বাংলাদেশের নতুন জনসংখ্যানীতি গৃহীত হয় ২০০৪ সালে।
সন্ত্রাসের অন্যতম ধরন হলো রাজনৈতিক সন্ত্রাস।
রাজনীতির নামে রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা গোষ্ঠীবিশেষ যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে তাকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে। সন্ত্রাসীরা, শ্রেণি সংগ্রামের নামে আবার কখনো কখনো রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।
জলিল সাহেবের কর্মকান্ডের ফলে পরিবেশের অন্যতম উপাদান পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে পানি দূষণ দিন দিন প্রকট হচ্ছে। কৃষিতে রাসায়নিক পদার্থের মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ, শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য, পৌর এলাকার বর্জ্য, জাহাজ হতে নিঃসৃত তৈলজাতীয় পদার্থ ইত্যাদি দ্বারা প্রতিনিয়ত পানি দূষিত হচ্ছে। এই পানি দূষণ' শুধু জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।
উদ্দীপকের জলিল সাহেব তুরাগ নদীর তীরে 'ইটের ভাটা নির্মাণ করেন এবং সেখানে কিছু জমিতে ধান চাষ করেন। ধানের অধিক ফলনের আশায় তিনি জমিতে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন। ইটের ভাটার বর্জ্য পদার্থ এবং জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে তুরাগ নদীতে পড়ছে। এর ফলে এই নদীটির পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে এবং ক্রমেই এটি মৃতপ্রায় হয়ে যাচ্ছে। যা পরিবেশের জন্যে বড় ধরনের বিপর্যয়কে ইঙ্গিত করে।
উক্ত সমস্যা সমাধান অর্থাৎ পানি দূষণ 'তথা পরিবেশগত দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট বলে আমি মনে করি।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশগত দুর্যোগ, অনেকাংশে মোকাবিলা করা সম্ভব। তবে পুরোপুরি সফলতার জন্য নাগরিকদেরকেও এ ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। আর সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের ফলে নাগরিকদের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে-
মানুষের বসতি এলাকায় শিল্প-কারখানা স্থাপনের অনুমতি না দেওয়া এবং অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা কলকারখানা বন্ধ ঘোষণা করা। সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি জোরদার করা এবং বৃক্ষ রোপণের ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করে তোলা। ইটভাটার জ্বালানি হিসেবে কাঠের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। অধিক হারে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এবং জৈব সার ব্যবহারে উৎসাহিত করা। জনগণকে পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা। যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলা। পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং এ সংক্রান্ত আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা। পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী শিল্পকারখানা চিহ্নিত করে সেগুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পারলে পানি দূষণ তথা পরিবেশগত দুর্যোগ মোকাবিলা সম্ভব।
Related Question
View Allবর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭।
খাদ্যনিরাপত্তা বলতে খাদ্যের প্রাপ্যতা, খাদ্য ক্রয় করার ক্ষমতা এবং খাদ্যের পুষ্টি এই তিনটি বিষয়কে বোঝানো হয়।
কোনো রাষ্ট্রে যখন পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যের মজুদ থাকে এবং জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করা হয় তখন সেই রাষ্ট্রে খাদ্যনিরাপত্তা আছে বলে মনে করা হয়। খাদ্যনিরাপত্তার ফলে নাগরিকদের মধ্যে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা থাকে না। খাদ্য সংকট মোকাবিলার জন্য সঠিক খাদ্যনীতি বা খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।
সুমির জীবনে প্রথম সমস্যাটি যৌতুক প্রথাকে চিহ্নিত করে।
নারী নির্যাতনের অন্যতম ধরন হচ্ছে যৌতুক। পাত্র বা পাত্রীপক্ষ কর্তৃক পাত্রীকে বা পাত্রকে প্রদেয় অর্থ-সম্পত্তি বা অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রীকে যৌতুক বলা হয়। যৌতুক উভয়পক্ষকে প্রদানের রীতি থাকলেও আমাদের সমাজে যৌতুক প্রধানত পাত্রীপক্ষ, পাত্রপক্ষকে বা পাত্রকে প্রদান করে। যৌতুক একটি সামাজিক কু-প্রথা। যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে বিয়ের পর পারিবারিক কলহ, স্ত্রী নির্যাতন ও হত্যা, বিবাহ-বিচ্ছেদ ইত্যাদি ঘটে। নারীদের আত্মহত্যার পেছনে যৌতুকপ্রথা অনেকাংশে দায়ী।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সুমির বিয়ের সময় তার স্বামীকে যে টাকা-পয়সা দেওয়ার কথা ছিল তা দিতে না পারার কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। যা যৌতুক প্রথার একটি কুফল।
সুমির মতো নারীদের যৌতুক প্রথার সমস্যা থেকে রক্ষা করতে উদ্দীপকে বর্ণিত কাজটি অর্থাৎ অর্থনৈতিক কাজ যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে।
আমাদের দেশে অধিকাংশ নারী পরিবারের পুরুষ সদস্যের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সংসারের যেকোনো বিষয়ে তাদেরকে বাবা, ভাই ও স্বামীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই নির্ভরশীলতার কারণে সংসারের কোনো সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তারা মতামত দিতে পারে না বা তাদের মতামত গ্রহণ করা হয় না। অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা নারীর অবস্থানকে সমাজে ও পরিবারে মর্যাদাসম্পন্ন করে। একজন উপার্জনক্ষম নারী শুধু নিজের ওপর নির্ভরশীল নয়, সংসারের বিভিন্ন বিষয়েও তার সিদ্ধান্ত বা মতামত গ্রহণ করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সুমি তার স্বামীর ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল ছিল বিধায় স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সবাই তার সাথে খারাপ আচরণ করত। যখন সে সেলাই কাজ করে পরিবারের অর্থনীতিতে অবদান রাখা শুরু করে, তখন পরিবারের সবাই তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে।
আমাদের দেশে যেসব নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বামীর ওপর নির্ভরশীল, তারাই নির্যাতনের শিকার বেশি হয়। তবে আত্মনির্ভরশীল নারীরা নির্যাতনের শিকার কম হয়। কেননা তারা নিজেদের অধিকার সম্পর্কেও সচেতন থাকে। সুতরাং বলা যায়, অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা নারী নির্যাতন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের নতুন জনসংখ্যানীতি গৃহীত হয় ২০০৪ সালে।
সন্ত্রাসের অন্যতম ধরন হলো রাজনৈতিক সন্ত্রাস।
রাজনীতির নামে রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা গোষ্ঠীবিশেষ যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে তাকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে। সন্ত্রাসীরা, শ্রেণি সংগ্রামের নামে আবার কখনো কখনো রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!