জাভা দ্বীপে তখন কোন কেন্দ্রীয় শাসন ছিল না। অধিবাসীরা রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে সমাজ গঠন করে বসবাস করত। নিজেদের মধ্য থেকে নেতা নির্বাচন করে তারা পরিষদে পাঠাত। আর এভাবে সমাজের প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত পরিষদ দ্বীপের প্রধান শহরের শান্তি-শৃঙ্খলা দেখ ভাল করতেন। দ্বীপবাসীর অর্থনৈতিক অবস্থা ও ভাল ছিল না। কষ্টসাধ্য কিছু পেশার বাইরে অধিবাসীদের আয়ের উৎস ছিল সীমিত। বছরের নির্দিষ্ট একটি সময়ে দ্বীপের সৌন্দর্য দর্শনে আসা বাইরের দেশের পর্যটকদের ঘিরে কিছু মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করত।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ আসসাবউল মুয়াল্লাকাত হলো প্রাক-ইসলামী আরবের সাতজন বিখ্যাত কবির সাতটি দীর্ঘ কবিতা বা কাসিদার একটি সংকলন। ঐতিহ্যগতভাবে এগুলো কাবা ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা হতো বলে এই নামকরণ করা হয়েছে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

বেদুঈন (Bedouin) হলো আরবের মরুভূমি ও অর্ধ-মরুভূমি অঞ্চলে বসবাসকারী যাযাবর বা অর্ধ-যাযাবর আরব উপজাতি। এরা মূলত পশুপালন (উট, ভেড়া, ছাগল) করে জীবন ধারণ করত এবং পানি ও চারণভূমির সন্ধানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে বেড়াত।

প্রাচীন আরবের সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে বেদুঈনদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাদের জীবন ছিল কঠোর পরিশ্রমের এবং প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সাথে সংগ্রামপূর্ণ। তারা শক্তিশালী গোত্রীয় বন্ধন, আতিথেয়তা, বীরত্ব এবং স্বাধীনচেতা মনোভাবের জন্য পরিচিত ছিল। ইসলামের উত্থানের পূর্বে এবং পরবর্তীতে বেদুঈনরা আরবের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছিল, বিশেষত ইসলামী সাম্রাজ্যের বিস্তারে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত জাভা দ্বীপের পরিষদ গঠন এবং প্রাক-ইসলামী মক্কার শাসন ব্যবস্থার মধ্যে গভীর সামঞ্জস্য বিদ্যমান। উভয় সমাজেই কেন্দ্রীয় শাসনের অনুপস্থিতি ছিল এবং রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে গঠিত সমাজের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালিত হতো। এই প্রতিনিধিরা নিজ নিজ সম্প্রদায়ের বিষয়াবলী এবং সামগ্রিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য দায়বদ্ধ ছিল।

উদ্দীপক অনুসারে, জাভা দ্বীপে কোনো কেন্দ্রীয় শাসন ছিল না। অধিবাসীরা রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে সমাজ গঠন করে বসবাস করত এবং নিজেদের মধ্য থেকে নেতা নির্বাচন করে পরিষদে পাঠাত। সমাজের প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত এই পরিষদ দ্বীপের প্রধান শহরের শান্তি-শৃঙ্খলা দেখাশোনা করত। এটি একটি বিকেন্দ্রীভূত এবং গোষ্ঠীভিত্তিক শাসন ব্যবস্থার স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে, যেখানে সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাই প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতেন।

একইভাবে, প্রাক-ইসলামী মক্কাতেও কোনো একক কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা ছিল না। মক্কার সমাজ কুরাইশ গোত্রের বিভিন্ন শাখার সমন্বয়ে গঠিত ছিল এবং প্রতিটি শাখা থেকে প্রতিনিধিরা 'দারুন-নাদওয়া' নামক একটি পরিষদে যোগ দিতেন। এই দারুন-নাদওয়া মক্কার প্রশাসনিক, বিচারিক ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করত। উভয় ক্ষেত্রেই, রক্তের সম্পর্কভিত্তিক সমাজের নির্বাচিত বা মনোনীত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত পরিষদ শাসনকার্য পরিচালনা করত এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখত, যা তাদের শাসন ব্যবস্থার মধ্যে সুস্পষ্ট সামঞ্জস্য প্রমাণ করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেকোনো জাতির অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি। উদ্দীপকে জাভা দ্বীপের অধিবাসীদের অর্থনৈতিক অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে, যা ছিল সীমিত ও দুর্বল। এর আলোকে আরবদের অর্থনৈতিক অবস্থার মূল্যায়ন করতে হলে তাদের ইতিহাস ও ভূগোল বিবেচনা করা আবশ্যক।

উদ্দীপকে জাভাবাসীর অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সীমাবদ্ধ। তাদের কোনো কেন্দ্রীয় শাসন ছিল না এবং সমাজ রক্তসম্পর্কের ভিত্তিতে গঠিত ছিল। তাদের আয়ের উৎস ছিল কষ্টসাধ্য কিছু পেশা এবং বছরের নির্দিষ্ট সময়ে আসা পর্যটকদের ঘিরে সীমিত ব্যবসা-বাণিজ্য। অর্থাৎ, জাভাবাসীর অর্থনৈতিক জীবন ছিল মূলত স্থানীয় চাহিদাকেন্দ্রিক, স্বল্প আয় reliant এবং বহিরাগত পর্যটকদের উপর নির্ভরশীল, যা একটি দুর্বল ও অসংগঠিত অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত ছিল না বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আরবদের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল জাভাবাসীর তুলনায় অনেক বেশি সুসংগঠিত, বৈচিত্র্যপূর্ণ ও সমৃদ্ধ। ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বেও আরবেরা বিশেষত মক্কার কুরাইশরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। তারা সিরিয়া ও ইয়েমেনের মধ্যে বাণিজ্যিক কাফেলা পরিচালনা করত, যা তাদেরকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনে দিয়েছিল। ইসলামের প্রসারের পর মুসলিমরা বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে, যার ফলে তাদের অর্থনীতি আরও সুসংহত ও শক্তিশালী হয়। কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও খনিজ সম্পদ আহরণ— এই চারটি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে তাদের অর্থনীতি গড়ে উঠেছিল। মুসলিম শাসনামলে সেচ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করে কৃষিকে সমৃদ্ধ করা হয়। বস্ত্র, চামড়া, ধাতু ও কাগজ শিল্পের মতো বিভিন্ন কুটির শিল্প ও বৃহৎ শিল্প বিকশিত হয়। আরব বণিকরা স্থলপথ ও জলপথে দূর-দূরান্তের দেশসমূহের সাথে ব্যবসা করত, যা তাদের অর্থনীতিতে প্রচুর সম্পদ এনে দেয়। বাইতুল মাল (রাজকোষ) ছিল সুসংগঠিত এবং যাকাত, জিজিয়া, খারাজ, উশর ইত্যাদি করের মাধ্যমে নিয়মিত রাজস্ব আদায় করা হতো।

উপসংহারে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত জাভাবাসীর অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অনুন্নত, স্থানীয় ও সীমিত আয়ের উৎসের উপর নির্ভরশীল। এর বিপরীতে, আরবদের অর্থনীতি ছিল ইসলামের উত্থানের পর একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসনের অধীনে বিকশিত, বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে সমৃদ্ধ। কৃষি, শিল্প ও বিস্তৃত বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের কারণে আরবদের অর্থনৈতিক জীবন জাভাবাসীর তুলনায় বহুগুণে উন্নত ও স্থিতিশীল ছিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
137

Related Question

View All
7.6k
উত্তরঃ

"হানিফ" বলতে বোঝায় সেই সব ব্যক্তি, যারা ইসলাম আগমনের পূর্বে ইবরাহিম (আ.)-এর একেশ্বরবাদী ধর্মের অনুসারী ছিলেন এবং তারা সমাজের প্রচলিত মূর্তিপূজা ও কুসংস্কার থেকে নিজেদের দূরে রাখতেন। তারা প্রকৃত ধর্মের সন্ধানকারী এবং সত্যপথে চলার চেষ্টা করতেন।

khadija
khadija
1 year ago
5.4k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মোহনপুর এলাকার ওয়ার্ড ব্যবস্থার সাথে প্রাচীন আরবের গোত্রীয় প্রথার মিল রয়েছে।

প্রাচীন আরবের সমাজে গোত্রীয় প্রথা ছিল প্রচলিত। প্রত্যেক গোত্রের নিজস্ব ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব ছিল এবং তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠ মনে করত। সম্পদ, ক্ষমতা বা সামান্য বিষয় নিয়েও প্রায়শই এক গোত্রের সাথে অন্য গোত্রের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ লেগে থাকত। এসময় সামাজিক স্থিতিশীলতার অভাব ছিল প্রকট এবং গোত্রীয় সংঘাত ছিল একটি সাধারণ চিত্র। নারীর সামাজিক অবস্থান ছিল অত্যন্ত নিম্ন, তাদের কেবল ভোগের বস্তু বা বোঝা মনে করা হতো এবং অনেক সময় কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো।

উদ্দীপকের মোহনপুর এলাকার ওয়ার্ড ব্যবস্থার মধ্যে প্রাচীন আরবের গোত্রীয় প্রথার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। যেমন, মোহনপুরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে হানাহানি ও আন্তঃকলহ লেগে থাকে, যা প্রাচীন আরবের গোত্রকলহের অনুরূপ। ফসল কাটা, মাছ ধরা ও পশুপালন নিয়ে সংঘটিত বিবাদ প্রাচীন আরবের গোত্রগুলোর মধ্যে সম্পদ ও ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের কথাই মনে করিয়ে দেয়। উপরন্তু, মোহনপুরের পুরুষরা নারীদের অভিশাপ ও বোঝা মনে করে, যা প্রাচীন আরবের জাহিলিয়া যুগের নারীদের দুরবস্থার সাথে হুবহু সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে নারীর কোনো সামাজিক মর্যাদা ছিল না।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
2.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews