জসিম শান্ত প্রকৃতির ছেলে। একদা কতিপয় দুষ্ট ছেলে তাকে বেত দিয়ে মেরে আহত করে। এ ঘটনা দেখে জনাব কসিম দুষ্ট ছেলেদের অত্যাচার থেকে তাকে রক্ষা করে উভয়ের মাঝে সমঝোতার চেষ্টা করেন। অপরপক্ষে জসিমের বন্ধু আবিরের চরিত্র তাস খেলা, জুয়া খেলা, নারীদের উত্যক্ত করাসহ অশ্লীলতায় ভরপুর। এজন্য অনেকেই তাকে এড়িয়ে চলে। মুফতি এনামুল হক বলেন, 'ইসলামে অশ্লীলতার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য তাকে শাস্তি পেতে হবে।' 

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর কথা, কাজ ও অনুমোদনকে হাদিস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'জালিম ও মাজলুম' বলতে যথাক্রমে অত্যচারী ও অত্যাচারিত ব্যক্তিকে বোঝায়। জুলুম শব্দের অর্থ অত্যাচার। এটি একটি অমার্জনীয় গর্হিত কাজ। ব্যক্তি থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন পক্ষকে প্রাপ্য হক ও অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, কাউকে নিপীড়ন করা প্রভৃতি জুলুমের অন্তর্ভুক্ত। জুলুমের সাথে দুই ধরনের লোক সম্পৃক্ত। এর মধ্যে যারা অত্যাচার করে তাদেরকে জালিম আর যে বা যারা অত্যাচারিত হয় তাদেরকে মাজলুম বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জনাব কসিমের কর্মকাণ্ডে জুলুমের প্রতিরোধ ও মাজলুমের সাহায্য সম্পর্কিত হাদিসের শিক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। জুলুম একটি অমার্জনীয় গর্হিত কাজ। মুমিন ব্যক্তি জালিম হোক বা মাজলুম হোক তাকে রক্ষা করা অপর মুমিনের দায়িত্ব। কেননা এ সম্পর্কে মহানবি (স) ইরশাদ করেছেন, 'তোমরা অত্যাচারী এবং অত্যাচারিত ভাইকে সাহায্য কর। যদি সে অত্যাচারী হয়, তাহলে তাকে অত্যাচার থেকে নিবৃত কর। আর যদি অত্যাচারিত হয়, তবে তোমরা তাকে সাহায্য কর' (সুনানে দারিমি)। এছাড়া পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, 'নিশ্চয়ই মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই। সুতরাং তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যকার সম্পর্ক সংশোধন করে দাও।' মহান আল্লাহর এ নির্দেশ পালনের জন্যই উদ্দীপকে জনাব কসিম দুষ্ট ছেলেদের দল ও জসিমের মাঝে সমঝোতার চেষ্টা করেন।

উদ্দীপকের ঘটনায় দেখা যায়, জসিম একজন শান্ত প্রকৃতির ছেলে। একদিন কতিপয় দুষ্ট প্রকৃতির ছেলে তাকে বেত দিয়ে মেরে আহত করে। এ ঘটনা দেখে জনাব কসিম দুষ্ট ছেলেদের অত্যাচার থেকে তাকে রক্ষা করে উভয়ের মাঝে সমঝোতার চেষ্টা করেন। অর্থাৎ তিনি এ কাজের মাধ্যমে জালিমের হাত থেকে মাজলুমকে রক্ষা করেন এবং তাদের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করেন। সুতরাং বলা যায়, জনাব কসিমের এ কর্মকাণ্ডে জুলুমের প্রতিরোধ ও মাজলুমের সাহায্য সম্পর্কিত হাদিসের শিক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আবিরের চরিত্রটি অশ্লীলতায় পরিপূর্ণ। আর সম্পর্কে মুফতি এনামুলের উক্তিটি যথার্থ। এ অশ্লীলতা হলো মানব চরিত্রের অন্যতম খারাপ দিক। এটি শালীনতার বিপরীত। অশ্লীলতা বলতে অশালীন, অসভ্য, অনাচার প্রভৃতি কাজকর্ম বা কথাবার্তাকে বোঝায়। অশ্লীলতার কিছু উদাহরণ হলো- পর্ণ মুভি দেখা, ইভটিজিং করা, অবৈধ যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি। ইসলামি শরিয়তে অশ্লীলতাকে হারাম করা হয়েছে। ইসলামে অশ্লীলতার কোনো স্থান নেই। অশ্লীলতা সম্পর্কে মহানবি (স) বলেছেন, 'মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতম হচ্ছে সে ব্যক্তি, যার অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তাঁকে পরিত্যাগ করে' (বুখারি ও মুসলিম)। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, 'মুহাম্মদ (স) আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমার রব সব প্রকাশ্য ও গোপন অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন' (সুরা আরাফ: ৩৩)। তাই আবিরের কর্মকাণ্ড ইসলামে নিষিদ্ধ।

উদ্দীপকের আবিরের চরিত্র তাস খেলা, জুয়া খেলা, নারীদের উত্যক্ত করাসহ অশ্লীলতায় ভরপুর। এজন্য অনেকেই তাকে এড়িয়ে চলে। অর্থাৎ হাদিসের আলোকে আবির একজন নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। অশ্লীলতার কারণে আবিরকে পরকালে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। কেননা অশ্লীলতার পরিণতি হলো জাহান্নাম। মহান আল্লাহ তায়ালা এ সম্পর্কে ইরশাদ করেন, 'তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ' (সুরা বনি ইসরাঈল: ৩২)। মহান আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, 'যারা চায় মুমিনদের সমাজে অশ্লীলতার প্রসার ঘটুক তারা দুনিয়ায় ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে' (সুরা আন-নূর: ১৯)। পরিশেষে বলা যায় যে, অশ্লীলতা একটি ঘৃণীত ও নিকৃষ্ট অপরাধ। এর জন্য পরকালে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। আবিরের অশ্লীলতা প্রসঙ্গে মুফতি এনামুলের বক্তব্যটি যথাযথ। এসব আচরণ থেকে সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
349

Related Question

View All
উত্তরঃ

 'সিহাহ সিত্তাহ' হলো- বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
858
উত্তরঃ

আলোচ্য হাদিসের অর্থ হলো- 'লজ্জাশীলতা ইমানের একটি বিশেষ অঙ্গ'। উল্লেখিত হাদিসটি সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরিফে সংকলিত হয়েছে। এ হাদিসে রাসুল (স) লজ্জাশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। একজন মুমিন তার আচার-আচরণ, কথাবার্তা, কাজকর্মে অবশ্যই লজ্জাশীল হবেন। কারণ লজ্জাশীলতা ইমানের অপরিহার্য একটি দিক। তাই মান-সম্মান রক্ষা করার জন্য ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেক মুমিনের লজ্জাশীল হওয়া প্রয়োজন। আলোচ্য হাদিসে ইমানের সাথে লজ্জার সম্পর্কের দিকটিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
702
উত্তরঃ

হাবিবের বক্তব্যে ওহিয়ে মাতলু তথা পবিত্র কুরআনের পরিচয় ফুটে উঠেছে। কুরআন মাজিদ আল্লাহর বাণী। এটি সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব যা সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল। উদ্দীপকের হাবিব ওহির বিভিন্ন প্রকার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রথমোক্ত ওহির মাধ্যমে পবিত্র কুরআনকে বুঝিয়েছে। উদ্দীপকের তিন বন্ধু ইসলামি শরিয়ার উৎস সম্বন্ধে আলোচনা করছিল। হাবিব এ সময় বলে, কিছু ওহির ভাব ও ভাষা সরাসরি আল্লাহর, যা পাঠ করা ইবাদত এবং নামাজেও এর তিলাওয়াত আবশ্যক। এর মাধ্যমে হাবিব পবিত্র কুরআনকে বুঝিয়েছে। ওহি দুই প্রকার। যথা- ওহিয়ে মাতলু ও ওহিয়ে গায়রে মাতলু। ওহিয়ে মাতলু বা পঠিত ওহি হলো কুরআন মাজিদ। এটি লাওহে মাহফুজ থেকে জিবরাইল (আ)-এর মাধ্যমে নবুওয়তের দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে মহানবি (স)-এর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে। 

কুরআন সন্দেহাতীতভাবে অদ্যাবধি অবিকল ও অবিকৃত অবস্থায় সুরক্ষিত হয়ে আসছে। এর শব্দ, অর্থ, মর্ম উপস্থাপনা, বিন্যাস সবই আল্লাহ তায়ালার নিজস্ব। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ছাড়া নামাজ আদায় হয় না। নামাজে কুরআন থেকে তিলাওয়াত করা ফরজ। সুতরাং উদ্দীপকের হাবিব প্রথমোক্ত ওহির মাধ্যমে কুরআন মাজিদের দিকেই ইঙ্গিত করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
419
উত্তরঃ

হাসানের উল্লেখিত বিষয়টি ওহিয়ে গায়রে মাতলু তথা হাদিস; যার সাথে হাদিসে কুদসির কতিপয় সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ওহি দুই প্রকার- যার মধ্যে একটি 'ওহি গায়রে মাতলু' অর্থাৎ অপঠিত ওহি বা হাদিস। মহানবি (স)-এর কথা, কাজ এবং মৌন সম্মতি তথা রাসুল (স)-এর বাস্তব জীবনের প্রতিটি কাজ ও সমর্থনই হাদিস। হাসানের বক্তব্যে হাদিসের কথাই প্রকাশ পেয়েছে।

উদ্দীপকের হাসান ইসলামি শরিয়ার দ্বিতীয় উৎস হাদিসের প্রসঙ্গে কথা বলছিল। সে বলে, হাদিস নামাজে তিলাওয়াত করতে হয় না এবং অপবিত্র অবস্থায়ও এটি স্পর্শ করা যায়। হাসানের উল্লেখিত ওহি গায়রে মাতলু বা হাদিসের বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে হাদিসে কুদসি অন্যতম। হাদিসে কুদসি অন্যান্য হাদিসের মতই, তবে এ প্রকার হাদিসের ভাব স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এবং ভাষা রাসুল (স)-এর নিজের। অপরদিকে সাধারণ হাদিসের ভাব ও ভাষা উভয়টিই রাসুল (স)-এর নিজস্ব। তাছাড়া হাদিসে কুদসিও অপবিত্র অবস্থায় স্পর্শ করা যায়। 'রাসুল (স) বলেছেন', একথা অন্যান্য হাদিসের প্রারম্ভে থাকে। কিন্তু হাদিসে কুদসি শুরু হয় 'আল্লাহ বলেছেন' এ কথা দিয়ে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, হাসানের উল্লিখিত বিষয়টি হচ্ছে রাসুলের (স) বাণী বা কাজ তথা হাদিস। আর হাদিসে কুদসি এরই একটি ধরন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
272
উত্তরঃ

সম্পূর্ণ কুরআন সর্বপ্রথম সংরক্ষিত হয় লাওহে মাহফুজে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
509
উত্তরঃ

কুরআনকে বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করে কুরআন পাঠের অভিন্ন রীতি চালু করায় হযরত উসমান (রা) কে জামিউল কুরআন বলা হয়। হযরত উসমান (রা) এর সময় ভিন্ন ভিন্ন রীতিতে কুরআন পাঠের ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য কুরআনের প্রথম পাণ্ডুলিপিটি থেকে সাতটি কপি তৈরি করা হয়। এবং সেগুলো বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয় যাতে সবাই একই রীতিতে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.9k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews