলো কৃষি খামারে একটি মাত্র ফসলের পরিবর্তে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করা। একই জমিতে একই ধরনের ফসল বারবার চাষ করলে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পায়, ফলে উৎপাদন কমে যায়। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ফসল পর্যায়ক্রমে চাষ করলে মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধির দ্বারা উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়। তাই একই জমিতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন কল্যাণকর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কৃষক জলিল তার উৎপাদিত ফসল বিক্রয় করে যে কারণে লাভবান হতে পারছেন না উদ্দীপকের আলোকে নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

  • কৃষিপণ্যের গুণাগুণ নির্ণয়ের জন্য কোনো আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট পণ্য নিকৃষ্ট পণ্যের দামে বিক্রয় হয়ে যায়। তাছাড়া এসব পণ্য বিদেশে রপ্তানি করাও কষ্টকর হয়, কেননা পণ্যের গুণাগুণ সঠিকভাবে নির্ণীত না হলে বিদেশে চাহিদা কম থাকে। ফলে একদিকে কৃষক ন্যায্যমূল্য পায় না এবং অন্যদিকে দেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়।
  • অধিকাংশ কৃষক অশিক্ষিত ও নিরক্ষর হওয়ায় বিভিন্ন বাজারে কৃষিপণ্যের দাম সম্পর্কে তারা অবহিত থাকে না। তাই ব্যবসায়ীগণ অতি সহজেই কৃষকদেরকে ন্যায্য দাম হতে বঞ্চিত করে রাখে।
  • অনুন্নত যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে কৃষকগণ তাদের উৎপাদিত ফসল দূরবর্তী বাজারে  নিয়ে নিকটবর্তী হাট-বাজারে বিক্রয় করে দেয়। যে কারণে ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে তারা বঞ্চিত হয়।
    → গুদামজাতকরণ ও সংরক্ষণের সুবিধা না থাকায় পণ্য সংরক্ষণ করা যায় না। তাই ফসলের মূল্য বৃদ্ধি পর্যন্ত কৃষকগণ ফসল ধরে রাখতে না পেরে স্বল্পমূল্যে বিক্রয় করতে বাধ্য হয়, ফলে তারা ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়।
  • কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের অভাবে অধিকাংশ কৃষিপণ্য খুব নিম্নমানের হয়। এর ফলে কৃষকেরা তাদের ফসলের ন্যায্য দাম পায় না।
    অতএব বলা যায়, উল্লিখিত কারণেই কৃষক জলিল তার ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

কৃষিতে যে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে উদ্দীপকের আলোকে নিচে তার ফলাফল ব্যাখ্যা করা হলো-

বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধি খাদ্য উৎপাদন তথা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিকে অত্যাবশ্যক করে তুলেছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষিতে জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জৈব প্রযুক্তি পদ্ধতি ব্যবহার করে একই প্রজাতির উদ্ভিদের ভালো ও উৎপাদনবর্ধক বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটিয়ে উৎপাদন বাড়ানো যায়। জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মাটিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদির কারণে আগামী দিনে দেশের বিরাট অংশে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে; এ অবস্থায় জৈব প্রযুক্তি পদ্ধতির ব্যবহার ঘটানো অত্যন্ত জরুরি। কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য জৈব প্রযুক্তি পদ্ধতি প্রয়োগের গুরুত্ব অপরিসীম।

এছাড়া জমিতে মৌসুমভিত্তিক, সময়মতো বীজ বপন, চারা তৈরি, চারা রোপণ, পরিচর্যা, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আগাম আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক তথ্য জানার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন নতুন কৃষি যন্ত্রপাতি, উন্নত বীজ, সার, কীটনাশক ইত্যাদির তথ্য পেতে আইসিটির ব্যবহার যেমন সহায়তা করছে তেমনি কৃষি উপকরণ সংরক্ষণ, নিজস্ব শস্যের জাত সংরক্ষণ এবং সে সম্পর্কিত তথ্য উপাত্ত সংরক্ষণে আইসিটির কোনো বিকল্প নেই। আবার উফশী বীজ বা উন্নত ধরনের উদ্ভাবিত বীজ ব্যবহারের ফলে চাষের নিবিড়তা বেড়েছে; এখন ভালোভাবে জমি কর্ষণ, উপযুক্ত পরিমাণে পানি সেচ ও সার প্রয়োগ করে একই সঙ্গে একাধিক ফসল আবাদ করা যাচ্ছে। তাছাড়া দীর্ঘ বিরতি ছাড়া একের পর এক শস্য আবাদ কিংবা একের সঙ্গে অন্য ফসল চাষ করা সম্ভব হচ্ছে।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উফশী বীজ, আইসিটি ও জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
36
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সেচ হলো কৃত্রিমভাবে কৃষিজমিতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
104
উত্তরঃ

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫.১% কৃষি খাতে নিয়োজিত। কিন্তু এ দেশের অধিকাংশ কৃষক ভূমিহীন ও দরিদ্র। ফলে কৃষিকাজের সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ঋণ গ্রহণ করতে হয়। তাই কৃষকরা বিভিন্ন উৎস থেকে কৃষিঋণ গ্রহণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনা অনুসারে আব্দুল করিম কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-উৎপাদিত ফসল ভোক্তার নিকট তথা ক্রেতার নিকট পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কার্যক্রম বা প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন বা বাজারজাতকরণ বলে। এ ধরনের পেশার লোকদের দালাল বা ফড়িয়া বলে। বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রেতা বা ভোক্তার চাহিদামতো কৃষিপণ্য উৎপাদন করা বাজারজাতকরণের প্রথম ধাপ। বিপুল কৃষিপণ্য একসাথে বিক্রি করা যায় না। ফলে কৃষিপণ্য গুদামজাত ও সংরক্ষণ করতে হয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে কৃষিপণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌছানোর জন্য পরিবহনের প্রয়োজন হয়। ক্ষেত থেকে ফসল ক্রয় করা, গুদামজাতকরণ, পরিবহন ইত্যাদির জন্য বিপণনের কাজে ব্যবসায়ী/কৃষকের অর্থের যোগান থাকতে হয়। অতঃপর উক্ত কৃষিপণ্যসমূহ বাজারে বিক্রয় করতে হয়। আব্দুল করিমও ফসলের মৌসুমে কৃষকদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখেন তাদের ফসল কেনার জন্য। কৃষকদের থেকে সংগৃহীত ফসল তিনি শহরের বাজারে সরবরাহ করেন। এই মধ্যপন্থী কার্যক্রম, অর্থাৎ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে আয় করে তার সংসার চালান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
79
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, বাজারজাতকরণ বা বিপণন পেশা আমাদের দেশে প্রয়োজনীয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এ দেশের অধিকাংশ কৃষক অশিক্ষিত। তারা অনেক পরিশ্রম করে শস্য ফলায়। তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রি করলে ভালো দাম পায় না। তাই তারা দালাল বা ফড়িয়াদের কাছে সাধারণ দামের চেয়ে একটু বেশি দামে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রির চেষ্টা করে। দালাল বা ফড়িয়ারা ওই ফসল শহরে আরও বেশি দামে বিক্রি করে। এতে তারা নিজেরাও লাভবান হয়, আবার কৃষকরাও সাধারণের থেকে একটু বেশি লাভবান হয়। এই দালাল বা ফড়িয়াদের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাম থেকে গঞ্জে এবং গঞ্জ থেকে শহরে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ভোক্তার কাছে আসে। বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করার কাজেও এ ধরনের দালাল বা ফড়িয়াদের অবদান রয়েছে। আমাদের দেশে এই ধরনের দালাল ও ফড়িয়ারা আছে বলেই কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে বিক্রি করতে পারছে। তবে বর্তমানে কিছু ভুয়া দালাল ও ফড়িয়া কৃষকদের ঠকিয়ে তাদের কষ্টে উৎপাদিত পণ্য আত্মসাৎ করছে। যার ফলে সরকার ওই দালাল ও ফড়িয়াদের দূর করতে নিজেরাই কৃষকদের কাছ থেকে ধান/চাল কিনছে। কিন্তু এ দেশে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে দালাল ও ফড়িয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই আমি মনে করি, আমাদের দেশে এ ধরনের পেশা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
95
উত্তরঃ

একজন কৃষক ফসল ফলানোর জন্য যে জমি ব্যবহার করে থাকে তা-ই কৃষি খামার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
99
উত্তরঃ

কৃষি খামারে একটি মাত্র ফসলের পরিবর্তে একাধিক ফসল উৎপাদন করাকে বলা হয় শস্য বহুমুখীকরণ। এ ক্ষেত্রে একই জমিতে বছরের নানা সময়ে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা হয়। ১৯৯০-এর দশকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সরকার শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
102
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews