জাবেদ সাহেব তার চার জন বন্ধুকে নিয়ে নতুন কুঁড়ি নামক একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা স্থাপন করেন। বিদেশে ব্যাপক চাহিদা থাকায় অল্পসময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ব্যাপক সফলতা পায়। কারখানাটি সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে, পুঁজির স্বল্পতা দূরীকরণের জন্য বাজারে শেয়ার বিক্রয় করার সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য তারা সদস্যসংখ্যা ঠিক রেখে বিধি অনুযায়ী বিভিন্ন দলিলপত্র তৈরি করেন এবং নিবন্ধকের নিকট আবেদন করেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যৌথমূলধনী কোম্পানির মূলধনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র একককেই শেয়ার বলে।

উত্তরঃ

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠনের বেলায় নিবন্ধনপত্র সংগ্রহের পর প্রবর্তকদের কার্য শুরুর জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংগ্রহ করতে হয় তাকেই কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র বলে।

কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়েছে- এ মর্মে সকল দলিল নিবন্ধকের নিকট দাখিল করতে হয়। নিবন্ধক এতে সন্তুষ্ট হলেই কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র প্রদান করেন। তারপর পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি কাজ শুরু করতে পারে। তাই পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির জন্য এরূপ দলিল সংগ্রহ বাধ্যতামূলক।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।

যে কোম্পানির সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন দুই জন এবং সর্বোচ্চ পঞ্চাশ জনে সীমাবদ্ধ এবং যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে।

উদ্দীপকের জনাব জাবেদ তার চার বন্ধুকে নিয়ে শুধু নিবন্ধনপত্র সংগ্রহ করে কৃত্রিম সত্তাবিশিষ্ট 'নতুন কুঁড়ি' নামক একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। বিদেশে ব্যাপক চাহিদা থাকায় অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সফলতা পায়। উক্ত প্রতিষ্ঠানের সদস্যসংখ্যা পাঁচ জন যা পঞ্চাশ জনের বেশি নয় এবং তারা বাজারে শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারছে না। অতএব এটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার ছাড়ার অনুমতিপত্র পাবে না কেননা উক্ত প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। তবে প্রাইভেট লিমিটেডকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা গেলে শেয়ার ছাড়ার অনুমতি পাবে।

স্বাধীন সত্তা ও সীমিত দায়বিশিষ্ট ছোট ধরনের কোম্পানি সংগঠন হলো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। তাই প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার বিক্রয়ের আহ্বান জানাতে পারে না।

উদ্দীপকে দেখা যায়, 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার অবাধে বাজারে বিক্রয় করতে পারে না। এ ধরনের কোম্পানিতে সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জনে সীমাবদ্ধ থাকে। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারণের ইচ্ছায় পুঁজির স্বল্পতা দূরীকরণের জন্য তারা বাজারে শেয়ার বিক্রয় করার উদ্যোগ নেয়। আইনগতভাবে বিভিন্ন দলিলপত্র নিবন্ধকের নিকট দাখিল করে। কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠানে সদস্য সংখ্যা ৫ জন, যা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির নূন্যতম সদস্যসংখ্যা ৭ জনের চেয়েও কম। উক্ত প্রতিষ্ঠানটির সদস্য সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় নি বিধায় প্রতিষ্ঠানটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি থেকে যায়। তাই আমার মতে 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার ছাড়ার অনুমতিপত্র পাবে না। কারণ এটি একটি প্রাইভেট লি. কোম্পানি, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি নয়।

185

সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের ধারায় সূচনা লগ্নে ব্যবসায়ের পরিসর ছিল অল্প ও সংকীর্ণ, তাই এর সাংগঠনিক রূপ ছিল সহজ, ছোট। যেমন—একমালিকানা, অংশীদারি। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি হতে শুরু হয়ে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হলে শিল্প ও ব্যবসায়-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। পূর্বেকার কায়িকশ্রমের স্থান দখল করে নেয় যন্ত্রপাতি এবং শুরু হয় বৃহদায়তন উৎপাদনের পালা । এমতাবস্থায় ব্যবসায় সংগঠনের প্রাথমিক রূপ তথা একমালিকানা ব্যবসায় এবং অংশীদারি ব্যবসায়ের পক্ষে এদের কতিপয় সীমাবদ্ধতার কারণে বৃহদায়তন পণ্যদ্রব্যাদির উৎপাদন ও বণ্টন কার্য পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলাতে যেয়ে অধিক মূলধন, সীমাবদ্ধ দায়, দক্ষ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং চিরন্তন অস্তিত্বের সুবিধা নিয়ে যুগোপযোগী ব্যবসায় সংগঠন হিসেবে যৌথ মূলধনী ব্যবসায়ের উদ্ভব ঘটে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা জানতে পারব—

  • কোম্পানী সংগঠনের ধারণা।
  • কোম্পানী সংগঠনের বৈশিষ্ট্যসমূহ।
  • কোম্পানী সংগঠনের প্রকারভেদ ।
  • পাবলিক ও প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর মধ্যে পার্থক্য।
  • কোম্পানী সংগঠনের গুরুত্ব।
  • কোম্পানী সংগঠনের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা।
  • কোম্পানী সংগঠনের গঠন প্রক্রিয়া ।
  1. পরিমেলবন্ধের ধারণা, বিষয়বস্তু ও নমুনা
  2. পরিমেলবন্ধের গুরুত্ব
  3. পরিমেল নিয়মাবলির ধারণা ও বিষয়বস্তু 
  4. পরিমেলবন্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলির পার্থক্য
  5. বিবরণপত্রের বিষয়বস্তুসমূহ
  • কোম্পানী নিবন্ধনপত্রের ধারণা ও নমুনা ।
  • কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র ।
  • কোম্পানীর মূলধন সংগ্রহের উৎসসমূহ।
  • শেয়ার এর ধারণা এবং প্রকারভেদ।
  • ঋণপত্র এর ধারণা এবং প্রকারভেদ।
  • শেয়ার ও ঋণপত্রের পার্থক্য।
  • কোম্পানী সংগঠনের বিলোপ সাধন পদ্ধতি ।
  • বাংলাদেশে কোম্পানী সংগঠনের বর্তমান অবস্থা ।
  • বাংলাদেশে কোম্পানী সংগঠনের ভবিষ্যত সম্ভাবনার দিকগুলো ।
  • সাম্প্রতিককালের বিকাশমান ব্যবসায়গুলোর ধারণা।

সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews