জাকির সাহেব এ বছর রমজান মাসে তার সম্পদের হিসাব করে নির্দিষ্ট অংশ অসহায় গরিব মানুষদের দান করেন। অন্যদিকে তার ডাই আনিস সাহেব নির্ধারিত সম্পদ থাকার পরও হিসাব না করে ইচ্ছামতো কিছু সম্পদ পছন্দের মানুষকে দান করেন। বিষয়টি ইমাম সাহেবের নিকট জানতে চাইলে তিনি বললেন, সম্পদের নির্দিষ্ট অংশ নির্ধারিত খাতে ব্যয় করতে হবে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

সন্তান জন্মগ্রহণের পর সপ্তম দিনে তার কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কুরবানিকে আকিকা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

হজ পালনকালে অনিচ্ছায়ও অনেক ত্রুটিবিচ্যুতি বা নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটতে পারে। হজের ওয়াজিব পালনে ধারাবাহিকতার ব্যতিক্রম ঘটলে 'দম' ওয়াজিব হয়। যেমন-মাথা মুণ্ডনের পূর্বে শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করা। আর দম হচ্ছে একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা কুরবানি করা। উট বা গরুর এক-সপ্তমাংশও এর স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। সাধারণভাবে ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজগুলো বা হারাম শরিফ এলাকায় নিষিদ্ধ কোনো কাজ করলে প্রতিদানস্বরূপ 'দম' বা কুরবানি করতে হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাদাকা দিতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

জাকির সাহেবের আদায়কৃত ইবাদতটি হলো যাকাত। এর প্রভাবে সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

যাকাতের অন্যতম গুরুত্ব হলো অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা। সমাজের কেউ সম্পদের পাহাড় গড়বে, সুউচ্চ ইমারতে বসবাস করবে, বিলাসবহুল জীবনযাপন করবে, আর কেউ অনাহারে, অর্ধহারে দিন কাটাবে এমন বিধান ইসলামে নেই। কেউ শিক্ষা, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে না, আর বাড়ি বাড়ি ঘুরবেন, শান্তি ও সাম্যের ধর্ম ইসলাম তা কিছুতেই সমর্থন করে না। কাজেই সকল শ্রেণির নাগরিকের মধ্যে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য ইসলাম ধনীদের ওপর যাকাত ফরজ করেছে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, "আল্লাহ তায়ালা লোকের ওপর সাদাকা (যাকাত) ফরজ করেছেন। তা নেওয়া হবে ধনীদের থেকে এবং বিলিয়ে দেওয়া হবে দুস্থদের মধ্যে।" (বুখারি ও মুসলিম) উদ্দীপকের জাকির সাহেব বছরান্তে সম্পদের হিসাব করে তা অসহায় গরিব-দুঃখী মানুষদের দান করেন। এর মাধ্যমে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন। আর এর মাধ্যমে সমাজের ধনী দরিদ্রের মধ্যকার অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

না, উদ্দীপকে জনাব আনিস সাহেবের যাকাত আদায় হয়নি। কারণ তিনি যাকাত আদায়ের যথাযথ নিয়ম পালন করেননি।

যাকাত ইসলামের একটি মৌলিক বিধান। 'যাকাত' আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ বৃদ্ধি, পবিত্রতা, পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকের ওপর যাকাত আদায় করা ফরজ। যাকাত আদায়ের কিছু নিয়ম এবং সুনির্দিষ্ট খাত রয়েছে, যেসব খাতে যাকাতের অর্থ প্রদান করতে হবে। জনাব আনিস সাহেব কিছু টাকা যাকাত হিসেবে দান করেন। কিন্তু যাকাত হিসেবে তার প্রদত্ত অর্থ নিয়মানুযায়ী সঠিক হয়নি। এক্ষেত্রে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকরা বছর শেষে সম্পদ হিসাব করে ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত সম্পদের শতকরা ২.৫০ টাকা হারে যাকাত আদায়ের সুনির্দিষ্ট খাতে দান করবেন। সূরা আত-তাওবায় মহান আল্লাহ যাকাত আদায়ের আটটি খাতের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো- অভাবগ্রস্ত বা ফকির, মিসকিন বা সম্বলহীন, যাকাতের অর্থ সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মচারী, নওমুসলিমদের মন জয় করার উদ্দেশ্যে, মুক্তিকামী' দাস, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, আল্লাহর পথে অর্থাৎ ইসলামের খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তি এবং মুসাফির বা অসহায় প্রবাসী পথিক।

আনিস সাহেব যাকাত আদায়ের উল্লিখিত নিয়ম স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছেন বিধায় তার যাকাত আদায় হয়নি বলে আমি মনে করি। কারণ, তিনি যথাযথভাবে হিসাব করে যাকাত দেননি।
উদ্দীপকের ইমাম সাহেব বলেছেন, আল্লাহ সমাজের ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূর করার জন্য যাকাত ফরজ করেছেন। তাই সম্পদের নির্দিষ্ট অংশ নির্ধারিত খাতে ব্যয় করতে হবে। এ বক্তব্যটি যথার্থ বলে বিবেচিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
102

আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব ও আনুগত্য স্বীকার করে তাঁর আদেশ পালন ও নিষেধ বর্জন করে জীবন পরিচালনাকে ইসলামি পরিভাষায় ইবাদত বলে। ইসলাম হলো পরিপূর্ণ জীবন বিধান। ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিষয় যথা : কালিমা, নামায, রোযা, যাকাত ও হজ যথাযথ পালনের নাম ইবাদত । আবার মানব- জীবনের প্রতিটি কাজ ইসলামি বিধি-বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করাও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর সকল সৃষ্টবস্তু মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে । আর মানুষ ও জিন জাতিকে শুধু আল্লাহর ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
■যাকাতের ধারণা, যাকাত ফরজ হওয়ার শর্ত ও যাকাতের মাসারিফ বর্ণনা করতে পারব।
■যাকাতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব এবং তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।
■হজের ধারণা, পটভূমি, তাৎপর্য, ফজিলত, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাতসমূহ ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■হজ পালনের ত্রুটি এবং তা সংশোধনের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
■সাম্য ও বিশ্বভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় হজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
■কুরবানির ধারণা, পটভূমি ও নিয়মাবলি বর্ণনা করতে পারব।
■বাস্তব জীবনে ত্যাগ ও উদারতা অর্জনে কুরবানির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব । আকিকার ধারণা ও আদায়ের নিয়ম বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

নামাজের উদ্দেশ্যে যেমন তাহরিমা বাঁধতে হয়, হজের জন্যও তেমনি ইহরাম বাঁধতে হয়। সালাতে তাকবিরে তাহরিমার পর যেমন সকল দুনিয়াবি চিন্তা বন্ধ হয়ে যায় তদ্রুপ ইহরাম বাঁধার পর দুনিয়ার বৈধ কাজ অবৈধ হয়ে যায়। শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখ থেকে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত যেকোনো দিন ইহরাম বাঁধা যায়। এ সময় ছাড়া অন্য সময় ইহরাম বাঁধলে হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
121
উত্তরঃ

আমিরুল সাহেবের কাজটিতে আকিকার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
'আকিকা' আরবি শব্দ। এর অর্থ ভাঙা, কেটে ফেলা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় সন্তান জন্মের পর সপ্তম দিনে তার কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর নামে কোনো হালাল গৃহপালিত পশু জবাই করাকে আকিকা বলা হয়। আকিকা করা সুন্নাত। এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। সন্তানের বিপদাপদ দূর হয়। কাজেই প্রত্যেক পিতামাতার উচিত নবজাত সন্তানের যথাসময়ে আকিকা করা। হাদিসে আছে, "প্রতিটি নবজাত সন্তান আকিকার সাথে সম্পৃক্ত তার জন্মের সপ্তম দিনে তার নামে পশু জবাই করতে হবে। তার নাম রাখা হবে, তার মাথার চুল মুন্ডন করা হবে।" (নাসায়ি)
উদ্দীপকের আমিরুল সাহেব পুত্র সুহানের জন্মের সপ্তম দিনে দুটি ছাগল জবাই করেছেন। যাকে ইসলামি শরিয়তে আকিকা বলে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, 'ছেলে সন্তানের জন্য-দুটি ছাগল ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল জবেহ করাই যথেষ্ট।' (নাসায়ি)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
125
উত্তরঃ

খাইরুল সাহেবের কাজটিতে কুরবানি পালিত হয়েছে। আর এতে মানবজাতির জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে।

কুরবানির সমার্থক শব্দ 'উযহিয়‍্যাহ'। এর আভিধানিক অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যে পশু জবাই করা হয় তাকে কুরবানি বলে। কুরবানি আল্লাহর নবি হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অতুলনীয় ত্যাগের স্মৃতি বহন করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ ঘোষণা করেন যে, তাদের কাছে নিজ জানমাল অপেক্ষা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল্য অনেক বেশি।

প্রদত্ত উদ্দীপকে ইমাম সাহেব বলেন, কুরবানিতে আমাদের জন্য ত্যাগের শিক্ষা রয়েছে। কেননা কুরবানি বলতে শুধু গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা ইত্যাদি জবাই করা বোঝায় না। বরং এর দ্বারা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন বোঝায়।
সুতরাং কুরবানির ত্যাগের শিক্ষা আমাদেরকে পরোপকারে উৎসাহিত করবে ও মানবতাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটাবে। যা ইমাম সাহেবের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
115
উত্তরঃ

রাসুলুল্লাহ (স.) নবি হওয়ার পর নিজের আকিকা নিজেই করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
104
উত্তরঃ

যাকাতের মাধ্যমে সমাজে ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার বিরাজমান বৈষম্য দূর হয়। আল্লাহর নির্দেশমতো যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করলে সমাজের কোনো লোক অন্নহীন, বস্ত্রহীন, গৃহহীন থাকবে না। কেউ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না। সম্পদশালী ব্যক্তিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যাকাত ও সদকার অর্থে অভাবীদের প্রয়োজন মিটিয়েও অনেক জনহিতকর এবং কল্যাণমূলক কাজ করা যায়। বহু দরিদ্র ব্যক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা যায়। যারা কর্মক্ষম তাদের উপযোগী বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া যেতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
86
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews