জহির সাহেবের বয়স ৫০ বছর এবং ওজন ৬৫ কেজি।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ভিটামিন হলো খাদ্যে উপস্থিত বিশেষ এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা অতি সামান্য পরিমাণে উপস্থিত থেকে বিপাক ক্রিয়ায় উৎসেচকের সাথে কো-এনজাইম হিসেবে কাজ করে।

উত্তরঃ

খনিজ লবণের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড় গঠনে, রক্ত জমাট বাঁধতে, স্নায়ু ব্যবস্থার সুষ্ঠু কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে। ফসফরাস দাঁত ও হাড় গঠন করে ও ফসফোলিপিড তৈরি করে। লৌহ রক্তের লোহিত রক্তকণিকা গঠন, উৎসেচক বা এনজাইমের কার্যকারিতায় সহায়তা করে। আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির কাজে সহায়তা করে। পেশি সংকোচনে পটাসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এজন্য মানবদেহে খনিজ লবণ প্রয়োজনীয়।

উত্তরঃ

জহির সাহেবের বয়স ৫০ বছর। তাই তার সম্ভাব্য গড় ওজন ৬৮ কেজি এবং মোট প্রয়োজনীয় গড় শক্তি ২৩০০ কিলোক্যালরি।

মানবদেহে প্রায় ৩০০- ৪০০ গ্রাম শর্করা জমা থাকে।

আবার মোট শক্তির শতকরা ৬০ - ৭০ ভাগ শর্করা হতে আসে।

∴ জহির সাহেবের প্রয়োজনীয় মোট শক্তির মধ্যে শর্করা হতে প্রাপ্ত শক্তি

= ৬৫১০০×২৩০০কিলোক্যালরি

= ১৪৯৫ কিলোক্যালরি

আবার, ১ গ্রাম শর্করা হতে শক্তি পাওয়া যায় ৪ কিলোক্যালরি

∴ জহির সাহেবের দেহের জন্য প্রয়োজনীয় শর্করা = ১৪৯৫8 গ্রাম

= ৩৭৩.৭৫ গ্রাম

অতএব, জহির সাহেবের প্রতিদিনের শর্করার চাহিদা ৩৭৩.৭৫ গ্রাম

উত্তরঃ

গ নং হতে পাই,

জহির সাহেবের প্রতিদিনের শর্করার চাহিদা ৩৭৩.৭৫ গ্রাম

জহির সাহেব প্রতিদিন ১৫০ গ্রাম শর্করা গ্রহণ করলে

শর্করার ঘাটতি হবে = (৩৭৩.৭৫- ১৫০) গ্রাম = ২২৩.৭৫ গ্রাম।

এ পরিমাণ শর্করার ঘাটতির জন্য তার দেহে নিম্নলিখিত সমস্যার সৃষ্টি হবে-

১. শর্করার অভাবে অপুষ্টি দেখা দিবে।
২. রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেলে দেহে বিপাক ক্রিয়ার সমস্যার সৃষ্টি হবে।
৩. রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দিবে।
৪. হৃদকম্পন বেড়ে বা কমে যেতে পারে।
৫. এছাড়া ক্ষুধা অনুভব করা, বমি বমি ভাব, অতিরিক্ত ঘামানো ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

203

বর্তমানে পৃথিবীতে বাস করছে লাখ লাখ বিভিন্ন জাতের প্রাণী। এদের আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য যেমন ভিন্নতর তেমন বিচিত্র এদের জীবনধারা, স্বভাব, খাদ্য ও খাদ্যগ্রহণ পদ্ধতি। দেহের বৃদ্ধি, শক্তি ও বেঁচে থাকার জন্য প্রতিটি প্রাণীর খাদ্য অপরিহার্য। অতএব মানবদেহকে সুস্থ-সকল রাখার জন্যও খাদ্য অপরিহার্য। খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা অর্জন করা দেহকে সুস্থ রাখার পূর্বশর্ত। আমিষ, শর্করা, জেল ও চ ইত্যাদি জৈবযৌগ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। আর এ সকল খাদ্য থেকে পুষ্টি পাই। খাদ্য বলতে সেই সকল জৈব উপাদানকে বোঝায় যেগুলো জীবের দেহ গঠন, ক্ষয়পূরণ ও শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। আার এ খাদ্য থেকে জীৰ পুষ্টি লাভ করে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আম-

• বিভিন্ন খাদ্যের পুষ্টিগুণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• পুষ্টির অভাবজনিত রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করতে পারব;
• চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য নির্বাচন করতে পারব।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews