যৌথমূলধনী কোম্পানির মূলধনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র একককেই শেয়ার বলে।
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠনের বেলায় নিবন্ধনপত্র সংগ্রহের পর প্রবর্তকদের কার্য শুরুর জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংগ্রহ করতে হয় তাকেই কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র বলে।
কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়েছে- এ মর্মে সকল দলিল নিবন্ধকের নিকট দাখিল করতে হয়। নিবন্ধক এতে সন্তুষ্ট হলেই কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র প্রদান করেন। তারপর পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি কাজ শুরু করতে পারে। তাই পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির জন্য এরূপ দলিল সংগ্রহ বাধ্যতামূলক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।
যে কোম্পানির সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন দুই জন এবং সর্বোচ্চ পঞ্চাশ জনে সীমাবদ্ধ এবং যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে।
উদ্দীপকের জনাব জাবেদ তার চার বন্ধুকে নিয়ে শুধু নিবন্ধনপত্র সংগ্রহ করে কৃত্রিম সত্তাবিশিষ্ট 'নতুন কুঁড়ি' নামক একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। বিদেশে ব্যাপক চাহিদা থাকায় অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সফলতা পায়। উক্ত প্রতিষ্ঠানের সদস্যসংখ্যা পাঁচ জন যা পঞ্চাশ জনের বেশি নয় এবং তারা বাজারে শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারছে না। অতএব এটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।
উদ্দীপকে 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার ছাড়ার অনুমতিপত্র পাবে না কেননা উক্ত প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। তবে প্রাইভেট লিমিটেডকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা গেলে শেয়ার ছাড়ার অনুমতি পাবে।
স্বাধীন সত্তা ও সীমিত দায়বিশিষ্ট ছোট ধরনের কোম্পানি সংগঠন হলো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। তাই প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার বিক্রয়ের আহ্বান জানাতে পারে না।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার অবাধে বাজারে বিক্রয় করতে পারে না। এ ধরনের কোম্পানিতে সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জনে সীমাবদ্ধ থাকে। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারণের ইচ্ছায় পুঁজির স্বল্পতা দূরীকরণের জন্য তারা বাজারে শেয়ার বিক্রয় করার উদ্যোগ নেয়। আইনগতভাবে বিভিন্ন দলিলপত্র নিবন্ধকের নিকট দাখিল করে। কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠানে সদস্য সংখ্যা ৫ জন, যা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির নূন্যতম সদস্যসংখ্যা ৭ জনের চেয়েও কম। উক্ত প্রতিষ্ঠানটির সদস্য সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় নি বিধায় প্রতিষ্ঠানটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি থেকে যায়। তাই আমার মতে 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার ছাড়ার অনুমতিপত্র পাবে না। কারণ এটি একটি প্রাইভেট লি. কোম্পানি, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি নয়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!